বুধবার, ২৭ মার্চ ২০১৯
বুধবার, ১৩ই চৈত্র ১৪২৫
 
 
ঠাকুরগাঁওয়ে ভারি বর্ষণে ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি
প্রকাশ: ০৪:৫০ pm ১৩-০৮-২০১৭ হালনাগাদ: ০৪:৫০ pm ১৩-০৮-২০১৭
 
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
 
 
 
 


তিন দিনের অবিরাম ভারি বর্ষণে ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। উজানের ঢলে পনি বন্দি অবস্থায় দিন যাপন করছে কমপক্ষে ১৫ হাজার মানুষ। 

কাচা ও আধাপাকা ২ সহস্রাধিক ঘরবাড়ি বিনষ্ট হয়েছে। পানির তলে রোপা আমন ধান, তুলা, মৌসুমী শাক-সবজি, মরিচ সহ বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে। শহরের ডিসি বস্তি এলাকার ১জন নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ যুবককে উদ্ধারের জন্য পুর থেকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঠাকুরগাঁওয়ে রওনা দিয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে শুক্রবার থেকে অবিরাম বর্ষনে ফসলি জমিসহ বিস্তৃর্ন এলাকা প্লাবিত হয়। জেলার সদর উপজেলার গড়েয়া গোপিকান্তপুর, আরাজি পাহাড় ভাঙ্গা, আরাজি চিলারং বগুলাডাঙ্গী, সালন্দর ইয়াকুবপুর, বরুনাগাঁও, সিংপাড়া, রায়পুর, জগন্নাথপুর, বেগুনবাড়ি, রুহিয়া মন্ডলাধাম, রামনাথ, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বেউরঝারি, রতনাই, শুটকি বস্তি, হাসুয়া, চড়ইগেদি, ভান্ডারদহ, রানীশংকৈল উপজেলার কাশিপুর খেরবাড়ি, রাউথ নগর হরিপুর উপজেলার সিংহারি, কান্দাল, আটঘড়িয়া, বুজরুক, টেংরিয়া এবং পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট বালুবাড়ি, করনাই, চন্দরিয়া সহ বিভিন্ন এলাকার ফসলিজমি পানিতে তলিয়ে যায়। 

কমপক্ষে ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি দিন যাপন করছেন। হরিপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সোলায়মান আলী জানান, তার এলাকার প্রায় ৫শ কাচা বাড়িঘর বিনষ্ট হয়েছে। 

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজান খোর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আকালু বলেন, তার এলাকার সীমান্ত নদী নাগরের পানি এলাকার ৫-৬টি গ্রামে ঢুকে পড়ে। ঐ এলাকার হাজার হাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে। 

জেলা শহরের ডিসি বস্তিতে হঠাৎ পাড়া টাঙ্গন নদীর পানি ঢুকে পড়ে। এতে বাড়িঘর পানিতে ডুবে যায়। ডিসি বস্তির রিয়াদ (২০)নামে এক জন নিখোঁজ হয়েছে। সদর থানার ওসি মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
 
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কে.এম মাউদুদুল ইসলাম জানান, ভারি বর্ষনে প্রায় ৭শ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। ৩ দিনে প্রায় ৩শ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড.নিয়াজউদ্দিন জানান, অনেক পুকুরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে। এতে মাছ চাষিরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
 
জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল বন্যা দূর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন। তবে ক্ষয় ক্ষতির পরিমান নির্নয়ের পরে তিনি জানাবেন।

এস/এসএম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71