শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ৬ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
পীরগঞ্জে কাঠালের বাম্পার ফলন রপ্তানী হচ্ছে দেশ ও বিদেশে
প্রকাশ: ০৭:৫৫ pm ২১-০৬-২০১৬ হালনাগাদ: ০৭:৫৬ pm ২১-০৬-২০১৬
 
 
 


জাকির হোসেন, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাও)থেকে : ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় এবার প্রচুর পরিমানে কাঠাল আবাদ হয়েছে । পীরগঞ্জ উপজেলার প্রায় সব ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে কাঁঠালের ভালো ফলন হয়, উওরঅঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে বাজারজাত করা হয়। কাঁঠাল একটি অর্থকারী ফল হওয়ায় উৎপাদিত কাঁঠাল বেশির ভাগ ঢাকায় বাজারজাত হলেও পীরগঞ্জের সুস্বাদু কাঁঠাল দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে, তবে তা পরিমাণে খুবই কম। বিগত বছরের মতো এবারো পীরগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাম্পাার ফলনের সঙ্গে কাঁঠালের দামও ভালো বলে জানিয়েছেন বাগান মালিকরা।

এ বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শত কৃষকের বাগানে কাঁঠালের প্রচুর ফলন হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে বাজারদর ভালো হলেও কিছুদিনের মধ্যেই দাম পড়ে যায়, এতে কম লাভবান হন কৃষকরা।

বৃহওর দিনাজপুরসহ সারা বাংলাদেশে পীরগঞ্জের কাঁঠালের সুখ্যাতি রয়েছে। তাই দেশজুড়ে এখানকার কাঁঠালের চাহিদা দেশের অন্য এলাকার তুলনায় একটু বেশি। বন্যার ঝুঁকি না থাকা এবং মাটির উবর্রতার কারণে এখানকার কাঁঠালের ফলন বেশি ও স্বাদ ও ঘ্রাণ ভালো। ভালুকায় দুধরনের কাঁঠালের আবাদ হয় বলে জানান কৃষি- সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে বাজারে প্রতিটি কাঁঠাল ৬০ থেকে ১০০ (কাঁচা) টাকা এবং ২০ থেকে ৭০ (পাকা) টাকায় বি্িক্র হচ্ছে। ইতোমধ্যেই বাজারে কাঁঠালের দাম কাঁচা ও পাকা ভেদে কম-বেশি হয়। কাঁঠাল দ্রুত পচনশীল হওয়ায় কোনো কোনো সময় লাভের চেয়ে ক্ষতির অ´ কষতে হয় চাষি বা ব্যবসায়ীদের। আর এ কারণেই কাঁঠাল সংরক্ষণ ও প্র্িক্রয়াজাতকরণে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দীর্ঘদিনের দাবি এ এলাকার কাঁঠালচাষি ও পাইকারদের। সরকারি বা বেসরকারি কোনো পন্থায় প্র্িক্রয়াজাতকরণের ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংরক্ষণাগার স্থাপন করা গেলে কাঁঠাল চাষ হয়ে উঠতে পারত অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী হওয়ার একটা মাধ্যম। ভালুকায় ব্যক্তি উদ্যোগে কাঁঠালের বাগান গড়ে উঠলেও বাণিজ্যিকভাবে কাