মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ২৯শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
ধর্মে ধর্মে কুসংস্কার
প্রকাশ: ০৮:১২ am ২৭-১১-২০১৬ হালনাগাদ: ০৮:১২ am ২৭-১১-২০১৬
 
 
 


মোস্তাফা জব্বার ||

ঐতিহ্যগতভাবে নানা কারণে বাংলাদেশে নানা ধর্মীয় কুসংস্কার, গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার প্রসার ঘটে থাকে। ব্রিটিশ ভারতে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির জন্ম হওয়ার পর থেকে এটি অব্যাহতভাবেই প্রসারিত হচ্ছে। একাত্তরে আমরা ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র ভেঙে অসাম্প্রদায়িক একটি রাষ্ট্র গড়ে তোলার পরও সেই রাজনীতির ছক থেকে এখনো বের হতে পারিনি। তবে বিষয়টি কেবল রাজনীতিতেই সীমিত নেই। বস্তুত ধর্মান্ধতার শেকড় অনেক গভীরে। আজ আমরা তেমন একটি বিষয়ই তুলে ধরছি।

২০১৩ সালের কুরবানির ঈদের পরদিন ১৭ অক্টোবর ১৩ আমরা টাঙ্গাইলের মধুপুর রওয়ানা দিই। এর আগে কুমিল্লায় গিয়েছিলাম। কুমিল্লায় যেমন নজরুল ও শচীন দেব বর্মনের স্মৃতি দেখার বিষয় ছিল মধুপুরে তেমন বড় কিছু ছিল না। শুনেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের প্রতিষ্ঠাতা নবাব আলীর বাড়ি ধনবাড়ী উপজেলার মধুপুরের কাছেই। রাজবাড়ীও নাকি আছে একটা। আছে ইকো পার্ক এবং পিকনিক স্পট। তবে মধুপুরে গারো সম্প্রদায় বসবাস করে এই ভাবনা থেকে আমরা গারো পরিবারের সঙ্গে মেশার ও আমাদের শিশুশিক্ষা সফটওয়্যারের গারো সংস্করণ তৈরির কথা ভাবলাম। সেই সূত্র ধরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ কামালের মাধ্যমে আমরা সন্ধান পাই গারো নেত্রী সুলেখা ম্রোং-এর। এর বাইরেও আমার ফেসবুক হিসাবের স্ট্যাটাস থেকে জেনে সুদূর জাপান থেকে হারুনুর রশিদ, মধুপুরের শরিফুল ও বিজয় মজুমদার আমাদের সহায়তা করার প্রস্তাব করেন। তবে তাদের কারো সহায়তার প্রয়োজন আমাদের হয়নি- একা সুলেখা ম্রোংই আমাদের সব আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থেকে যান। সুলেখা সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল আমাদের আগেই জানিয়েছিলেন যে, তিনি মধুপুরের ইকোপার্ক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এবং সামাজিকভাবে তিনি খুবই প্রভাবশালী।

সুলেখা ম্রোং-এর সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনেছিলাম যে, আমাদের টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর পার হয়ে ময়মনসিংহের দিকে পঁচিশমাইল নামক বাজার থেকে সৌলবাড়ী সড়ক ধরে ভূটিয়া গ্রামে তার বাড়িতে যেতে হবে। সুলেখা আমাদের মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি রাজি হইনি। সেই পথ ধরে যেতে যেতেই পঁচিশমাইল বাজার ছাড়িয়ে মধুপুর জঙ্গলে প্রবেশ ও জলই গ্রামে যাওয়া। বস্তুত ভূটিয়া গ্রাম খুঁজতে গিয়ে জলইতে চলে গিয়েছিলাম আমরা।

