শনিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০১৯
শনিবার, ৬ই মাঘ ১৪২৫
 
 
ঢাকায় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রকাশ: ০৯:১৫ pm ০৯-০২-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:১৫ pm ০৯-০২-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করতে দুইদিনের সফরে শুক্রবার ঢাকায় এসেছে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন।

শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে ঢাকার শাহজালাল মিানবন্দরে পৌঁছালে পররাষ্ট্র সচিব (দ্বিপক্ষীয়) কামরুল আহসান, ইউরোপ উইংয়ের মহা পরিচালক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খাস্তগির এবং ঢাকায় ব্রিটিশ হাই কমিশনার অ্যালিসন ব্লেক তাকে স্বাগত জানান। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে তার দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে। 
 
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারে উন্নীত করার লক্ষ্যে তার এই সফর। প্রায় ১০ বছর পর যুক্তরাজ্যের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় এসেছেন। এর আগে ২০০৮ সালে যুক্তরাজ্যের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড মিলিব্যান্ড বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।

তার এই সফর বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, দ্বি-পক্ষীয় সফরে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে আসছেন। বাংলাদেশ এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে চমৎকার কূটনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।
 
জানা যায়, ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হবে। বাংলাদেশ সফরকালে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরে যাবেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রোহিঙ্গাদের দুর্দশা স্বচক্ষে দেখবেন তিনি। একইসঙ্গে তার সফরে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাজ্যের কার্গো অবরোধ তুলে নেওয়ার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে। এছাড়া ব্রেক্সিট পরবর্তী ঢাকা-লন্ডন সম্পর্ক ও ভিসা ইস্যুতে তার সফরে আলোচনা হবে। সফরকালে বরিস জনসন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক করবেন। এছাড়াও তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
 
রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সরব রয়েছে যুক্তরাজ্য। তারা শুধু জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদেই নয়, অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায়ও সহায়তা করেছে। রোহিঙ্গাদের জন্য অর্থ সহায়তাও দিয়ে আসছে। গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ বৈঠকের সময়ে বরিস জনসন জাতিসংঘ সদর দফতরে পৃথকভাবে রোহিঙ্গা নিয়ে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিলেন। বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রফতানি বাজার যুক্তরাজ্য। সেখানে বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পেয়ে থাকে। দেশটি বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন সহায়তাও দিয়ে থাকে।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71