শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ৬ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে কিম–ট্রাম্পের ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর 
প্রকাশ: ০৬:৫০ pm ১২-০৬-২০১৮ হালনাগাদ: ০৬:৫০ pm ১২-০৬-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


অপেক্ষার অবসান। অবশেষে সদর্থকরূপে শেষ হল ট্রাম্প–কিম পরমাণু বৈঠক। দু’‌দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক, কিমের সঙ্গে ট্রাম্পের পারস্পরিক বৈঠক শেষে কিমের পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্যে দিয়ে শেষ হয় মঙ্গলবারের বহু প্রতীক্ষিত বৈঠক। 

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, খুব শিগগিরি উত্তর কোরিয়ায় পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের কাজ হবে। যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে একই প্রতিশ্রুতি দেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনও।

এদিন সকাল থেকেই সাজো সাজো রব সিঙ্গাপুরের সেন্টোসা দ্বীপের ক্যাপেলা হোটেলে। স্থানীয় সময় সকালে হোটেলে প্রথমে পৌঁছন কিম এবং তাঁর প্রতিনিধিরা। তারপরেই ঢোকে ট্রাম্পের কনভয়। প্রথম দেখাতেই দুজনে পরস্পরের সঙ্গে সহাস্য করমর্দন করেন। হোটেলের বারান্দা দিয়ে পাশাপাশি হেঁটে যাওয়ার সময় নিচে সাংবাদিকদের দিকে তাকিয়ে হাত নাড়েন দু’‌জনেই।

দুই রাষ্ট্রনায়কদের বৈঠকের আগে দু’‌দেশের প্রতিনিধিরা একদফা আলোচনা সেরে নেন। তারপর তাঁদের নিয়ে বৈঠক করেন কিম এবং ট্রাম্প। তারপর আসে সেই বহু প্রতীক্ষিত সন্ধিক্ষণ। ট্রাম্প এবং কিম শুধু দু’‌জনে প্রায় ৪৮ মিনিট বৈঠক করেন পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে। বৈঠক শেষে ট্রাম্প বলেন, যৌথভাবে কাজ করলে পরস্পরের খেয়াল রাখতে পারবেন তাঁরা। জটিল সমস্যার সমাধান হবে। কিম বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে তাঁদের পারস্পরিক মতভেদ দূর হয়েছে। যা শান্তির পক্ষে লাভজনক। সারা বিশ্বের মানুষ এই মুহূর্তের দিকে তাকিয়ে আছেন। এটা বিশ্ববাসীর কাছে কল্পবিজ্ঞানের চলচ্চিত্রের সমান। ট্রাম্প বলেন, সবাই যা ভেবেছিলেন, তার থেকে অনেকাংশে ভালো হয়েছে বৈঠক। 

স্থানীয় সময় বিকেল চারটে নাগাদ পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত বিস্তারিত চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন কিম এবং ট্রাম্প। চুক্তি স্বাক্ষরের পর কিম বলেন, তাঁরা একটা ঐতিহাসিক বৈঠক করেছেন। দু’‌জনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পুরনো সব কিছু ভুলে যেতে। এবার সারা বিশ্ব একটা বিশাল পরিবর্তন দেখবে। ট্রাম্প বলেন, তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন, যা কূটনৈতিক দিক থেকে বিশাল মাপের। এর মধ্যেই সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কিমের সঙ্গে ফের বৈঠক করতে চান কিনা। ট্রাম্প তৎক্ষণাৎ বলেন, অবশ্যই তিনি অনেকবার কিমের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান।

কিম–ট্রাম্পের বহু প্রতীক্ষিত বৈঠক এবং তারপর পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে গিয়েছে। দু’‌জনেই বৈঠক নিয়ে খুশি। এই খুশির রেশ কতদিন একইরকম থাকে এখন থেকে সেদিকেই তাকিয়ে সারা বিশ্ব।


বিডি
 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71