বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০
বুধবার, ১৩ই কার্তিক ১৪২৭
সর্বশেষ
 
 
পশ্চিমা দেশের প্রতি বেইজিংয়ের "ওলফ ওয়ারিওর" কূটনীতিকদের বকবকানি !
প্রকাশ: ০৫:২৫ pm ০৫-০৫-২০২০ হালনাগাদ: ০৫:২৬ pm ০৫-০৫-২০২০
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


চীনের রাষ্ট্রদূতদের কঠিন বক্তব্য দিয়ে সেই বিদেশী নেতাদের আটকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যারা করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। চীনের অনেক জনপ্রিয় ওল্ফওয়ারিয়র ফিল্ম ব্লকবাস্টার গুলিতে দেখা যায় একটি মাছ লস-বন্ড স্পেশাল ফোর্সেস কমান্ডো আফ্রিকা এবং এশিয়া জুড়ে আমেরিকান ভাড়াটে সৈনিকদের যুদ্ধে হারিয়ে দিচ্ছে।

পিপল সলিবারেশন আর্মির একটি সেরা ইউনিটের বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য একসাথে জিঙ্গোবাদ এবং অল-অ্যাকশন ফেঞ্জি ছিল চীনার স্বর্ণের বক্স-অফিস। করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বব্যাপীর বিবাদের মধ্যে মাতৃভূমির স্বার্থপ্রচারের জন্য এখন চিনা যোদ্ধারা একটি ভিন্ন ধরনের লড়াই চালাচ্ছে। ফিল্মের নাম অনুসারে তারা হল চীনের তথাকথিত “ওলফওয়ারিওর কূটনীতিক”।

চিকিৎসকরা সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল উহানের একটি রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যান। বেইজিংয়ের প্রতিনিধিরা “চাইনিজ” বা “উহান” ভাইরাস সম্পর্কিত রেফারেন্সটিকে নিন্দা করে আসছে। প্রতিবারের মতো, চীনা দূতরা তাদের মন্দ দিকগুলো আড়াল করে ফেলেছে, লাইম লাইট থেকে দূরে থাকাকালীন সাবধানতার সাথে বক্তব্যগুলিকে সংশোধন করেছে। এখন আর সেগুলো নেই।
বেইজিংয়ের আদেশে এই প্রোটোকলগুলি মুছে ফেলা হয়েছে। মৌন স্বভাব থেকে ট্রুকুলেন্টে রূপান্তরিত হয়ে তারা চীনের সমালোচনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে, তাদের বস রাষ্ট্রপতি শিজিনপিংকে মহামারীর ত্রাণকর্তা হিসাবে দেখাচ্ছে এবং তাদের প্রতিবেশি গোষ্ঠীগুলিতে আক্রমণ চালাচ্ছে। মাস্টার প্র্যাকটিশনার হলেন ঝাওলিজিয়ান, ৪৭ বছর বয়সী বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রকে নতুপ্রজন্মের জাতীয়তাবাদী ক্যাডারদের রোল মডেল হিসাবে দেখিয়েছেন। আমেরিকান সেনারা ওয়ার্ল্ড মিলিটারি গেমসে অংশ নিয়ে এই ভাইরাসটি উহানে নিয়ে এসেছিল বলে তিনি চীনা ইন্টারনেট কন্সপায়রেছিকে ঠেলে দিয়েছিলেন এবং তার প্রভাবগত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত বিদেশমন্ত্রকের টুইটটিতে দেখা গিয়েছিল যে আমেরিকাকে তার“বাইওলজিকাল ল্যাব” এর সুরক্ষার সম্পর্কে প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলিতে অভিযোগ করা ভয়কে মোকাবেলা করার আহ্বান জানিয়েছিল যেটি ছিল ন্যাশনালিস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় আরেকটি জনপ্রিয় লক্ষ্য।

