রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮
রবিবার, ৪ঠা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
নওগাঁয় ক্লিনিকে নবজাতককে ফেলে মা নিরুদ্দেশ
প্রকাশ: ০৬:৩১ pm ১৯-০৯-২০১৭ হালনাগাদ: ০৬:৩১ pm ১৯-০৯-২০১৭
 
নওগাঁ প্রতিনিধি 
 
 
 
 


নওগাঁর মান্দায় রোগমুক্তি ক্লিনিকে নবজাতক সন্তানকে ফেলে মা পালিয়েছে। খবর ছড়িয়ে পড়ায় শিশুটিকে দত্তক নিতে অন্তত ২০ জন দম্পতি ক্লিনিক মালিকের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ শিশুটিকে বিক্রি করছে সোমবার দুপুরে এমন সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। 

ক্লিনিকে সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে বিথি (২০) নামে অন্ত:সত্ত্বা এক নারী ভর্তি হন। ক্লিনিকের ভর্তি রেজিস্টারে বাবার নাম শহিদুল, গ্রাম পারশিমলা, উপজেলা মান্দা, জেলা নওগাঁ লেখা রয়েছে। রাত ৩ টার দিকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ওই নারী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। শুক্রবার বেলা ১০ টার দিকে নবজাতককে ক্লিনিকে ফেলে ওই নারী ও তার বাবা পরিচয়দানকারী ব্যক্তি পালিয়ে যায়। শিশুটি চার দিন ধরে উপজেলার দেলুয়াবাড়ি বাজারের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রোগমুক্তি ক্লিনিকের মালিকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে শনিবার সকাল থেকে শিশুটিকে এক নজর দেখার জন্য এলাকার শতশত নারী-পুরুষ ক্লিনিকে ভীড় জমায়। শিশুটিকে দত্তক নিতে অন্তত ২০ জন দম্পত্তি ধর্ণা দিচ্ছেন ক্লিনিক মালিকের কাছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দম্পতি জানান, তাদের কোনো সন্তান নেই। শিশুটিকে দত্তক নিয়ে নিজের সন্তানের মত মানুষ করার ইচ্ছে রয়েছে তাদের। দেলুয়াবাড়ি বাজারের এক দোকান কর্মচারী শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার ইচ্ছাপোষণ করেছেন। কিন্তু ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তার নিকট শিশুটির দাম চেয়েছে ৫০ হাজার টাকা। তিনি ২০ হাজার টাকায় শিশুটিকে কিনে নেওয়ার কথা জানালেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাতে রাজি হননি। সোমবার দুপুরে ওই ক্লিনিকে গিয়ে দেখা গেছে নার্স পরিচয়দানকারী আছিয়া বেগম নামে এক নারী শিশুটির পরিচর্যা করছেন। 

স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার সকালে ক্লিনিকে শিশুটিকে ফেলে নিরুদ্দেশ হয়েছেন তার মা। ক্লিনিকের পরিচালক আমিনুল ইসলাম শিশুটির মা ও অভিভাবকের স্বাক্ষর সম্বলিত ১০০ টাকা মূল্যের নন জুডিশিয়াল ফাঁকা যে স্ট্যাম্প উপস্থাপন করছেন তাতে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।  তবে শিশুটিকে বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রোগমুক্তি ক্লিনিকের পরিচালক আমিনুল ইসলাম। তিনি দাবি করেন, শুক্রবার বেলা ১০ টার দিকে ওই নারী ও তার বাবা না দাবি লিখে দিয়ে চলে যান। এরপর থেকে শিশুটি তার তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এ বিষয়ে রবিবার মান্দা থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করা হয়েছে।
  
মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনিসুর রহমান এ সংক্রান্ত থানায় সাধারণ ডাইরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

 

এমসি/আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71