শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ২রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু
প্রকাশ: ০১:১১ pm ৩০-০৩-২০১৫ হালনাগাদ: ০১:১১ pm ৩০-০৩-২০১৫
 
 
 


বাসস: নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ।
এবছর ১০ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি ও সমমানের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮৪ জন। এরমধ্যে ৫ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৩ জন ছাত্র এবং ৫ লাখ ২ হাজার ৮৯১ জন ছাত্রী। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারই প্রথম তথ্য প্রযুক্তি আবশ্যিক বিষয় হিসেবে পরীক্ষা শুরু হচ্ছে।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ সব তথ্য জানান।
তিনি বলেন,‘হরতাল-অবরোধসহ যত বাঁধা আসুক না কেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা নেয়া হবে। পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হবে না।’ তবে নির্বিঘেœ ও নিরাপত্তার সাথে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০দলের প্রতি হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহারের আহবান জানান তিনি।
মন্ত্রী বলনে, এবার বিএনপি-জামায়াতের হরতাল-অবরোধের কারণে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা একটিও রুটিনমাফিক নেয়া সম্ভব হয়নি। এটি এদেশের পাবলিক পরীক্ষার ইতিহাসে একটি নেতিবাচক উদাহরণ হয়ে থাকবে। তিনি সারাদেশে হরতাল-অবরোধের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গ্রহণ করায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি পরীক্ষার সময় নতুন কোনো হরতাল-অবরোধ না দেয়া এবং পাবলিক পরীক্ষাকে র্পূবের মতো রাজনৈতিক র্কমসূচরি আওতাবহির্ভূত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানান।
মন্ত্রী বলেন,‘এবার রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণের জন্য দৃঢ় অবস্থান নিয়েছি। কারণ কার্যত এখন আর কোন হরতাল-অবরোধ হচ্ছে না। এজন্য এসএসসির মতো দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা গ্রহণের কৌশল এইচএসসিতে নেয়া হয়নি।’ তবে পরীক্ষার্থীদের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে বিএনপি হরতাল-অবরোধের নামে আর কোন ধ্বংসাত্বক কর্মসূচি দেবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘কোনোভাবেই দুষ্টচক্রকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বা ফেসবুকে প্রশ্নপত্রের নামে সাজেশন প্রকাশ করার সুযোগ দেয়া হবে না। আমাদের সবগুলো এজেন্সি তৎপর থাকবে, ধরতে পারলে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।’
পরীক্ষা কেন্দ্রের আশপাশের সকল ফটোকপি মেশিন বন্ধ রাখা হবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩৩৪টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৭৬ হাজার ২২৭ জন, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের ১৮৪টি কেন্দ্রে এক লাখ ৭ হাজার ৯ জন, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ১৭৫টি কেন্দ্রে এক লাখ ৯৭৪ জন, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ২১২টি কেন্দ্রে এক লাখ ১৬ হাজার ৯০৫ জন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৯২টি কেন্দ্রে ৮০ হাজার ৬৯৩ জন, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ১০৯টি কেন্দ্রে ৫৬ হাজার ৬০০ জন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৭৫টি কেন্দ্রের ৫৮ হাজার ৬৩ জন, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ১৮২টি কেন্দ্রে ৯০ হাজার ৩৮১ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪১৮টি কেন্দ্রে ৮৪ হাজার ৩৬০ জন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৬২০টি কেন্দ্রে ৯৮ হাজার ২৪৭ জন, ডিআইবিএস-এ ১৮টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে।
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71