বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৩০শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
পূর্ববঙ্গের হিন্দু উদ্বাস্তু: নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৬ আর আসামের এনআরসি রিপোর্ট
প্রকাশ: ০৭:৪৭ pm ০৫-১০-২০১৮ হালনাগাদ: ০৭:৪৭ pm ০৫-১০-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


জিষ্ণু বসু

মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের তত্তাবধানে আসামে সম্পন্ন হল জাতীয় নাগরিকপঞ্জির কাজ। এই মহাযজ্ঞে ৩ কোটি ২৯ লক্ষ আসামবাসীর আবেদনপত্র পরীক্ষা করে, রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া গত ৩০ জুলাই তারিখে ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনসের (এনআরসি) খসড়া প্রকাশ করেছেন। সেই খসড়াতে আসামের প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের নাম নেই। প্রাথমিক খোঁজ খবরের ভিত্তিতে তাঁরা আসামের অবৈধ বসবাসকারী। তবে যাঁদের নাম নেই তাঁরা ৩০ আগস্ট থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবার আবেদন করতে পারবেন। সেই সব সংযোজন, পরিমার্জনের পরেই তৈরি হবে চূড়ান্ত তালিকা।

এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ বহু রাজনৈতিক নেতা নেত্রী সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হওয়া এই জাতীয় পঞ্জীকরণকে ‘বাঙালি খেদাও’ অভিযান বলছেন। বৈদ্যুতিন মাধ্যম থেকে সংবাদপত্র সর্বত্র এক গেল গেল রব উঠেছে। আসাম থেকে ভাষার ভিত্তিতে বাংলাভাষীদের বের করে দেওয়া হচ্ছে, এই নিয়ে ঘণ্টায় ঘণ্টায় আলোচনা চক্র আয়োজিত হচ্ছে। আলোচনা মানে বিভিন্ন মারপ্যাঁচে বিজেপি বধের সুব্যবস্থিত কার্যক্রম। এফএম থেকে সকালের কাগজের উত্তরসম্পাদকীয় সর্বত্র ‘বাংলা ও বাঙালি’ বাঁচানোর এক করুণ আর্তি। বাংলাকেও সাজতে হবে রণসাজে। ধ্বনিবর্ধক যন্ত্র যার হাতে থাকে তাকে বিশেষ যুক্তিতর্ক মানতে হয় না, শুধু গল্পটা সুন্দর করে বলতে পারলেই চলে। গল্প বারে বারে বলে যাও, কে আর যুক্তি জানতে চাইবে? যাঁদের নাগরিকত্ব বাতিল হয়েছে সেই ৪০ লক্ষের বেশিরভাগই বাংলাদেশি মুসলমান, কেবলমাত্র সাধারণ বাংলাভাষী নন।

‘বাংলাদেশি মুসলমান’ এই কথাটি বিশেষভাবে বলার কারণটা কী? বাংলাদেশের হিন্দুই হোক আর মুসলমান, এদেশে তো গরিবমাত্রই পেটের দায়ে আসছেন। সেখানে এই সাম্প্রদায়িক বিভেদ তো নিষ্ঠুরতা!

