মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮
মঙ্গলবার, ২৯শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
পাকিস্তানে ঐতিহাসিক হিন্দু বিয়ে বিল পাস
প্রকাশ: ০৩:২২ am ১৯-০২-২০১৭ হালনাগাদ: ০৩:২২ am ১৯-০২-২০১৭
 
 
 


আন্তর্জাতিক ডেস্ক::  পাকিস্তানের সিনেটে সর্বসম্মতিক্রমে 'হিন্দু বিয়ে বিল ২০১৭' পাস হয়েছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্রটিতে এটিই সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য পাস হওয়া প্রথম 'ব্যক্তিগত আইন'।

২০১৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ অনুমোদিত এ বিলটি প্রায় দেড় বছর পর সিনেটে পাস হলো। এখন রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পর আগামী সপ্তাহে বিলটি আইনে পরিণত হবে।

নতুন এই আইনের ফলে হিন্দু নারীরা তাদের বিয়ের প্রমাণ হিসেবে 'শাদি পত্র' পাবেন। এটি মুসলিমদের কাবিননামার মতো যাতে সরকারিভাবে নিবন্ধিত পুরোহিতের স্বাক্ষর থাকবে।

নতুন বিয়ে আইনে হিন্দু দম্পতিরা বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ফলে নতুন করে বিয়ের জন্য কাউকে ধর্ম পরিবর্তন করতে হবে না। বরং আদালতের কাছে বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করে নতুন বিয়ে করতে পারবেন।

হিন্দু বিয়ে আইনটি পাকিস্তানের পাঞ্জাব, বেলুচিস্তান এবং খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে প্রথমবারের মতো হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগত আইন হিসেবে প্রযোজ্য হবে। তবে সিন্ধ প্রদেশে আগে থেকেই নিজস্ব হিন্দু বিয়ে আইন রয়েছে।

শুক্রবার পাকিস্তানের সিনেটে আইনমন্ত্রী জাহিদ হামিদ 'হিন্দু বিয়ে বিল ২০১৭' উপস্থাপন করনে। কোনো সিনেটরই বিলটির বিরোধিতা করেননি এবং কোনো বিষয়ে আপত্তি করেননি।

এর আগে আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত পার্লামেন্টারি স্থায়ী কমিটিতে থাকা সব দলের জাতীয় পরিষদ সদস্যরা সর্বসম্মতি ক্রমে বিলটি প্রণয়ন করেছিলেন। ফলে সিনেটেও আইনটি নিয়ে কোনো বিরোধ হয়নি।

পাকিস্তানে হিন্দু বিয়ে আইন প্রণয়নের জন্য তিন বছর ধরে কাজ করেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়টির অন্যতম নেতা ড. রমেশ কুমার ভাংকওয়ানি। বিলটি সিনেটে পাস হওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।

আগে হিন্দু নারী-পুরুষ একবার বিয়ে করলে তার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারতেন না। ফলে বিয়ে বিচ্ছেদ করার জন্য তাদের ধর্ম পরিবর্তন করতে হতো।

রমেশ কুমার বলেন, এই বিয়ে আইনের ফলে হিন্দু সম্প্রদায়ের কাউকে বিয়ের পর আর ধর্মান্তরে বাধ্য হতে হবে না।

 

এইবেলাডকটম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71