জলই মধুপুর জঙ্গলের ভেতরে গারোদের একটি গ্রাম। মধুপুর-ময়মনসিংহ সড়ক ধরে রসুলপুর যাওয়ার পথে পঁচিশমাইল বাজার পার হয়ে মধুপুর জঙ্গলের মাঝখানে মূল সড়ক থেকে বাম দিকে ইটের সুরকি বিছানো পথ ধরে কিছুটা এগোলেই গ্রামটা। সড়কের চারপাশের মনোরম দৃশ্য মুগ্ধ করে দেয়। ছিমছাম সুন্দর চারপাশ। বাংলাদেশের সমতল এলাকার সাধারণ গ্রামের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। কদাচিত দুয়েকটা মানুষ চোখে পড়ে। ভ্যান গাড়ির সঙ্গে দেখা যায় মোটরসাইকেল। সম্ভবত ওরা ভাড়ায় মানুষ বহন করে। কখনো ঘোড়ার গাড়িও নজরে আসে। দুপাশে গাছগাছালির ফাঁকে হলুদ, আনারস আর পেঁপে ক্ষেত। বাড়িঘর চোখেই পড়ে না- গাছের পর গাছ। বাঁশঝাড় থেকে শুরু করে শত রকমের গাছের সমারোহ। এই পথ ধরে উদ্দেশ্যহীনভাবে যেতে যেতে চা খাবো ভেবে যেখানে আমরা থেমেছিলাম সেখানে কারিতাসের তৈরি করা শিশুদের একটি স্কুল আছে। এলাকাবাসী জানাল, সেটি আবার গির্জাও। প্রতি রোববার সেখানে খ্রিস্টানদের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। আশপাশের গারোদের নাম অঞ্জলি, সুলেখা ইত্যাদি হলেও তারা প্রায় সবাই খ্রিস্টান। ওরা কাউকে দেখলেই সম্বোধন করে নমস্কার বলে। কিন্তু ওরাই রোববারে জমায়েত হয় খ্রিস্টধর্মীয় প্রার্থনার জন্য। স্কুলের মাটির ঘরের চারপাশের পরিবেশটা মনোরম। রাস্তার তেমাথার বাম কোণে একটি চায়ের দোকান। গারোরা বেঞ্চিতে বসে দোকানটিতে আড্ডা দেয়। এক গারো মহিলা দোকানটি চালান। গরুর দুধের চা আছে জেনে আমরা থেমে গেলাম কোনাটায়। তাকে চা বানানোর অনুরোধ করে একটু একটু করে কথা বলতেই তিনি অনেক কথা বললেন। তিনিই জানালেন, গারোরা অনেক গরিব। এই ময়মনসিংহ অঞ্চলে ওরা প্রায় হাজার তিরিশেক রয়েছেন। খেত খামারই তাদের একমাত্র পেশা। তবে এখন ছেলেমেয়েরা ব্যাপকভাবে লেখাপড়া করছে। ওদের নিজেদের ধর্ম সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের কেউ কিছু জানে না। সবাই খ্রিস্টধর্ম পালন করে। সুলেখা দিদির ভুটিয়া গ্রামে গিয়েও আমরা একই কথা শুনলাম। ওখানকার কাকাবাবু বললেন, গারোরা সবাই নাম স্বাক্ষর করতে পারে। শতকরা ৯৫ জন প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষিত। উচ্চশিক্ষার হার দিনে দিনে বাড়ছে। ওদের ভাষা আছে। তার নাম আচিক। তবে সেই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই। রোমান হরফে লেখা হয় তাদের ভাষা। কেউ কেউ বাংলা হরফও ব্যবহার করে। ধর্মপ্রচারকরা তাদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে রোমান হরফ দিয়ে ওদের ভাষা লেখা সহজ। বস্তুত বিষয়টি একেবারেই উল্টো। ওদের ভাষার শব্দাবলি বাংলা হরফে যত সহজে লেখা যায় সেটি রোমান হরফ দিয়ে তত সহজে লেখা যায় না। ধর্মীয় বিশ্বাস তৈরি করে মুসলমানদের জন্য যেমন আরবিকে পবিত্র ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে, গারোদের জন্য তেমনি রোমান হরফকে পবিত্র বানানো হয়েছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গারো ভাষা লেখা হয় না। এটি এখন আমাদের নোয়াখালী, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল অঞ্চলের ভাষার মতোই একটি আঞ্চলিক বা পারিবারিক ভাষা। তারা প্রায় সবাই ভালোভাবে বাংলায় দক্ষ। শিক্ষার মাধ্যম বাংলা বিধায় তারা স্বাভাবিক নিয়মেই বাংলায় দক্ষতা অর্জন করে। কিন্তু খ্রিস্টধর্ম প্রচারকগণ গারো ভাষার ধর্মপুস্তককে রোমান হরফ দিয়ে লেখে সেই ভাষাটিকে রোমান হরফের দাসে পরিণত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। গারো হরফের বিদায়ের পর রোমান হরফের জন্য বাংলা হরফও যে হারিয়ে যাবে তাতে আর কোনো সন্দেহ নেই।

