বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৩০শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
তাঁতী বাবার গুণী মেয়ে
প্রকাশ: ০২:০৩ pm ২০-১২-২০১৭ হালনাগাদ: ০২:০৩ pm ২০-১২-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক:
 
 
 
 


বাবা আক্তার হোসেন তাঁত বোনেন। বাবাকে এই কাজে সহযোগিতা করত আঁখি খাতুন। এদিকে ফুটবলার হওয়ার অদম্য নেশা পেয়ে বসেছে তাকে। আঁখি এখন ফুটবলার। মেয়েদের সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে মঙ্গলবার ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে তার জোড়া গোলে বাংলাদেশ জিতেছে ৩-০ ব্যবধানে। দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে আঁখি বেশ খুশি। তার কথায়, দলকে জেতাতে পারার আনন্দই অন্যরকম। এটুকু জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। কিন্তু আজকের মতো এমন আনন্দের দিন এর আগে আসেনি আমার জীবনে।

রাজশাহীর শাহাজাদপুর ইব্রাহিম মেমোরিয়াল স্কুলে যেত দু’ভাই বোনের মধ্যে ছোট আঁখি। বিকেলে বাবার তাঁতের কাজে সহায়তা করত। একদিন আঁখির উচ্চতা দেখে তাকে ফুটবলের প্রতি আগ্রহী করে তোলেন এলাকার স্যার মনসুর রহমান।

একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় মনসুরের কথায় রাজি হয় আঁখি। সেই শুরু তার ফুটবলে। স্কুলের হয়ে একবার বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টে খেলেছে। কিন্তু বিভাগীয় পর্যায়ে বেশিদূর যেতে পারেনি। দমে যায়নি আঁখি।

একসময় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) প্রতিভা অন্বেষণে কোচদের নজর কাড়ে। সেই থেকে বিকেএসপির ছাত্রী সে। এখন জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৫ দলের ডিফেন্ডার। রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হওয়া সত্ত্বেও দু’গোল করে মেয়েদের দলের ‘কায়সার হামিদ’ খ্যাতি পেয়ে গেছে। ম্যাচপরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের কথায়, ‘মঙ্গলবার ম্যাচে আঁখির গোল দেখে অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, আঁখি মেয়েদের দলের কায়সার হামিদ। আমারও তাই মনে হয়েছে। তার উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি।’

এর আগেও গোল করেছে আঁখি। গত বছর নেপালে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে তাজিকিস্তানের বিপক্ষে একটি গোল করেছিল সে। টেলিভিশনে ফুটবল ম্যাচ দেখে আঁখি। তার কথায়, ‘আমি টেলিভিশনে বিদেশি ফুটবল খেলা দেখি। ড্রিবলিং, ব্যাকহিলের অনুশীলন করি। এভাবে খেলতে আমার ভালো লাগে।’

এসকে 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71