বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ৫ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
পদ হারাতে পারেন থেরেসা মে, দলের ভেতর গুঞ্জন
প্রকাশ: ০৭:৩৩ am ২০-০৬-২০১৭ হালনাগাদ: ০৭:৩৩ am ২০-০৬-২০১৭
 
 
 


আন্তর্জাতিক ডেস্ক::  প্রথমে নির্বাচনে ভরাডুবি। যার জেরে সরকার গড়তে গিয়ে খাবি খাওয়া। তার পরে ‘গ্রিনফেল টাওয়ার’ অগ্নিকাণ্ডে যথাযথ ভূমিকা পালন না করা, সম্প্রতি একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা- সব মিলিয়ে ব্যাপক কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। এছাড়া বেশ কিছুদিন ধরেই কনজারভেটিভ দলের ভেতরে নতুন নেতৃত্বের দাবি উঠেছে। থেরেসাকে সরাতে অন্তত ১২ জন এমপি লিখিত দাবি জানিয়েছেন বলে এক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে। 

 

ওই এমপিদের মতে, আগামী সপ্তাহেই মে’কে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। সাবেক এক ব্রিটিশ মন্ত্রী বলেছেন, ‘নিজের দিকে সহানুভূতি টানার চেষ্টা না করে ওর এখন উচিত কোমর বেঁধে নেমে পরিস্থিতি সামলানো। যদি সেটা না পারেন, ওর সরে যাওয়াই উচিত।’ ধারণা করা হচ্ছে, মে’র বিরুদ্ধে সরব হওয়ার সংখ্যাটা আরও বাড়লে বিদায় নিশ্চিত তার। সেক্ষেত্রে ব্রিটেন ফের আর একটি নির্বাচনের পথে হাঁটবে।

এদিকে গতকাল রবিবার রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথও তার জন্মদিনে কোনোরকম উৎসব অনুষ্ঠানের মেজাজ থেকে দূরে রাখেন নিজেকে। এর আগেও তিনি আক্রান্তদের কাছে গিয়েছিলেন। তখনই ‘গ্রিনফেল টাওয়ার’ অগ্নিকাণ্ড নিয়ে থেরেসার নিষ্ক্রিয়তা সমালোচিত হয়। শেষমেশ গতকাল রাতে ক্ষমা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার জন্য যতটুকু করার দরকার ছিল, তা তিনি করে উঠতে পারেননি।

তারপরও মে’র বিরুদ্ধে ক্ষোভের পাল্লা কেবল ভারীই হচ্ছে। কেনসিংটনে একটি গির্জায় আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মে’কে পুলিশ প্রহরায় বের করে আনতে হয়। কেউ চেঁচিয়ে বলেন, ‘দূর হটো’, কেউ বলেন, ‘কাপুরুষ’, কেউ আবার বলে দেন, ‘লজ্জা হওয়া উচিত আপনার।’ বিপর্যয়ের দিন অ্যালিসন মোজেস নামে ৫৭ বছরের এক মহিলা ড্রেসিং গাউনে নেমে এসেছিলেন গ্রিনফেল টাওয়ার থেকে। তিনি গির্জার সামনে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘ওকে জিজ্ঞেস করতে চাই, যারা আশ্রয়হীন, তাদের কাছে পৌঁছতে তিনদিন পেরিয়ে গেল কেন?’ কেউ কেউ বিক্ষোভ দেখান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরেও। 

তবে সব কিছু ছাপিয়ে মে তাকিয়ে আছেন রানির বক্তৃতার দিকে। রানির বক্তৃতার পরেই স্পষ্ট হয়ে যাবে থেরেসা আর প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকবেন কিনা। এমনটিই জানাচ্ছেন কয়েকজন ব্রিটিশ বিশ্লেষক।

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71