সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
দীনেশ গুপ্ত শহীদ হন
প্রকাশ: ০২:১৯ pm ০৭-০৭-২০১৭ হালনাগাদ: ০২:১৯ pm ০৭-০৭-২০১৭
 
 
 


এইবেলা ডেস্ক : ভারত উপমহাদেশে বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদবিরোধী যে সশস্ত্র বিপ্লববাদী লড়াই-সংগ্রাম সংঘটিত হয় এবং যার ধারাবাহিকতায় উপমহাদেশ স্বাধীন হয়, তার মূলে যেসব বিপ্লবী রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দীনেশ গুপ্ত অন্যতম বিপ্লবী।

দীনেশ গুপ্ত ১৯১১ সালের ৬ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলায় দীনেশ গুপ্তের ডাক নাম ছিল নসু। দীনেশ গুপ্ত দশম শ্রেণিতে পড়াশোনাকালীন বিপ্লবী সুভাষচন্দ্র বসুর বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স (বিভি) নামে গুপ্ত বিপ্লবী সংগঠনের সংস্পর্শে আসেন। ওই সময় বাংলার বিপ্লবীসহ সারা ভারতের বিপ্লবীদের ওপর ইংরেজ শাসকগোষ্ঠী নির্মম অত্যাচার-নির্যাতন চালাতে শুরু করে। জেলের ইন্সপেক্টর জেনারেল কর্নেল এনএস সিম্পসন জেলখানার বন্দিদের ওপর পাশবিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত ছিল। বিপ্লবীরা শুধু সিম্পসন নয়, রাইটার্স ভবনে আক্রমণ করে ব্রিটিশ অফিসারদের হত্যা করে তাদের অত্যাচার-জলুমের জবাব দিতে চেয়েছিল। দীনেশ অন্যান্য বিপ্লবীর সঙ্গে ১৯৩০ সালের ৮ ডিসেম্বর ‘রাইটার্স বিল্ডিং’ আক্রমণে অংশ নেয়। বিপ্লবীদের হাতে কারা বিভাগের সর্বময় কর্তা সিম্পসন নিহত হয়।

‘রাইটার্স বিল্ডিং’ আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য ডেকে আনা হয় গুর্খা বাহিনী। যতক্ষণ পর্যন্ত বিপ্লবী বিনয়-বাদল-দিনেশের হাতে গুলি ছিল, ততক্ষণ কেউ তাদের আক্রমণ করে প্রতিহত করতে পারেনি। একপর্যায়ে দীনেশ পিঠে গুলিবিদ্ধ হন। তখন তিনজন বিপ্লবী একটি শূন্য কক্ষে প্রবেশ করে সঙ্গে আনা ‘সায়ানাইড’-বিষের পুরিয়াগুলি মুখ দিলেন। বিষক্রিয়ায় অতিদ্রুত জীবনপ্রদীপ নির্বাপিত না হওয়ার আশঙ্কায় এবং মৃত্যুকে নিশ্চিত করার জন্য প্রত্যেকেই নিজ নিজ ললাট লক্ষ্য করে রিভলবারে রাখা শেষ গুলিটি ছুড়ে দিলেন। বাদল তত্ক্ষণাত্ মারা যান। বিনয় ও দীনেশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মেঝের ওপর পড়ে রইলেন।

ডাক্তার ও নার্সদের আপ্রাণ চেষ্টায় দীনেশ ক্রমশ সুস্থ হয়ে ওঠেন। পরে তাকে হাসপাতাল থেকে ‘কনডেমড’ সেলে নেওয়া হয়। অতঃপর ব্রিটিশ সরকার এক ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দীনেশের ফাঁসির আদেশ দেয়। ১৯৩১ সালের ৭ জুলাই দীনেশের ফাঁসি কার্যকর করা হয়; সে সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর।

এইবেলাডটকম /আরডি
 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71