ঝাওতার বিতর্কিত চীনা বিনিয়োগ প্রকল্পের প্রতিরক্ষার জন্য তার টুইটারের মাধ্যমে পাকিস্তানে ডেপুটি রাষ্ট্রদূত হিসাবে প্রথম আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তার সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া যায়, তিনি আমেরিকান বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন হামলার সাথে চীনের উইঘুর মুসলমানদের গণ-অভ্যুত্থানে বিশ্বব্যাপী নিন্দার জবাব দিয়ে তিনি ব্যাপক ভাবে আলোচিত ছিলেন।
একটি অনলাইন কন্সপাইরেছি দাবি করেছে যে আমেরিকান সৈন্যরা ভাইরাসটিকে উহানে নিয়ে এসেছিল। জাতিসংঘে প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সুসান রাইসঝাওকে “বর্ণবাদীলাঞ্ছনাকারী” বলে নিন্দা করেছেন যাকে বরখাস্ত করা উচিত ছিল। এরপরেই যখন তাকে বেইজিংয়ে ডেকে আনা হয়েছিল, তখন কেউ কেউ ভেবেছিলেন যে তার বক্তব্যের জন্য যথেষ্ট মূল্য দিতে হবে। পরিবর্তে, তাকে চীনের ফেছ এন্ড ভয়েজফরদা ওয়ার্ল্ড হিসেবে প্রমোট করা হয়েছিল।

বিশ্বাস করা হয় যে ঝাও নতুন ডিজিটাল আক্রমণ কৌশলটি সাজাতে মূল ভূমিকা পালন করেছিল, যা কিছু বিশ্লেষকরা মনে করেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার ব্যবহার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। গত বছরের শেষ দিকে বেইজিংয়ের একটি ক্লোজ-ডোরমিটিং এর আলোচনায় এটি রাষ্ট্রদূতদের কাছে প্রকাশ করা হয়েছিল, যখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াংইয়িরাষ্ট্রদূতদের আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় "লড়াইয়ের মনোভাব" প্রদর্শন করতে বলেছিলেন। বেইজিংয়ের মনে তখন চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধ এবং হংকংয়ের প্রতিবাদ নিয়ে চিন্তাভাবনা ছিল। তবে ফ্রন্ট লাইনে করোন ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়ে গেল।

গত মাসে ঘোষিত টব-থম্পিংয়ের দলীয় সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস থেকে জানা যায়“চীনা জনগণ আর তাদের কূটনৈতিক কথাবার্তায় সন্তুষ্ট নয়”। প্রাক্তন নেতা ডেঙসাওপিং এর বর্জন করার বাণী:"আপনার শক্তি আড়াল করুন, টিকে থাকুন"। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াংইয়ি রাষ্ট্রদূতদের শক্তিশালী "লড়াইয়ের চেতনা" দেখাতে বলেছেন। কয়েক ডজন রাষ্ট্রদূত তাদের দেশে নিষিদ্ধ হয়ে টুইটার এবং ফেসবুক, সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে যোগদান করেছেন কারণ তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারাকাস থেকে ক্যানবেরায় কূটনীতি বিরূদ্ধ কর্মকাণ্ড করবে। প্রধানমন্ত্রী, স্কটমরিসন, কোভিড-১৯ মহামারীটির উৎস সম্পর্কে বিদেশী পরিদর্শকদের দ্বারা স্বাধীনত দন্তের আহ্বানের পরে অস্ট্রেলিয়ায় সর্বশেষ আক্রমণাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। রাষ্ট্রদূত চেংজিংগাই অস্ট্রেলিয়া বয়কট এবং এর পণ্যগুলি চীনা পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং ভোক্তাদের দ্বারা উত্থাপিত করেছেন, যখন তার কর্মকর্তারা অস্ট্রেলিয়ান রাজনীতিবিদদের ওয়াশিংটন থেকে তোতাপাখির আদেশ বলে নিন্দা করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিসপেইন এটিকে “অর্থনৈতিক জবরদস্তির প্রচেষ্টা” বলে নিন্দা করেছেন। এই ঝামেলাটি বারার সাথে সাথে গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদক হাইজিজিং অস্ট্রেলিয়াকে "জুতার নীচে লেগে থাকা গাম" এর সাথে তুলনা করেছেন। ওল্ফওয়ারিয়রটু অভিনেতা উজিং একটি মাছলস-বন্ড স্পেশাল ফোর্সেস কমান্ডো হিসেবে আফ্রিকায় “ব্যাডগাই”দের সাথে লড়াই চালাচ্ছে।

