রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৮ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
ছেলেধরা আতঙ্ক 
ত্রিপুরায় গণধোলাইয়ে নিহত ৩
প্রকাশ: ০৮:২১ am ২৯-০৬-২০১৮ হালনাগাদ: ০৮:২১ am ২৯-০৬-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ছেলেধরা গুজবে ভারতের ত্রিপুরায় গণধোলাইয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরও তিনজন। 

বৃহস্পতিবার এসব ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে গণধোলাইয়ে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে পুলিশ ছাউনির ভেতরে। এসব ঘটনায় গোটা রাজ্যেই উত্তেজনা তুঙ্গে। রাজ্য সরকারের তরফে আবেদন জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি।

পুলিশ সূত্রে খবর, পশ্চিম ত্রিপুরার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী সিধাই থানার হেজামারা মুরাবড়িতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ছেলেধরা সন্দেহে চার হকারের ওপর চরাও হন স্থানীয় জনতা। চারজনই হিন্দিভাষী। বিহার রাজ্যের বাসিন্দা।

একটি গাড়ি করে কিছু প্রসাধনী সামগ্রী তাঁরা বিক্রি করছিলেন। কিন্তু ছেলেধরা গুজবে স্থানীয় গ্রামবাসীরা তাঁদের আক্রমণ করেন। নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে তাঁরা স্থানীয় একটি পুলিশ ছাউনিতে প্রবেশ করেন।

কিন্তু ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস (টিএসআর)-এর ছাউনির ভেতরে ঢুকে উত্তেজিত জনতা চার যুবককে গণধোলাই দেয়। গণ ধোলাইয়ে জাহির খান নামক এক যুবকের মৃত্যু হয়। বাকি তিনজনও গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

টিএসআর জওয়ানরা তাঁদের উদ্ধার করতে এলে জনতা তাঁদের ওপরও আক্রমণ করে বলে জানা গিয়েছে। জনতা পুলিশ সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখমও হন। একজন পুলিশকর্মীকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সিধাইয়ের এই ঘটনাই শুধু নয়, গোটা রাজ্যেই প্রচুর গুজব রটছে। বিভিন্ন জায়গা থেকেই ছেলেধরা আতঙ্কের পাশাপাশি গণধোলাইয়েরও খবর আসছে। নিহতদের মধ্যে ১ জন নারীও আছেন, তবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। সরকারের হয়ে ছেলেধরা বিরোধী গুজবের বিরুদ্ধে প্রচারে বেরিয়ে মারা যান সুকান্ত চক্রবর্তী নামের আরেক স্থানীয় যুবক।

পুলিশ সূত্রে খবর, গুজব রুখতে রাজ্যে ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িক বন্ধ রাখার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে রাজ্যবাসীকে গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যজুড়ে মোবাইলে ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে। তবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু আছে। বন্ধ আছে এসএমএস। অন্যদিকে শাসকদল ও বিরোধী দল উভয়ই গুজবে কান না দিতে জনগণের প্রতি অনুরোধ করেছে।

বৃহস্পতিবার ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্য বিধানসভায় গুজবে কান না দেওয়ার আবেদন জানান রাজ্যবাসীকে। সেই সঙ্গে আইন নিজের হাতে না তোলারও পরামর্শ দেন তিনি।-প্রথম আলো

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71