না! একেবারেই না! আইনের দিক থেকেও না, মানবিকতার দিকে থেকে তো কখনওই না। প্রথমে আইনের দিকটা দেখা যাক। বাংলাদেশ একটা স্বাধীন রাষ্ট্র। ভারতবর্ষও তাই। তাই দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের মধ্যে মানুষ যাতায়াত করে বসবাস শুরু করলে আন্তর্জাতিক পরিভাষায় সে মানুষটি হয় উদ্বাস্তু (রিফিউজি) না হলে অনুপ্রবেশকারী (ইলিগ্যাল ইমিগ্রান্ট)। ইউনাইটেড নেশনস হাইকমিশন ফর রিফিউজিস (ইউএনএইচসিআর) ১৯৫৯ সালে জেনেভাতেই উদ্বাস্তু বা রিফিউজির পরিভাষা তৈরি করে। ১৯৬৭ সালে উরুগুয়ের প্রোটোকলে তার সংশোধন হয়। সেই সংজ্ঞা হিসেবে, একজন মানুষ যদি বিতাড়ন, যুদ্ধ বা সন্ত্রাসের জন্য একদেশ থেকে অন্য দেশে আসেন অর্থাৎ তাঁর জাতি, ধর্ম, বর্ণ, রাজনৈতিক অভিমতের জন্য বা কোনও সামাজিক গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে গভীরভাবে অত্যাচারিত হওয়ার ভয় থাকে, তবেই, তিনি দ্বিতীয় দেশে উদ্বাস্তু বা শরণার্থী। ১৯৪৭ সালের সামান্য আগে থেকে আজ পর্যন্ত পূর্ব বাংলাতে হিন্দুদের ওপরেই একতরফা অত্যাচার, গণধর্ষণ, হত্যা, সম্পত্তি লুঠ হয়েছে। হিন্দুদের জনসংখ্যা ১৯৫১ সালে পূর্ববাংলাতেও কম বেশি ২৪ শতাংশ ছিল সেখান থেকে আজ মাত্র ৮ শতাংশে এসে ঠেকেছে। এর একমাত্র কারণ ওপার বাংলাতে লাগাতার অসহনীয় অত্যাচার। তাই ইউএনএইচসিআর-এর সংজ্ঞা মতে বাংলাদেশ থেকে হিন্দু বা বৌদ্ধ এলে তাঁরাই কেবলমাত্র উদ্বাস্তু বা শরণার্থী। বাংলাদেশ থেকে ধন, প্রাণ, মেয়েদের ইজ্জত বাঁচাতে ভারতে আসা হিন্দু উদ্বাস্তু, কিন্তু অর্থনৈতিক কারণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে কোনও বাংলাদেশী মুসলমান ভারতবর্ষে যদি আসেন তিনি অবশ্যই ‘অনুপ্রবেশকারী’। তাই দুটো বিষয় আন্তর্জাতিক আইনে এক নয়, মানবিকতার দিক থেকেও এক নয়।

বাংলাদেশ থেকে সর্বশ্বান্ত হয়ে ভারতবর্ষে আসা এই হিন্দুদের সঙ্গে কংগ্রেস ও বামপন্থী দলগুলো চূড়ান্ত নিষ্ঠুর আচরণ করে এসেছে প্রথম থেকে। কংগ্রেস এদের মধ্য ভারতের দণ্ডকারণ্যে বা ওড়িশার মালকানগিরিতে পশুখামারে রাখার ব্যবস্থা করেছিল। খোলা ট্রাকে পুরুষ, মহিলা, শিশু সবাইকে তুলে চালান করত এক প্রদেশ থেকে অন্য প্রদেশে। অনাহারে, অসুখে শত শত উদ্বাস্তু মারা গেছে ‘মানা’ ক্যাম্পে। বামপন্থীরা উদ্বাস্তু ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করেছে, কিন্তু ক্ষমতা হাতে পেয়েই মরিচঝাঁপির মতো নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছে। ১৯৭৯ সালে সুন্দরবনের মরিচঝাঁপিতেও গুলি করে তাঁদের হত্যা করেছে। মেয়েদের নৌকা-লঞ্চ থেকে ধাক্কা মেরে ডুবিয়ে দিয়েছে। সর্বশ্রান্ত মানুষগুলোকে না খেতে দিয়ে তিলে তিলে মেরেছে।

স্বাধীন ভারতে সর্বপ্রথম কোনও কেন্দ্রীয় সরকার পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হিন্দু উদ্বাস্তুদের জন্য সদর্থক কিছু ভূমিকা নিয়েছে। সিটিজেনশিপ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুসারে বাংলাদেশ থেকে আসা কোনও হিন্দু যদি ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে ভারতে আসেন, তিনি যতদিন খুশি বিনা উপদ্রবে ভারতে থাকতে পারবেন। এই পদক্ষেপ বাংলাদেশি হিন্দু উদ্বাস্তুদের দীর্ঘদিনের নাগরিকত্বের দাবির দিকেই এগোচ্ছে। ১৯৫৫ সালের উদ্বাস্তু আইন সংশোধনের ফলে প্রভূত উপকৃত হবে বাংলাদেশ থেকে আসা প্রতিটি হিন্দু উদ্বাস্তু।

