বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৩০শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
দেবী লক্ষ্মী কেন ভগবান বিষ্ণুর পায়ের কাছে থাকেন?
প্রকাশ: ০১:০৪ pm ২১-১২-২০১৭ হালনাগাদ: ০১:০৪ pm ২১-১২-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


মা লক্ষ্মীর কৃপা লাভ করার জন্য মানুষ বিভিন্ন প্রয়াস করে থাকেন। যারা মা লক্ষ্মীর কৃপা লাভ করতে পারেন না তারা নিজেদের ভাগ্যের দোষ দিয়ে থাকেন। যে ব্যক্তি সৎভাব নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করেন, মা লক্ষ্মী সর্বদা তার উপর প্রসন্ন থাকেন এবং তার উপর ধন-দৌলতের বৃষ্টি নামিয়ে দেন। এইজন্যই বলা হয়ে থাকে , মা লক্ষ্মী ব্যক্তির ভাগ্যে নয় বরং ব্যক্তির কর্মেই প্রসন্ন হন।

মাতা লক্ষ্মী দেবী সর্বদা ভগবান শ্রী বিষ্ণুর সেবা করে থাকেন। শাস্ত্রে যেখানে যেখানে মা লক্ষ্মীর উল্লেখ আছে,  সেখানেই মা লক্ষ্মীকে ভগবান বিষ্ণুর পা টিপতে দেখা যায়। শ্রী বিষ্ণু উনাকে নিজের পুরুষার্থের বলেই নিজের বশে করে রেখেছেন। দেবী লক্ষ্মী সবসময়ই শ্রী বিষ্ণুর বশেই থাকেন। সময়ে সময়ে ভগবান বিষ্ণু জগতের কল্যাণের জন্য জন্ম অবতার নিয়েছিলেন এবং দেবতা এবং মনুষ্যকে সুখী করেছিলেন। ভগবান বিষ্ণুর স্বভাব হচ্ছে তিনি কখনো মোহ মায়ার জালে পড়েন না বরং অন্যদের তিনি মোহ মায়ার জালে ফেলে দেন। সমুদ্র মন্থনের সময় দেবতাদের অমৃত পান করানোর জন্য তিনি মোহিনী রুপ ধারন করে অসুরদেরকে উনার সৌন্দর্যের জালে ফাসিয়ে দিয়েছিলেন।

সমুদ্র মন্থনের সময় মা লক্ষ্মীও সমুদ্র গর্ভ থেকে প্রকট হয়েছিলেন। মা লক্ষ্মীকে প্রাপ্ত করার জন্য দেবতা ও অসুরদের মধ্যে ভয়ানক যুদ্ধ হয়েছিল। তখন ভগবান শ্রী বিষ্ণু মাতা লক্ষ্মী দেবীকে বরন করেছিলেন।

মা লক্ষ্মী হলেন চঞ্চলা। উনাকে এক জায়গায় আটকে রাখা অসম্ভব । তবুও তিনি ভগবান শ্রী বিষ্ণুর চরনের কাছেই থাকেন। যে ব্যক্তি মা লক্ষ্মীর মোহ জালে ফেঁসে যান, সেই ব্যক্তিকে মা লক্ষ্মী ছেড়ে দেন অর্থাৎ যে ব্যক্তি ভাগ্যকে অধিক গুরুত্ব দেন এবং কর্মকে তুচ্ছ মনে করেন , সেই ব্যক্তিকেই মা লক্ষ্মী ছেড়ে দেন।

ভগবান শ্রী হরির কাছে যে মহালক্ষ্মী আছেন, তিনি হলেন ধন আর সম্পত্তি। ভগবান শ্রী বিষ্ণু উনার উচিৎ সময় উচিৎ প্রয়োগ করেন , আর সেইজন্যই ভগবান বিষ্ণুর পায়ের কাছেই দেবী মহালক্ষ্মী সর্বদা বিরাজ করেন।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71