বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ৫ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
পাইকগাছায় স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসক ও জনবল সংকট
প্রকাশ: ০৯:৩৪ pm ২৫-০৬-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৩৪ pm ২৫-০৬-২০১৮
 
খুলনা প্রতিনিধি
 
 
 
 


খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় চিকিৎসক ও জনবল সংকটে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে। উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং কপিলমুনি ১০ শয্যা সরকারি হাসপাতাল। প্রধান এ ২টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ডাক্তার ও জনবল সংকট সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। 

পাইকগাছাসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি উপজেলার প্রায় ৪ লাখ জনগোষ্ঠির সেবায় ৫০ শয্যায় কর্মকর্তা সহ ৪জন ডাক্তার সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার না থাকার কারণে ডিএসএফ (সিজারিয়ান) প্রকল্পটি বন্ধ হওয়ার অতিক্রম। এছাড়াও ১৫ বছর ধরে টেকনিশিয়ান না থাকায় আল্ট্রাসনো মেশিন, এক্স-রে মেশিন, ডেন্টাল সহ প্রায় কোটি টাকার সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এদিকে উপজেলার কপিলমুনি ১০ শয্যা হাসপাতালে ১জন চিকিৎস কর্মরত। অচিরেই ডাক্তার সহ টেকনিশিয়ান নিয়োগের দাবী জানিয়েছেন পাইকগাছাবাসী।

জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২ ডিসেম্বর ২০০৯ সালে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার থাকার কথা ৩৩ জন। রয়েছে মাত্র ৪জন। শূন্যপদ ৩০জন। দ্বিতীয় শ্রেণীর ৩৩জন থাকার কথা রয়েছে ১৯, শূন্যপদ ১৪জন। তৃতীয় শ্রেণী ১৫৮ জন থাকার কথা, রয়েছে ১১৩, শূন্যপদ ৪৫। চতুর্থ শ্রেণীতে থাকার কথা রয়েছে ৩২, রয়েছে ১১, শূন্যপদ ২১। সর্বমোট ২৫৬জন থাকার কথা থাকলেও রয়েছে ১৪৮, শূন্যপদ ১০৮। এদিকে নার্স কোটা পূরণ থাকলেও একযোগে ৬জন নার্স মাতৃকালীন ছুটিতে থাকায় রোগীদের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মেডিকেল টেকনোলজি না থাকার কারণে আল্ট্রাসনো মেশিন, এক্স-রে ও ডেন্টাল মেশিন দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পড়ে থাকার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। এ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার না থাকার কারণে ডিএসএফ প্রকল্পটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ৫০ শয্যা হাসপাতালে ৩জন ডাক্তার, ৪টি হেলথ সেন্টারে ১জন ডাক্তার ও ৬টি সাব সেন্টারে সেকমো ও ফার্মাসিস্ট দিয়ে চালানো হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। ৩১ শয্যার জনবল ও আসবাবপত্র দিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কার্যক্রম চালানোর ফলে সর্বক্ষেত্রে বেহাল অবস্থা দেখা দিয়েছে। এদিকে, সরেজমিনে দেখা গেছে পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডের ব্যবহৃত বাথরুমে পানি না থাকার কারণে দূর্গন্ধে রোগীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। 

মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি হিতামপুরের আব্দুরর রাজ্জাকের স্ত্রী শুকজান, মালথ গ্রামের আফসার মালীর স্ত্রী ও পৌর সদরের সায়েদ আলী জানান, আমাদের ওয়ার্ডে ৮টি ফ্যান তার ৪টি নষ্ট। অসহ্য গরমে থাকা দায় পড়েছে। 

হাসপাতালের বারান্দায় ভর্তি লক্ষ্মীখোলার শিল্পী জানান, আজ ২দিন ভর্তি আছি। কিন্তু মাঝে মধ্যে ডাক্তার আসলেও এখনও পর্যন্ত খাবার পায়নি। 

এসব বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, ৫০ শয্যা হাসপাতাল ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে চালানোর কারণে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। ডাক্তার বিষয়ে বোর্ড সভায় উত্থাপন করেছি এবং আমার সিভিল সার্জন স্যার ও এমপি মহোদয়কে জানিয়েছি। হাসপাতালে যে সমস্ত ক্রটি রয়েছে তা সব জনবল সংকটের কারণেই।

এমএএম/বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71