শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯
শুক্রবার, ৬ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
নওগাঁয় মৎস্য খামারের মাছ চুরি
প্রকাশ: ১০:৫১ am ১৫-১২-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:৫১ am ১৫-১২-২০১৮
 
নওগাঁ প্রতিনিধি 
 
 
 
 


নওগাঁ সরকারী মৎস্য খামার থেকে অবৈধভাবে মাছ চুরি করে বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ এবং মৎস্য বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জেলা মৎস্য অফিসারকে এ ব্যপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেন। 

জানা গেছে, নওগাঁ’র কিছু সাংবাদিকের নিকট এই মর্মে সংবাদ আসে যে শুক্রবার ভোরে সরকারী মৎস্য খামার থেকে কিছু মা পাঙ্গাস বিক্রির জন্য বাজারে নেয়া হবে। এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার ভোরে তিনজন সাংবাদিক ভোর ৬টা থেকে দুবলহাটি রোডে শাহি মসজিদ সংলগ্ন  সরকারী মৎস্য খামারের সামনে অবস্থান গ্রহণ করেন। সকাল সাড়ে ৭টার সময় এক ড্রাম ভর্তি পাঙ্গাস মাছসহ একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা খামারের ভিতর থেকে বের হলে সাংবাদিকরা চ্যালেঞ্জ করে। ঐ ড্রামে প্রত্যেকটি ৪ থেকে ৫ কেজি ওজনের প্রায় ১৫টি মা পাঙ্গাস মাছ ছিল যার ওজন প্রায় দেড় মনেরও বেশী। 

মাছ বহনকারী খামারের কর্মচারী অমিত কুমার স্বীকার করেন যে, সরকারী খামারের ব্যবস্থাপক মাহফিজার রহমানের নির্দেশে এসব মাছ বিক্রির জন্য নওগাঁ বাজারে নিয়ে যাচ্ছে সে। কিন্তু এই মাছগুলো খামার থেকে নেয়ার কোন কাগজপত্র নাই কিংবা জেলা মৎস্য অফিসার এ ব্যপারে কিছুই জানেননা। জেলা মৎস্য অফিসার ফিরোজ আহম্মেদ বলেছেন সম্পূর্ন অসৎ উদ্দেশ্যে এই মাছগুলো খামার থেকে বের করে বাজারে নেয়া হচ্ছিল। 

এ সংবাদ পুলিশকে অবহিত করলে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিমন রায়, পুলিশ পরিদর্শক ফয়সাল আহম্মেদসহ পুলিশের একটি দল সেখানে উপস্থিত হয়। পুলিশ সুপারের পরামর্শ অনুযায়ী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিমন রায় জেলা মৎস্য অফিসারকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়ে মাছগুলো বাজারে বিক্রির জন্য পাঠিয়ে দেন। 

উল্লেখ্য, এই মৎস্য খামারের ব্যবস্থাক মাহফিজার রহমান রহস্যজনকভাবে বিগত ১৮ বছর ধরে একই কর্মস্থলে চাকুরী করে আসছেন। ইতিপূর্বে বদলীর আদেশ হলেও বদলীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করে এখানে বহাল রয়েছে।  এর আগেও খামার ব্যবস্থাপক কয়েকবার মাছ ও মাছের পোন অবৈধভাবে বিক্রি করেছেন। বেশ কয়েকবার বিভিন্ন সংবাদপত্রে এসব সংবাদ ছাপা হয়েছে। তাকে এখান থেকে বদলীর জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য বেশ কয়েকবার ডি ও লেট্রা দিলেও কর্ত্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ বলেছেন উপর মহলে তার খুব শক্তিশালী লবিং রয়েছে, যার কারনে সবাই তাকে ভয় পান। 

নি এম/মুরাদ      

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71