শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮
শনিবার, ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
ডিএসইর অংশীদার চূড়ান্ত করতে প্রতিবেদন জমা
প্রকাশ: ১০:৩৬ am ১৬-০৩-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:৩৬ am ১৬-০৩-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর কৌশলগত অংশীদার (স্ট্রাটেজিক পার্টনার) চূড়ান্ত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পর্যালোচনা কমিটির পক্ষ থেকে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার কমিটির আহ্বায়ক ও বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ আহমেদ কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন।

জানা গেছে, আগামী ২০ মার্চ নিয়মিত কমিশন সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। ৮ মার্চ কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও কমিশন তা ৫ কার্যদিবস বৃদ্ধি করেছে। চার সদস্যের কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বিএসইসির নির্বাহী মাহবুবুল আলম, ড. এটিএম তারিকুজ্জামান ও আনোয়ারুল ইসলাম।

এর আগে কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিষয়ে সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং সেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জকে নিয়ে গঠিত কনসোর্টিয়ামের বিষয়ে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের নেওয়া সিদ্ধান্তের প্রস্তাব ২২ ফেব্রুয়ারি বিএসইসিতে জমা দেওয়া হয়। এরপরে বিএসইসি এ কমিটি গঠন করে। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর দেওয়া প্রস্তাবের ওপর কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি ইস্যু করেছিল বিএসইসি। এই চিঠির ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য পর্ষদ সভা ডাকে ডিএসই। পরে ৪ মার্চ বিএসইসিকে জবাব পাঠায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং সেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জকে নিয়ে গঠিত কনসোর্টিয়াম ডিএসইর শেয়ার ২২ টাকা দরে কিনতে চেয়েছে। একই সঙ্গে কিছু টেকনিক্যাল সাপোর্টের কথা বলেছে। ডিএসইর ভাষ্য অনুযায়ী, এই টাকার পরিমাণ হবে ৩০০ কোটি টাকা। এর নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নেই। এছাড়াও চীনের বিনিয়োগের প্রস্তাবে কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

কৌশলগত অংশীদার পেতে তিন মাস আগে ডিএসই আহ্বানে দুটি কনসোর্টিয়াম দরপত্র জমা দেয়। এদের মধ্যে চীনের দুই এক্সচেঞ্জের কনসোর্টিয়াম ছাড়া অপর দরদাতা ছিল ভারতের ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ, ফ্রন্ট্রিয়ার বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নাসডাক-এর কনসোর্টিয়াম। দুটি প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে ১০ ফেব্রুয়ারি চীনের কনসোর্টিয়ামকে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসই।

প্রস্তাব অনুযায়ী, চীনা কনসোর্টিয়াম ৯৯০ কোটি টাকায় ডিএসইর ৪৫ কোটি বা ২৫ শতাংশ শেয়ার (প্রতিটি ২২ টাকা দরে) কিনবে। সেই সঙ্গে ডিএসইর কারিগরি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ৩৭ মিলিয়ন ডলার খরচ করবে। অন্যদিকে, এনএসইর নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়াম প্রতিটি শেয়ার ১৫ টাকা করে ২৫ দশমিক এক শতাংশ শেয়ার কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল। পাশাপাশি তারা কারিগরি সহযোগিতার কথা বললেও কত টাকা ব্যয় করবে তার উল্লেখ ছিল না সেখানে।

২০১০ সালে পুঁজিবাজার ধসের পর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা আলাদা করার জন্য ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট ২০১৩ করা হয়। কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ছাড়াও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের দিক বিবেচনায় কৌশলগত অংশীদার নেওয়া এবং তাদের জন্য মোট শেয়ারের ২৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়। সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো বা ব্রোকারেজ মালিকরা স্টক এক্সচেঞ্জটির ৪০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানায় থাকবেন। বাকি ৩৫ শতাংশ শেয়ার পরবর্তীতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করতে হবে।

২০১৩ সালের স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজেশন (মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথিকীকরন) আইনে ২০১৬ সালের মধ্যে কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে স্টক এক্সচেঞ্জের সংরক্ষিত ২৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বাধ্যবাধকতা ছিল। এসময়ের মধ্যে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়। এরপরে ৬ মাস সময় বৃদ্ধি করে কমিশন। বাড়তি ৬ মাসেও কৌশলগত বিনিয়োগকারী ঠিক করতে পারেনি ডিএসই। পরবর্তীতে আবারও ৬ মাসের সময় দিয়ে চিঠি ইস্যু করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যার মেয়াদ দেওয়া হয় চলতি মাসের ৮ তারিখ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ডিএসই কৌশলগত বিনিয়োগকারী খুঁজে পেলেও চুক্তি করতে পারেনি। ফলে আবারও সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করে ডিএসই।

বিএম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71