আমার কাছে আতঙ্কজনক মনে হয়েছে ধর্মকে কেন্দ্র করে কুসংস্কারের প্রসার ঘটানোর চেষ্টাটিকে। জলই গ্রামের চায়ের দোকানটার একটু সামনেই একটি বটগাছ আছে। সেটি দেখতে এই পথেই হাজার হাজার লোক আসে। বটগাছে রয়েছে কথিত যিশুখ্রিষ্টের মুখ। গাছের মাঝখানটাতে কিছু শেকড়বাকড়কে চিহ্নিত করা হয়েছে যিশুর মুখ হিসেবে। সেটি দেখতেই আসা। ওখানেই আছে প্রার্থনারও জায়গা। আমরা কৌত‚হলী হলাম। ইন্টারনেটে প্রায়ই দেখি, গাছ, লতাপাতা, মাছ, সবজি, ফল ইত্যাদিতে আল্লাহু, মুহম্মদ (স.) ইত্যাদি খোদিত রয়েছে। এ ধরনের প্রচুর ছবি ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। সর্বশেষ বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর কথা মনে পড়ল। ২০১৩ সালের প্রথম দিকে তাকে চাঁদে দেখা গেছে এমন গুজব ছড়িয়ে পুরো দেশে তুলকালাম কাণ্ড ঘটানো হয়েছিল। এই অঞ্চলের হিন্দুরা যেখানে-সেখানে গাছ-লতাপাতা ইত্যাদির পূজা করে থাকেন। পশুপাখিও তাদের দেবতা। যারা দেবতার পূজা করে তাদের কাছে কোথাও অলৌকিক কিছু ধারণা করে তার পূজা করাটা স্বাভাবিক। কিন্তু খ্রিস্ট বা মুসলমান ধর্মে পূজা করার কোনো সুযোগ নেই। কখনো শুনিনি যে খ্রিস্টান ধর্মকে ঘিরেও এসব কাজ হয়। জলই গ্রামে গিয়ে স্বচক্ষে না দেখলে আমি হয়তো বিশ্বাসই করতাম না যে খ্রিস্টধর্মের নামে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলে থাকে।

মধুপুরের জলই গ্রামের সেই বিবরণটুকু ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরো কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন। এসব প্রসঙ্গ এমনিতেই আসেনি। বস্তুত আমাদের দেশজুড়ে ঘুরে বেড়ানোর অংশ হিসেবেই এসব আমাদের নজরে আসে। আমি অনেক কোণ থেকে ছবি তুললাম। প্রার্থনার জায়গায় গেলাম। কিন্তু কোথাও যিশুর মুখের সঙ্গে কোনো মিলের এলাকা পেলাম না। দুটি গারো তরুণী পঁচিশমাইল বাজার থেকে কষ্ট করে যিশুর মুখ দেখতে এসেছে। ওদের কাছে জানতে চাইলাম- তোমরা কি যিশুর মুখ দেখেছ। ওরা বলল, না। বটের ডালে যিশুর কোনো আকৃতিই চোখে পড়েনি তাদের। কিন্তু তাতে কি? ওদের কাছে জানতে চাইলাম, প্রার্থনা করবে না? এইচএসসিতে পড়া মেয়েটি বলল গাছের কাছে প্রার্থনা কিসের? যিশুর মুখ যদি এখানে থেকেও থাকে তবে এই গাছটিকে কেন পূজা করব? আমি জানি না, নতুন প্রজন্মের শিক্ষিত গারোরা মেয়েটির মতো ভাবে কিনা। তবে গ্রামের সাধারণ গারোরা উল্টো চিন্তা করে এবং গভীর বিশ্বাসে সেখানে সমবেত হয়। ওখানে ৩ বেলা প্রার্থনা হয়। মোমবাতি আর উপাসনালয় সম্পূর্ণ প্রস্তুত, এই কথিত বটগাছকে পূজা দিতে। বাইরেই মোমবাতি নিয়ে বসে থাকা হকারও আছে। আমি অবাক হইনি এটি দেখে যে গ্রামের সবাই খ্রিস্টান হয়ে গেছে। এটিও অবাক হইনি যে, কারিতাসের মতো এনজিও সেখানে স্কুল করেছে। যারা বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিসত্তাসমূহের খবর রাখেন না তারা বিস্মিত হতে পারেন এটি জেনে যে বছরের পর বছর ধরে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারকরা নানাভাবে এই পশ্চাৎপদ সম্প্রদায়সমূহকে তাদের ধর্মে দীক্ষিত করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্ম ইসলাম সেখানে প্রবেশই করতে পারেনি। দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম হিন্দুও সেখানে প্রবেশ করতে পারেনি। ওরা কেউ কেউ হিন্দু নাম রাখলেও, মাইকেল, রোজারিও, গমেজ এসব খ্রিস্টান নামও গ্রহণ করেছে। এটি যে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারকদের কৌশলগত সফলতা সেটি না বললেও চলে। এই জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি তাদের ভাষা-সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি নজর দেয়াও একটি বড় কারণ। এসব জাতিসত্তার মানুষরা তাদের সব আচার-আচরণ বহাল রেখে খ্রিস্টান ধর্ম চর্চা করে।

