মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯
মঙ্গলবার, ১লা শ্রাবণ ১৪২৬
 
 
তিন সিটিতে প্রার্থী ৫২৯, সংখ্যালযু ১৮
প্রকাশ: ০৩:৩০ pm ২৮-০৭-২০১৮ হালনাগাদ: ০৩:৩০ pm ২৮-০৭-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটির মেয়র ও কাউন্সিলর পদে সংখ্যালঘু প্রার্থী খুব কম। রাজশাহী সিটিতে কোনো পদে সংখ্যালঘু কোনো প্রার্থীই নেই। বরিশালে জনসংখ্যার সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে অংশগ্রহণের হার ১ শতাংশের মতো। 
 

তিন সিটির মধ্যে সিলেটে সাধারণ ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু প্রর্থীদের অংশগ্রহণের হার তুলনামূলকভাবে বেশি। তিন সিটিতে অংশ নেওয়া ১৭ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে শুধু বরিশালে একজন সংখ্যালঘু প্রার্থী। কাউন্সিলর পদে মোট ৫১২ জন প্রার্থীর মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী মাত্র ১৭ জন।

সংখ্যালঘু নেতা ও গবেষকেরা বলছেন, রাজনীতি হয়ে উঠছে পেশি ও অর্থনির্ভর। সেখানে পেরে উঠছে না সংখ্যালঘুরা। এই প্রবণতা বদলাতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোকেই।

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যার মুসলিম শতকরা ৯০ দশমিক ৪ ভাগ, হিন্দু ৮ দশমিক ৫ ভাগ, বৌদ্ধ শূন্য দশমিক ৬ ভাগ, খ্রিষ্টান শূন্য দশমিক ৩ ভাগ ও অন্যান্য শূন্য দশমিক ২ ভাগ। জাতীয়ভাবে সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যার গড় হার ৯ শতাংশের কিছু বেশি হলেও সিলেট ও বরিশালে সংখ্যালঘু জনসংখ্যার হার এর চেয়ে বেশি। আর রাজশাহীতে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা জাতীয় হারের চেয়ে কম।

সিলেট সিটি করপোরেশনে সংখ্যালঘু ভোটের সংখ্যা মোট ভোটের ১৮ শতাংশ। সিলেটে মোট ভোটার ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২। মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে সংখ্যালঘু কেউ নেই। ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১২৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী। এর মধ্যে সংখ্যালঘু প্রার্থী নয়জন। অর্থাৎ,এখানে সংখ্যালঘু ব্যক্তিদের অংশ গ্রহণের হার ৭ শতাংশের কিছু বেশি। নারীদের সংরক্ষিত ১০ ওয়ার্ডে ৫৫ জন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে সংখ্যালঘু নারীর সংখ্যা ৫ জন। নারীদের অংশগ্রহণের হার পুরুষের তুলনায় বেশি, ৯ শতাংশ।

বরিশাল সিটিতে সংখ্যালঘু মানুষের সংখ্যা অনেক আগে থেকে জনসংখ্যার অনুপাতে বেশি ছিল। বিভিন্ন দফায় তাঁদের দেশত্যাগের প্রভাব এ সিটিতেও পড়েছে বলে সিটির একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। বরিশাল সিটিতে মোট ভোটারের ১১ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোট। এর মধ্যে সাড় ৯ শতাংশ ভোটার হিন্দু। বাকিটা খ্রিষ্টান। 

বরিশাল সিটিতে এবারের নির্বাচনে সাধারণ ওয়ার্ডে মোট ৯৪ আর নারী প্রার্থী ৩৫। সাধারণ ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সুরঞ্জিত দত্ত লিটুই একমাত্র প্রার্থী। শতাংশের হিসাবে মাত্র ১ দশমিক শূন্য ৬ ভাগ সংখ্যালঘু নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। মোট দুজন সংখ্যালঘু নারী প্রার্থী এবারের নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। দুজনেই ৬ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ড থেকে। এখানে পুরুষের তুলনায় নারীদের অংশগ্রহণের হার বেশি। এখানে নারীদের অংশগ্রহণের হার প্রায় ৬ শতাংশ।

তিন সিটির মধ্যে বরিশাল একমাত্র এলাকা, যেখানে সিটির মেয়র পদে একজন সংখ্যালঘু প্রার্থী হয়েছেন। তিনি বাসদ-সমর্থিত প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী। তিনি নিজেকে সংখ্যালঘুদের নয়, গণমানুষের প্রতিনিধি বলতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তবে মনীষা বলেন, নির্বাচনে সংখ্যালঘুদের কম আসার কারণ এখানে মৌলবাদের বিস্তার ঘটছে। বড় দলগুলো সাম্প্রদায়িকতাকে উসকে দিচ্ছে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে। তারা সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে না।

উত্তরের জনপদ রাজশাহী সিটিতে ৩০ সাধারণ ওয়ার্ড ও ১০ সাধারণ ওয়ার্ডে একজনও সংখ্যালঘু প্রার্থী নেই। সিটির মোট ভোটার ৩ লাখ ১৮ হাজার ১৩৮। এখানে ৩০টি সাধারণ ওয়ার্ডে মোট প্রার্থী ১৬০ জন। আর নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর সংখ্যা ৫২।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71