বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮
বুধবার, ২৮শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
নবাবগঞ্জে মন্দিরের রেকর্ডকৃত জমি দখল
প্রকাশ: ০৮:৩০ am ২০-০৬-২০১৬ হালনাগাদ: ০৮:৩০ am ২০-০৬-২০১৬
 
 
 


ঢাকা:: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার কুমার গোল্লা গ্রামে মন্দিরের রেকর্ডেরকৃত জমি আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকায় রেকর্ড পরিবর্তন করে প্রায় শত বছরের প্রাচীন শ্রী শ্রী মা কালী মন্দিরের জমি আত্মসাত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অভিযোগে জানা গেছে, ১৯৪১ সালে ৫৭৮২নং দলিল মূলে তৎকালীন গোল্লা গ্রামের মৃত অধর চন্দ্র পালের স্ত্রী শ্রীমতি চম্পকা সুন্দরী পাল স্বামীর মৃত্যুশয্যার শেষ ইচ্ছায় নিজ বসতভিটা গোল্লা মৌজার ৪০শতাংশ জমি মন্দির প্রতিষ্ঠার জন্য অর্পন করেন। মন্দিরের সেবায়েত হিসেবে রেখে যান তার এক ভাইয়ের ছেলেকে। যা দান দলিলে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। যদিও এসএ রেকর্ডে মন্দিরের নামে হয়নি।

পরে আরএস রেকর্ডে এসে ২৫০ খতিয়ানের ৫১২নং দাগের মন্দিরের নামে যুক্ত হয়। কিন্তু স¤প্রতি স্থানীয় বিরাজ পল ডি কস্তা গং ও স্থানীয় একটি ভূমিদস্যু চক্র মিলে মন্দিরকে বাড়ি শ্রেণী দেখিয়ে আত্মসাতের চেষ্টা করছেন। ইতিমধ্যে তারা মন্দিরের রেকর্ড বাতিলের জন্য নবাবগঞ্জ ভূমি অফিসে আবেদন করেছেন। এখবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। জমি দাবিকারী বিরাজ পল ডি. কস্তা বলেন, জমিটির সাড়ে ৩৮শতাংশ আমার পরিবার খরিদ সূত্রে মালিক।

তবে আরএস রেকর্ড মূলে তিনি কতোটুকু জমির মালিক হতে পারেন, সে বিষয়ে তিনি মেনে নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। মন্দিরের পূজার্চনাকারী গৌরি পাল কান্না জরিত কন্ঠে বলেন, মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাতা আমার স্বামীর পূর্বপূরুষ। সেইভাবে আমি পূজার্চনা করে আসছি। কিন্তু স¤প্রতি শুনছি এটি নাকি অন্য কারো। আমাদের নানান ভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। সম্প্রতি জায়গা ছেড়ে দিতে আমাদের মারধরও করা হয়েছে। আমরা গরিব মানুষ কিইবা করতে পারবো? স্থানীয় বাসিন্দা আনন্দ হালদার জানান, মন্দিরটি শতাধিক বছরের পুরনো। মন্দিরের পুরনো স্থাপনা দেখলেই বুঝতে পারবেন। তাছাড়া যারা বংশপরম-পরায় মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন তারাওতো বেঁচে আছেন। আর এলাকাবাসীতো সব মারা যায়নি।

এতো বছরের পুরনো মন্দির কি করে একজনের বাড়ি হতে পারে? এব্যাপারে তদন্তপ্রাপ্ত নবাবগঞ্জ ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. জাকির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মন্দিরের নামের রেকর্ডিয় সম্পত্তির শ্রেণি পরিবর্তন করা যায় না বলে জানান। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা জামান জানান, কাগজপত্র না দেখে কিছু বলতে পারছি না। তবুও বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71