পশ্চিমবঙ্গে ভোট সর্বস্ব দলগুলি সব জেনে বুঝেই উদ্বাস্তু আর অনুপ্রবেশকারীদের একই বন্ধনীতে ফেলে দেখেছে। কারণ দু’জনই তাদের ভোটার। তাদের এই ইচ্ছাকৃত ভুলের জন্য বাংলাদেশের গ্রাম থেকে শহর নীরবে অত্যাচারিত হয়ে হিন্দু শূন্য হয়েছে। আর একই সঙ্গে এপার বাংলার সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে হিন্দুদের আনুপাতিক সংখ্যা কমে এসেছে। ধর্ষিতা মেয়ের মুখ চেপে ধরে মা বারাসাত বা ক্যানিং শহরে পালিয়ে এসেছেন, আর পার্টির বাবুদের ধরে একটা রেশনকার্ড পেয়েছেন, কিন্তু তাঁর অধিকারের নাগরিকত্ব পাননি। পার্টির যোজনাতেই তাঁরা এদেশে অবৈধ, পুলিশের দু’পয়সা রোজগারের সহজ শিকার। আজ বাংলাদেশি হিন্দুর নাগরিকত্বের কথা বললে সবচেয়ে প্রথমে আন্তর্জাতিক আইনে উদ্বাস্তু আর অনুপ্রবেশকারীদের পৃথক করতে হবে। এনআরসি নিশ্চিতভাবে তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে উঠবে।

দেশের সুরক্ষার জন্য এই অনুপ্রবেশকারীরা পশ্চিমবঙ্গ আর অসমে একই রকম সমস্যা তৈরি করছে। স্বাধীনতার পরে চোখের সামনে অসমের হাইলাকান্দির মতো তিন-চারটি জেলাতে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে গেল। এই ক’টি জেলাকে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক মৌলবাদীদের আস্তানা। বিপদটা কত গভীর হতে পারে তা একটা উদাহরণ দিলে পরিষ্কার হবে।

পটভূম পশ্চিমবঙ্গ। নদীয়া জেলার করিমপুরে বামফ্রন্ট নেতাদের সহযোগিতায় ভোটার কার্ড তৈরি করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী শাকিল আহমেদ। ভোটার কার্ড তৈরি হওয়ার পরেই সে জঙ্গিগোষ্ঠীর অ্যাক্টিভ পিন হিসেবে কাজ শুরু করে।

সিমুলিয়া মাদ্রাসার মতো খরিজি মাদ্রাসা থেকে কৌসরের মতো ভারতীয় মেয়েদের জোগাড় করে সে। তারপর রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। তখন নুরুল হাসান চৌধুরীর মতো স্থানীয় ক্ষমতাবান পার্টির নেতাদের সহযোগিতায় বর্ধমানে স্থানীয় তৃণমূলের ভাড়া করা পার্টি অফিসের উপরের তলায় ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বানানোর কারখানা বানায়। ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণে তা সকলের সামনে আসে। পরে জানা যায় যে ওই ভয়ানক বিস্ফোরক বাংলাদেশের জেএমবি নামে নিষিদ্ধ সংগঠনের জন্য বানানো হচ্ছিল। সারদা চিটফান্ডের টাকাও এই দেশবিরোধী কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল। আজ যে কৌসরের মতো দুটো ভারতীয় মুসলমান যুবতী কোলে ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে কখনও জেলে কখনও বা বাইরে নরকের জীবন যাপন করছে এর জন্য দায়ী বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী শাকিল আহমেদ। তাই অনুপ্রবেশ ভারতীয় হিন্দু বা মুসলমান, সবার জন্য বিপজ্জনক।

এখন প্রশ্ন হল কোনও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশের অধিকার আছে কিনা তার নিজের নাগরিকদের পঞ্জিকরণের? নাকি দশকের পর দশক ধরে একটার পর একটা খাগড়াগড়ের মতো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে? সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ঢুকে যাবে শত শত স্লিপার সেল?

পক্ষান্তরে একটা মূল প্রশ্ন একেবারে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। কেন বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর এমন লাগাতার অত্যাচার হবে? বাংলাদেশি হিন্দুদের ওপর পাশবিক অত্যাচার বন্ধ হলেই পশ্চিমবঙ্গ বা অসমে উদ্বাস্তু আসার স্রোত বন্ধ হবে। একটু মনে করে দেখুন তো, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস বা কোনও বামদল বিগত ২৫ বছরে কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি করেছে কিনা? কোনও এগিয়ে থাকা কাগজ, কোনও প্রগতিবাদী চ্যানেল বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের ব্যাপারে কোনও লেখা, কোনও অনুষ্ঠান করেছে বলে আপনার স্মরণে আসে?

