শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯
শুক্রবার, ৪ঠা শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন, বুঝবেন কিভাবে?
প্রকাশ: ১১:১০ am ২৪-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ১১:১০ am ২৪-০৫-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


আমরা সবাই কমবেশি ভুলে যাই। এই ভুলে যাওয়া কি সাধারণ কোনো ঘটনা, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো রোগ বা অসুখ? ডিমেনশিয়া নিয়ে যখনই কথা বলি সবাই মনে করে, আমিও তো ভুলে যাই। তাহলে আমারও কি ডিমেনশিয়া হয়েছে? তাহলে আসুন ভালো করে চিনে নিই ডিমেনশিয়াকে।

এক : ডিমেনশিয়ার কারণে নিকটতম অতীতের স্মৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সবার আগে। অতীতের কথা খুব ভালোভাবে বলতে পারেন; কিন্তু একটু আগে কী করেছেন তা মনে করতে পারেন না। এ ছাড়াও দিন-তারিখ, সময় মনে করতে পারবেন না। একই কথা বারবার জিজ্ঞেস করতে থাকেন। 

দুই : দৈনন্দিন কাজ সম্পাদনে সমস্যার সৃষ্টি হবে। যেমন- কোনো কিছু ভালো মতো পরিকল্পনা করার পরও তালগোল পাকিয়ে ফেলা বা বাড়ির রাস্তা ভুলে যাওয়া ইত্যাদি।

তিন : ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হবে। মাঝে মাঝে সঠিক শব্দ খুঁজে পাবেন না বা কথার খেই হারিয়ে ফেলবেন। এমনকি উত্তেজিত হয়ে যেতে পারেন।

চার : ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির স্থান ও সময় নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে। আজ মাসের কত তারিখ বা কী বার এটা তারা বলতে পারবেন না। এমনকি নিজের ঘরকেও অপরিচিত মনে হতে পারে।

পাঁচ : ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন এবং তিনি যা ভাবছেন সেটাকেই সঠিক বলে মনে করবেন। এটা নিয়ে অন্যদের সঙ্গে মনোমালিন্য তৈরি হতে পারে।

ছয় : ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি গণনা করা ভুলে যাবেন। টাকা-পয়সা বা অন্যান্য হিসাব তারা রাখতে পারবেন না বা ভুল করবেন। লেনদেনের ক্ষেত্রে অসঙ্গতি দেখা দেবে।

সাত : ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র খুঁজে পাবেন না যেমন- মানিব্যাগ, দলিলপত্র। তারা নিজেরা লুকিয়ে রাখবেন কিন্তু ভুলে যাবেন যে কোথায় রেখেছেন।

আট : হঠাৎ মুড পরিবর্তন হওয়া আর একটি লক্ষণ। রেগে যাওয়া, কারণ ছাড়া মন খারাপ করা, ডিপ্রেশনে ভোগা, এ ছাড়াও আচার-ব্যবহারে পরিবর্তন আসতে পারে।

নয় : ব্যক্তিত্বে পরিবর্তন আসা। যেমন- হাসিখুশি মানুষটি হঠাৎ গম্ভীর ও বদরাগী হয়ে যেতে পারেন। আগে অনেক মিশুক ছিলেন এখন একেবারে চুপচাপ। 

দশ : আমরা সবাই মাঝে মাঝে একঘেয়েমিতে ভুগি, আবার ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তির কোনো কিছু করার প্রতি আগ্রহ বা উৎসাহ থাকে না। 

উপরের এক বা একাধিক কারণ যদি কোনো মানুষের মাঝে দেখা যায় তাহলে দেরি না করে নিওরোলজিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।


বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71