রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
রবিবার, ৫ই ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
তাপদাহে ধংস হয়ে যাবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান
প্রকাশ: ০৮:৩৩ am ২১-০৮-২০১৭ হালনাগাদ: ০৮:৩৩ am ২১-০৮-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে চরম তাপদাহে ধংস হয়ে যাবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান। ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির (এমআইটি) বিজ্ঞানীরা তাই বলছেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই তিন দেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সবগুলো দেশ বাসের অযোগ্য হয়ে যাবে।

সম্প্রতি থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনকে এমআইটির অধ্যাপক এলফাতিহ এলতাসির বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান কৃষি অঞ্চল গঙ্গা ও ইন্দু নদীর তীরবর্তী অঞ্চল মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে আগামী কয়েক যুগের মধ্যে। ফলে এসব অঞ্চলে ফসল উৎপাদনও কমে যাবে মারাত্মক হারে।

সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনযায়ী, ২০১৫ সালে গরমের কারণে ভারত উপমহাদেশে প্রায় ৩৫০০ মানুষ মারা গেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এখন পর্যন্ত ভারতীয় উপমহাদেশের প্রায় ২ শতাংশ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। কিন্তু ২১০০ সাল পর্যন্ত এ হার বেড়ে দাঁড়াবে ৭০ শতাংশ।

২১০০ সাল নাগাদ উপসাগরীয় অঞ্চল হবে বিশ্বের সবচেয়ে গরম অঞ্চল। তবে তাদের জন্য আশার কথা হলো, তারা তেলসম্পদের কারণে ধনী। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ প্রথমতঃ গরম এবং দ্বিতীয় ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ায় অন্য নিজের ঘর ছেড়ে দূরে কোথাও অর্থাৎ অন্য দেশে চলে যেতে বাধ্য হবে।

প্রতিবেদনটিতে জরুরি ভিত্তিতে চরম এ দুর্যোগের বিপরীতে উপায়ের খোঁজ চাওয়া হয়েছে। যাতে এ অঞ্চলকে এত দ্রুত গরম হয়ে ওঠার হাত থেকে রক্ষা করা যায়। যাতে আরও কিছু সময় বাড়ানো যায় শীতল আবহাওয়া বজায় রাখার ক্ষেত্রে।

গত মাসে দক্ষিণ এশিয়ার দুর্যোগ বিশেষজ্ঞের একটি দল পাকিস্তানে মিলিত হয়েছিল এ ব্যাপারে একটি সমাধান খোঁজার জন্য। ভারতের আহমেদাবাদ ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যা চরম তাপদাহের বিপরীতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম সতর্কতামূলক পদ্ধতি।

তাপদাহ থেকে বাঁচার জন্য দক্ষিণ এশিয়ার কিছু নগরকে চিহ্নিত করা হয়েছে যা তাপদাহের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলোতে গ্রীষ্মকালে জনবহুল ভবন, শপিং মল এবং উপাসনালয়ে শীতলীকরণ পদ্ধতি চালু করা হবে।

প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71