অথচ এই ২০০১ সালেই তো সারা বাংলাদেশ জুড়ে হিন্দু হত্যা, গণধর্ষণ আর অবাধ লুঠ হয়ে গেল। এই কলকাতার, এই রাজ্যের যত ‘বীর বাঙালি’, যত প্রগতিশীল, যত বিদ্বজন, উদার মানবতাবাদী সুশীল সমাজ চুপচাপ বসে ছিলেন যখন সে বছর ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের ১৩ বছরের পূর্ণিমা শীলকে সারা রাত ধরে তেরো-চোদ্দ জন ধর্ষণ করেছিল। অসহায় পূর্ণিমার মা শুধু বলেছিলেন, ‘আব্দুল আলি বাবা তোমরা এক এক করে আস, একসঙ্গে না, আমার মেয়েটা মরে যাবে, তোমাদের কাছে ভিক্ষা চাইছি…’

আজ আসামের এনআরসির রিপোর্ট বাংলার মানুষের বহুদিনের কার্পেটের তলায় চেপে রাখা ভয়াবহ প্রশ্নের সরল উত্তর সামনে এনে দিয়েছে। প্রথমত বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন চিরতরে বন্ধ করো। দুই বাংলার সব শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষকেই একযোগে এর প্রতিবাদ করতে হবে। একজনও হিন্দু যদি আক্রান্ত হন তা হলে খাবারের একটা দানাও সীমান্ত পেরিয়ে ওপারে যাবে না। দ্বিতীয়ত ২০১৬ সালের কেন্দ্রীয় সরকারের বিলকে নাগরিকত্ব আইনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসের আগে বাংলাদেশ থেকে আসা সব হিন্দু শরণার্থীকে বৈধ উপায়ে ভারতবর্ষের নাগরিকত্ব দিতে হবে। যে মানুষগুলো চোখের সামনে স্বজনকে খুন হতে দেখে এদেশে এসেছেন, তাঁদের আর রাজনৈতিক দালালদের পা’ধরে বা অন্য প্রশাসনিক আধিকারিকদের ঘুষ দিয়ে এ দেশে থাকতে হবে না। পশ্চিমবঙ্গ বা দক্ষিণ অসম তো বটেই উত্তর অসমেও বাংলাভাষী উদ্বাস্তুদের সম্মানজনক পুনর্বাসন দিতে হবে। আসুর মতো উগ্রপ্রাদেশিকতা আজ অসমের গ্রাম থেকে শহর কোথাও স্থান পাবে না। আর কোথাও সেই বিষদাঁত বের হলেও তাকে উপড়ে ফেলার দায়িত্ব নিতে হবে সর্বানন্দ সোনওয়ালের সরকারকে।

তৃতীয়ত অনুপ্রবেশকারী। অসমের এনআরসি হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গেও পঞ্জিকরণ হওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের একজন অনুপ্রবেশকারী (পড়ুন বাংলাদেশি মুসলমান নাগরিক) আর যেন নতুন করে ভারতবর্ষে না আসতে পারেন। খাগড়াগড় থেকে কালিয়াচক,- আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে যে বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশকারীরা কেবল সীমান্তবর্তী জেলাগুলির হিন্দু মুসলমান জনবিন্যাস বছরে বছরে পাল্টে দিচ্ছে তাই নয়, ভারতবর্ষের জাতীয় সুরক্ষার জন্যও অনুপ্রবেশ এক ভয়াবহ বিপদ।

পূর্ববঙ্গ থেকে সব হারিয়ে এ দেশে পালিয়ে আসা বাঙালি হিন্দুদের কাছে ২০১৬ সালে ভারত সরকারের ‘উদ্বাস্তু বিল’ আর ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট আজ দীর্ঘ ৭১ বছর পর এক সুবর্ণ সুযোগ এনে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের উদ্বাস্তুরা ধান্দাবাজ রাজনীতিকদের কথায় আর প্রতারিত হবেন না। আন্তর্জাতিক আইনমাফিক সম্মানজনক ভাবে ভারতীয় নাগরিকত্বের আধিকারের পাবেন তাঁরা। সেটাই বাংলার আগামী দিনের ইতিহাসের দিক নিরূপন করবে।

ড. জিষ্ণু বসু, 
সাহা ইন্সটিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স এ কর্মরত 
বাংলায় প্রবন্ধ, গল্প ও উপন্যাসিক

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71