মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ১০ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
দুই লাখ টন চাল রফতানি করবে বাংলাদেশ
প্রকাশ: ১১:০৬ am ২৯-১১-২০১৬ হালনাগাদ: ১১:০৬ am ২৯-১১-২০১৬
 
 
 


অর্থনীতি ডেস্ক ::  এক সময়ের খাদ্য সঙ্কটে থাকা আমদানি নির্ভর বাংলাদেশ এবার চাল রফতানিতে মনোযোগী হয়ে উঠেছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পর এবার সংকটে থাকা ও আমদানি নির্ভর বন্ধু রাষ্ট্রে কম দামে দুই লাখ টন মোটা চাল রফতানি করতে চায় বাংলাদেশ।
 
দেশে পর্যাপ্ত চাল মজুদ থাকায় এ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য আপদকালীন মজুদ রেখে উদ্বৃত্ত চাল রফতানি করা হবে।

এরইমধ্যে চাল রফতানির জন্য কয়েকটি কোম্পানিকে অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। আরো কিছু কোম্পানি চাল রফতানির আগ্রহ দেখিয়েছে। তাদেরও অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র।
 
অন্যদিকে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা দুই লাখ টন চাল রফতানি করতে চাই। এরইমধ্যে বাংলাদেশস্থ ইরাকের রাষ্ট্রদূত আমার সঙ্গে দেখা করে তার দেশের চাল আমদানির আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। আরো কিছু দেশও বাংলাদেশ থেকে চাল আমদানি করতে চায়।
 
তিনি জানান, মিসর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, নাইজেরিয়া, মরোক্কো, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ আরো বেশ কয়েকটি দেশও বাংলাদেশ থেকে মোটা চাল আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় মোটা চাল রফতানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে খাদ্য, কৃষি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
 
তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মোটা চাল রফতানি পুরোপুরি উন্মুক্ত না করলেও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে (কেস-টু-কেস) বাংলাদেশ থেকে মোটা চাল রফতানির অনুমোদন দেবে বাণিজ্য মন্ত্রণলায়। বাংলাদেশের রফতানি নীতি অনুযায়ী, বেসরকারিভাবে মোটা চাল রফতানি নিষিদ্ধ।

ফলে চাল রফতানি করতে হলে ২০১৪ সালের ১৫ জুন জারি করা এসআরও (অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন) সংশোধনেরও প্রয়োজন হবে।
 
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা আগ্রহী দেশগুলোকে বলেছি তাদের মোটা চাল দিতে পারব। তবে সেজন্য নির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দিতে হবে। এ প্রস্তাবনা পেলে ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে কম দামেই তাদের চাল দেওয়ার চিন্তা করব।
 
এর আগে চলতি বছর শ্রীলংকায় ৩০ হাজার মেট্রিকটন মোটা চাল রফতানি হয়েছিল। ভারতের ত্রিপুরায়ও ৮ হাজার মেট্রিক টন চাল রফতানি হয়েছে। এছাড়াও ভূমিকম্প পরবর্তী নেপালে ১০হাজার টন চাল খাদ্য সহায়তা হিসেবে পাঠানোর পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার।

 

এইবেলাডটকম/নীল

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71