বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৯
বৃহঃস্পতিবার, ৫ই বৈশাখ ১৪২৬
সর্বশেষ
 
 
পণ্ডিত রবিশঙ্কর
প্রকাশ: ১২:০৩ am ০৭-০৪-২০১৫ হালনাগাদ: ১২:০৩ am ০৭-০৪-২০১৫
 
 
 


পণ্ডিত রবিশঙ্কর একজন সংগীতজ্ঞ, যিনি সেতার বাজিয়ে কিংবদন্তিতুল্য খ্যাতি লাভ করেন। তিনি ছিলেন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের মাইহার ঘরানার স্রষ্টা, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর শিষ্য। রবিশঙ্কর ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতকে ষাটের দশকে পাশ্চাত্য বিশ্বে পরিচিত করে তোলেন। সংগীতে দীর্ঘ কর্মজীবনের জন্য তিনি গিনেস রেকর্ডের অধিকারী।
পুরো নাম রবীন্দ্র শঙ্কর চৌধুরী। পৈতৃক বাড়ি নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলায় হলেও জন্ম ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানসি শহরে, ১৯২০ সালের ৭ এপ্রিল। বাবা শ্যাম শঙ্কর চৌধুরী ছিলেন প্রথিতযশা আইনজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ। রবিশঙ্করের বড় ভাই উদয় শঙ্কর ছিলেন ভারতের কিংবদন্তিতুল্য শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী। ১৯৩০ সালে তিনি বড় ভাইয়ের কাছে প্যারিসে যান এবং কিশোর বয়সের বড় একটা সময় সেখানেই কাটান। ১৯৩৮ সালে তিনি ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর কাছে সেতারের তালিম নিতে শুরু করেন; পরে তাঁরা সেতার ও সারদের যুগলবন্দি বাজিয়েছেন। রবিশঙ্কর প্রথম দর্শকের সামনে আসেন ১৯৩৯ সালে, আহমেদাবাদে। ১৯৫৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের বাহক হিসেবে প্রথম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাঁর পরিচিতি ঘটে। এরপর ১৯৬৬ সালে বিটলসের জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে একত্রে জ্যাজ, পাশ্চাত্য সংগীত ও লোকসংগীত নিয়ে গবেষণা করেন। সত্যজিৎ রায়ের ত্রয়ী চলচ্চিত্র 'পথের পাঁচালী', 'অপরাজিতা', 'অপুর সংসার'-এর সংগীত পরিচালনাসহ অনেক বিখ্যাত চলচ্চিত্রের সংগীত তাঁর নির্মিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে তিনি ও জর্জ হ্যারিসন নিউ ইয়র্কে কনসার্ট ফর বাংলাদেশের আয়োজন করেন। নানা পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত এই শিল্পী ২০১২ সালের ১১ ডিসেম্বর ৯২ বছর বয়সে মারা যান।


 


- See more at: http://www.kalerkantho.com/print-edition/muktadhara/2015/04/07/207560#sthash.BYZn2EQJ.dpuf
 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71