বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
টেকনাফে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: মুলহোতাকে গ্রেফতার
প্রকাশ: ১০:২১ am ২৪-০৪-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:২১ am ২৪-০৪-২০১৮
 
কক্সবাজার প্রতিনিধি
 
 
 
 


কক্সবাজারের টেকনাফ বাহারছড়া উত্তর শীলখালী অপহরণ ও ধর্ষণের পর শিশু হত্যার মুল হোতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আটক যুবক বর্তমানে উত্তর শীলখালীর বাইল্যার ছড়ার গ্রামের বাসিন্দা জাকের হোসেনের পুত্র আজিজ উল্লাহ (১৯)।

ধর্ষক আজিজ উল্লাহ কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তারা বাহারছড়া উত্তর শীলখালীতে এসে পাহাড়ে সরকারী বন ভুমিতে স্থায়ী ভাবে বসবাস করে আসছিল।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সেই নরাধম, পাষন্ড, নরপশু আজিজ উল্লাহ ২১ এপ্রিল সকাল সাড়ে এগারটায় উত্তর শীলখালী সাকিনের শফিউল্লাহ্’র ৭ বছর বয়সী মেয়ে সাদিয়া সুলতানা উর্মিকে বাহারছড়া বাইল্লারছড়া গ্রামের বাতির জোর নামক পাহাড়ী ছড়ায় শিশু মেয়েটিকে অপহরণ করে গভীর পাহাড়ে নিয়ে যায় এবং সেখানে ধর্ষন করে। পরে লতা দিয়ে প্যাঁচিয়ে শিশু সাদিয়াকে হত্যার পর গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখে। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে ২২ এপ্রিল বেলা দেড়টায় উক্ত স্থানে মৃত উর্মির লাশের সন্ধান মিলে। সংবাদ পেয়ে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি কাঞ্চন কান্তি দাশ পুলিশ দল নিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন। ধৃত ধর্ষক আজিজ উল্লাহ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষনের কথা স্বীকার এবং বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছে। ঘটনার সাথে সন্দেহজনক আটক ইউছুফের কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ার কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

জানা গেছে, কক্সবাজার পুলিশ সুপার ড: ইকবাল হোসেনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উখিয়া সার্কেল চাইলাউ মারমার সহযোগীতায় বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি পরিদর্শক কাঞ্চন কান্তি দাশ ও পরিদর্শক (অপস) রাজু আহমদ ও টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়ার নেতৃত্বে পৃথক টিম অভিযান চালিয়ে ২৩ এপ্রিল বাহারছড়া পাহাড়ি এলাকা থেকে নরপশু বর্তমানে উত্তর শীলখালীর বাইল্যার ছড়ার গ্রামের বাসিন্দা জাকের হোসেনের পুত্র আজিজ উল্লাহকে (১৯) গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, ২১ এপ্রিল শফিউল্লহ’র বাড়িতে স্থানীয় দিনমজুর ইউসুফ কাজ করছিল। উক্ত ইউসুফের মজুরির পারিশ্রমিক হিসাবে ৫০০ টাকা সাদিয়ার হাতে দিয়ে ইউসুফের বাড়িতে স্ত্রীর নিকট পাঠানো হয়েছিল। এসময় ইউসুফ দিনমজুর হিসেবে শফিউল্লহর বাড়িতে কাজে ব্যস্ত ছিল। সন্ধ্যা নেমে আসলেও মেয়ে সাদিয়া বাড়িতে না ফেরায় পিতা শফিউল্লাহ খোঁজখোঁজি করে এবং ইউছুফের বাড়িতেও খোঁজ নেন। কন্যা শিশু সাদিয়াকে না পেয়ে পিতা শফিউল্লাহ সারারাত আত্মীয় স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করতে থাকে। পরদিন ২২ এপ্রিল বিকালে খোঁজাখোঁজির এক পর্যায়ে গভীর পাহাড়ে লতা দিয়ে প্যাঁচানো সাদিয়ার ঝুলন্ত অবস্থায় রক্তান্ত লাশ দেখতে পায়। খবর পেয়ে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক কাঞ্চন কান্তি দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সাদিয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্ততের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71