বেইজিংয়ের প্রতিনিধিদের জন্য প্লেবুকটি যুক্তিযুক্ত যে, চীন ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় অন্যদের সাহায্যের জন্য চিকিৎসা সহায়তা এবং চিকিৎসক প্রেরণ করেছিল - অবশ্য উল্লেখ করা হয়নি যে অনেক “সহায়তা” একটি বড় দামের ট্যাগ হিসেবে এসেছে এবং তা ব্যবহার করা খুব বিরক্তি কর। তারা "চাইনিজ" বা "উহান" ভাইরাসের কোন ওরেফারেন্সের নিন্দা করতে খারাপ ভাষা ব্যবহার করতো। যদিও কথাগুলো বেশ কয়েকটি সপ্তাহের জন্য রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম উপস্থাপন করেছিল, কারণ কর্মকর্তারা এই প্রাদুর্ভাবটিকে গ্রাউন-জিরোন গরীর স্থানীয়করণ হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন। ক্ষতিপূরণ চাওয়ার যে কোন কথা বাবাইরের তদন্ত প্রতিষ্ঠার যে কোনও আলোচনা উভয়ই বাইরের দেশের রাজধানীতে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসনে চীনা আমলাদের আর সংরক্ষণ করা হবে না যেটিকে অনেক নিন্দার সাথে দেখা হয়। রাষ্ট্রপতি শিজিনপিং কূটনীতি করাচীনের মহামারীর ত্রাণকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। লন্ডনের স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল এবং আফ্রিকান স্টাডিজের চীন ইনস্টিটিউটের পরিচালক স্টিভসাং বলেছেন, তবে বেইজিংয়ের বৈদেশিক নীতির প্রাথমিক উদ্দেশ্যটি দেশীয় শ্রোতাদের কাছে গিয়ে অভিনয় করা এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টি (সিসিপি) এবং তার নেতৃত্বকে সুরক্ষা দেওয়া।

সিয়াং বলেছিলেন যে “‘ওল্ফওয়ারিওর কূটনীতি’অস্তিত্ব লাভ করেছিল, কারণ সিনিয়র চীনা কূটনীতিকরা চীনের বাইরের অংশ গুলিকে চীনের ‘ প্রতিকূল ’করার জন্য তাঁর পাদদেশীয় সৈন্যদের মতো উপস্থিত হয়ে শি'র সাথে নিজেকে জড়িত করার জন্যও ভারড্রাইভে গিয়েছিলেন।- যার জন্য তারা সত্যইসি'র নেতৃত্বগুণকে বোঝায়।" সিসিপি এবং শি'র নেতৃত্বে চীন কোভিড -১৯ এর উপরে বিশ্বের ত্রাণকর্তার যুক্তি তুলে ধরে যে তারা চীনকে পশ্চিমা গণতন্ত্রের চেয়ে অনেক ভাল করতে সক্ষম করেছে, এবং সম্ভবত ভাইরাসটি চীনের বাইরেও উদ্ভূত হয়েছিল, কারণ চীনে সাধারণ জনগনের মধ্যে দেশপ্রেম জাগানো ও গর্ববোধ করানো এবং পার্টি ও শি নেতৃত্বের আশেপাশে সমাবেশ করানোটা গুরুত্বপূর্ণ। ” চাউ এবং গ্লোবাল টাইমস পশ্চিমাদের পাশে দারিয়ে নতুন পদ্ধতির চিত্রঅঙ্কন করেছেন। তবে "ওলফওয়রিওর" কূটনীতির কুৎসা রটানোর লক্ষ্যগুলি বিশ্বব্যাপী। প্যারিসে, চীনের রাষ্ট্রদূতকে করোনা ভাইরাসের বিষয়ে চীনের সমালোচনার প্রতিক্রিয়া জানার পরে ড্যামারচে ডেকে আনা হয়েছিল। একটি ফেইসবুক বিবৃতিতে ফ্রেঞ্চকেয়ার হোমওয়ার্কারদের তাদের পোস্টগুলি সরিয়ে দেওয়ার এবং "বাসিন্দাদের অনাহার এবং রোগের কারণে মারা যাওয়ার" অভিযোগ করেছে। চীন ভাইরাসটির উৎস সম্পর্কে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। ফরাসিরা রেগে গিয়েছিল। এবং সেই চুক্তিগুলি ইইউর সাথে চীনা মিশনগুলি বিশৃঙ্খলা এবং ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছে এমন অভিযোগে ইইউর সাথে একটি হাই-প্রোফাইল শোডাউন করেছে। ব্রাসেলস অস্বীকার করেছে যে যখন এটি কোনও ইইউ রিপোর্ট থেকে কেয়ার হোমদাবির রেফারেন্স কেটে দেয় তখন তারা বিনিয়োগ কমাতে চীনাদের হুমকির মুখে পরেছে। এমন একটি পদক্ষেপ যা বেইজিংয়ের হ্যাকেল আরও বাড়িয়ে তুলবে, ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলাভন ডেরলেইন শুক্রবার করোন ভাইরাসটির উদ্ভবের তদন্তের জন্য ইউরোপীয় রাজনীতিবিদদের ক্রমবর্ধমান ব্যান্ডের আহ্বানকে সমর্থন করেছেন। দূতাবাসগুলি প্রতিকূল কভারেজকে ভেঙ্গে ফেলার জন্য মিডিয়া আউটলেটগুলিকেও টার্গেট করেছে। স্টকহোমের মিশন সাংবাদিকদের "ভাবগত আক্রমণ চালানোর" জন্য চাপিয়ে দিয়েছিল যারা কেবল সুইডেনে "নাশকতা" করবে।