গারোদের মতোই অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগুলোর ক্ষেত্রে ধর্মান্তর ছাড়াও আরো একটি কাজ করেছে। এসব ভাষার বর্ণমালাকে বিদায় করে রোমান হরফ তাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে। এ জন্য বই তৈরি করা হোক, সফটওয়্যার বানানো হোক বা কিবোর্ড দান করা হোক তার কোনোটা করার ক্ষেত্রেই আমাদের দেশে কার্যরত বিদেশি ধর্মীয় এনজিওগুলোর পাশাপাশি মিশনারিরা পেছনে পড়ে থাকেনি।

এই কাজটি স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশেই শুরু করা হয়নি। ব্রিটিশ ভারতে পুরো ভারতবর্ষ জুড়ে মিশনারিরা তাদের ধর্ম প্রচারের যে কার্যক্রম শুরু করে এটি তারই অংশ। দুর্ভাগ্যের বিষয় স্বাধীনতা-উত্তরকালে বাংলাদেশের কোনো সরকার বিষয়টির গভীরতা নিয়ে ভাবেনি। বিশেষ করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভাষা সংক্রান্ত নীতিমালা না থাকার ফলে একদিকে বাংলা ভাষা রোমান হরফে লেখা হচ্ছে, অন্যদিকে সব ক্ষুদ্র ভাষাগুলো ইংরেজি হরফের কাছে তাদের ঐতিহ্যগত মূল বর্ণ হারিয়ে ফেলেছে। কোনো স্বাধীন দেশের যে কোনো পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করার মৌলিক দায়িত্ব রাষ্ট্রের। আমরা লক্ষ করেছি পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগুলোর আর্থসামাজিক উন্নতি ও অবকাঠামো তৈরির ক্ষেত্রে রাষ্ট্র বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। গারোরা পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দা নয় বলে তারা সেই সুবিধা পায় না। সরকারের দায়িত্ব হলো গারো-হাজং-কোটাসহ যেসব ক্ষুদ্র জাতিগুলো পার্বত্য অঞ্চলের বাইরে বসবাস করে তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য যথাসম্ভব সহায়তা করা। বিশেষ করে ভাষার নামে জন্ম নেয়া বাংলাদেশে একুশে ফেব্রুয়ারিকে যখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে হিসেবে সারা দুনিয়াকে একুশে ফেব্রুয়ারি উপহার দিয়েছে তখন বাংলাদেশের ঘাড়ে যে কোনো মাতৃভাষা রক্ষার দায়িত্বটা একটু বেশি। সেই কারণেই ক্ষুদ্র ভাষাভাষীদের বর্ণমালা রক্ষা করার উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। অন্যদিকে ধর্ম প্রচারের নামে কোনো ভাষার মূল বর্ণকে হটিয়ে দেয়াকে কোনোভাবেই গ্রহণ করা যাবে না।

আমরা লক্ষ্য করেছি মুক্তাগাছার রাজবাড়ী হোক আর কুমিল্লার শচীন দেব বর্মনের বাড়ি হোক; কোনোটা রক্ষাতেই রাষ্ট্রের কোনো উদ্যোগ নেই। একইভাবে বাঙালি হোক বা গারো হোক তাদের বর্ণমালা, ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি রক্ষা করতেও রাষ্ট্রের তেমন কোনো উদ্যোগ নেই। নেই ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার থেকে নাগরিকদের রক্ষা করার কোনো প্রচেষ্টা। যেভাবেই হোক আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন চাই।

মোস্তাফা জব্বার : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও কলামিস্ট।

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71