মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারি ২০১৯
মঙ্গলবার, ৯ই মাঘ ১৪২৫
 
 
ঢাকার ২৩ এলাকা চিকুনগুনিয়ার জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ
প্রকাশ: ১১:১৭ am ০৯-০৬-২০১৭ হালনাগাদ: ০১:৪২ pm ০৯-০৬-২০১৭
 
 
 


স্বাস্থ্য ডেস্ক : ঢাকার ২৩টি এলাকাকে চিকুনগুনিয়ার জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে রোগ পর্যবেক্ষণকারী সরকারী সংস্থা আইইডিসিআর।

৮ জুন বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে চিকুনগুনিয়া বিস্তার প্রতিরোধ সংক্রান্ত সভায় এই গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইইডিসিআর।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো হলো- ধানমণ্ডি ৩২, ধানমণ্ডি ৯/এ, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টর, মধ্যবাড্ডা, গুলশান-১, লালমাটিয়া, পল্লবী, মগবাজার, মালিবাগ চৌধুরী পাড়া, রামপুরা, তেজগাঁও, বনানী, নয়াটোলা, কুড়িল, পীরেরবাগ, রায়ের বাজার, শ্যামলী, উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর, মণিপুরিপাড়া, মোহাম্মদপুর, মহাখালী, মিরপুর-১ ও কড়াইল বস্তি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, “গবেষণায় দেখা গেছে রাজধানীর এই ২৩টি এলাকায় চিকুনগুনিয়ার বাহক মশার ঘনত্ব বেশি”।

এসব এলাকায় মশা নিধন কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, “বাড়িঘরের মধ্যে অনেক সময়ে দীর্ঘ দিন পানি জমে থাকে ফলে সেখানে এডিস মশার উৎপত্তি হতে পারে। তাই বাড়ির ভিতরে, বাড়ির ছাদে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে জনগণকে খেয়াল রাখতে হবে।”

চিকুনগুনিয়ার বিস্তার প্রতিরোধে এডিস মশা ও এর লার্ভা নিধনের ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ অব্যাহত রাখতে ঢাকার দুই সিটি কর্পো্রেশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম।

সভা চলাকালেই মন্ত্রী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের মেয়র এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে জনসচেতনতা বাড়ানোর কার্যক্রম গ্রহণের অনুরোধ করেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, প্রয়োজনে বাড়ির ভিতর গিয়ে মশা নিধন কর্মসূচি চালাতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মীদের সহযোগিতা করার জন্য বাড়ির মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।

আইইডিসিআরের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, “চিকুনগুনিয়ায় ভীষণ ব্যথা হয়, অনেক সময় নড়াচড়াই করা যায় না। ব্যথা হয় সব অস্থিসন্ধিতে।”

গিটে গিটে ব্যথার পাশাপাশি মাথা কিংবা মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীরে ঠাণ্ডা অনুভূতি, চামড়ায় লালচে দানা, বমি বমি ভাবও চিকনগুনিয়ার লক্ষণ।

একটি পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে অন্যদেরও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে ডা. আলমগীর বলেন, “মশা খুব দ্রুতই একজন থেকে অন্যজনের দেহে এই রোগ নিয়ে যায়। তাই মশারি ব্যবহার করতে হবে, এমনকি দিনের বেলায়ও।”

এডিস প্রজাতির এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস এলবোপিকটাস মশা থেকেই চিকুনগুনিয়া রোগের সংক্রমণ ঘটে। চিকুনগুনিয়া ভাইরাসটি টোগা ভাইরাস গোত্রের। মশাবাহিত হওয়ার কারণে একে আরবো ভাইরাসও বলে।

ডেঙ্গু ও জিকা ভাইরাসও এই মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং রোগের লক্ষণ প্রায় একই রকম বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

আইইডিসিআর বলছে, এ ধরনের মশা সাধারণত ভোর বেলা অথবা সন্ধ্যার সময় কামড়ায়।

চিকুনগুনিয়া পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা না করে জ্বর হলে প্যারাসিটামল সেবনের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

এইবেলাডটকম/এএস

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71