গুইমিনহাইকে একটি বক্তৃতার পুরষ্কারের পরে সম্পর্কের বিষয়টি ইতিমধ্যে কমছিল উল্লেখ করে সেখানে রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন "আমরা আমাদের বন্ধুদের সাথে ভাল ব্যবহার করি, কিন্তু শত্রুদের জন্য আমরা শটগান ব্যবহার করি", একজন সুইডিশ নাগরিক এবং হংকংয়ের প্রাক্তন বই বিক্রেতা মূল ভূখণ্ডে কারাগারে বন্দী ছিলেন। ভেনিজুয়েলার দূতাবাস, একটি সমাজতান্ত্রিক মিত্র, কোভিড -১৯-কে "চীনা" বা "উহান" ভাইরাস বলে উল্লেখ করা কর্মকর্তাদের শাস্তি দেওয়ার জন্য টুইটারের অবলম্বন নিয়েছিল। "একটি ফেস মাস্ক লাগান এবং চুপকর,"এধরনের বার্তাগুলি একটি ক্রুদ্ধ ঝড়েরসাইন-অফ ছিল। "ওলফওয়ারিওর" কূটনীতির হিংসাত্মক লক্ষ্যগুলি বিশ্বব্যাপী চীন এবং এর অনেক মিত্রদের মধ্যে সম্পর্ক ইতিমধ্যে হ্রাস পেয়েছে। চীনও এর দীর্ঘকালীন প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের মধ্যে সম্পর্ক ও হ্রাস পেয়েছে। দূতাবাসের ক্ষতিপূরণ কে “হাস্যকর এবং চোখ ধাঁধানো বাজে কথা” বলে বর্ণনা করেছে এবং এরপরে, নয়া দিল্লির ত্রুটি যুক্ত চীনা প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জামগুলি "দায়িত্বজ্ঞানহীন" হিসাবে ফেরত পাঠানোর এবং "প্রাক-আগ্রাসন মূলক কুসংস্কার" দেখানোর সিদ্ধান্তের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

চীনের কূটনৈতিক শৈলীর ব্যাক ফায়ারিং আফ্রিকা মহাদেশের চেয়ে কোথাও পরিষ্কার নয় যে এটি অবকাঠামো গত প্রকল্পগুলির সাথে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজুতে আফ্রিকার অভিবাসী এবং ছাত্রদের স্পষ্টত বর্ণবাদী মন্তব্য এর জবাব দেওয়ার জন্য তাদের হোস্টের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি চীনা রাষ্ট্রদূতকে কোভিড -১৯ ক্ল্যাম ডাউনে ডেকে আনা হয়েছিল। প্রশংসনীয় শব্দের মাধ্যমে উত্তেজনা লাঘব করার চেষ্টা করার পরিবর্তে কিছু মিশন জোর দিয়েছিল যে ভাল-ডকুমেন্টের বৈষম্য কখনও ঘটেনি, ক্রোধকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 

 

E-mail: info.eibela@gmail.com

a concern of Eibela Ltd.

Request Mobile Site

Copyright © 2020 Eibela.Com
Developed by: coder71