সোমবার, ২০ মে ২০১৯
সোমবার, ৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
 
 
তারাপীঠে একান্ন সতীপীঠের আদলে গড়া হবে ৫১টি মন্দির
প্রকাশ: ০৯:০৬ pm ২৭-০৩-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:০৬ pm ২৭-০৩-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


সতীর একান্ন পীঠ। সব পীঠে পৌঁছনো হয়ে ওঠে না সবার। কারণ, শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে ছড়িয়ে আছে শক্তিপীঠগুলি। রাজ্য সরকার এই সমস্যার অনেকটা সুরাহা করছে। 

বীরভূমের তারাপীঠে ৬০ বিঘে জমি চিহ্নিত হয়েছে। এই জমিতে একান্ন পীঠের আদলে আলাদা আলাদা ৫১টি মন্দির তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হল। বীরভূম জেলা প্রশাসন এবং ‘তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ’ মিলিতভাবে এই সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়িত করবে। 

রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রথম কিস্তিতে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

সরকারের এই মেগা পরিকল্পনায় যাতে কোনও কমতি না থাকে তা নিশ্চিত করতে দফায় দফায় বৈঠক চলছে। অফিসাররা জানেন, কিংবদন্তি, পুরাণ এবং ধর্মীয় রীতি মেনে সতীর একান্ন পীঠের রেপ্লিকা এক জায়গায় তৈরি করা খুব সহজ কাজ নয়। এর জন্য প্রভুত অর্থ তো লাগবেই, তার চেয়ে বড় যা লাগবে তা হল নিষ্ঠা। 

তারাপীঠ মায়ের সিদ্ধপীঠ। প্রত্যেকদিন এখানে অগুনতি পুণ্যার্থীর ভিড় হয়। দেশ-বিদেশের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন অন্নভোগ গ্রহণ করেন। 

তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং কৃষিমন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বন দপ্তরের ৬০ বিঘে জমি চিহ্নিত হয়েছে। তারাপীঠের কাছে এই জমিতে একান্নপীঠের মন্দিরগুলির রেপ্লিকা তৈরি হবে। 

নবান্ন সূত্রে খবর, প্রতিবছরই ভারত-সহ বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে শক্তিপীঠ দর্শনের আবেদন আসে। আইনি কারণে অনেক সময় অনুমতি মেলে না। বিরাট অঙ্কের আর্থিক প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখে অনেকে বিদেশ সফর বাতিল করেন। এক্ষেত্রে ইতিহাসের সাক্ষী থাকতে পারবেন পুণ্যার্থীরা। প্রতিটি মন্দিরে পূজাও দেওয়া যাবে।

আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71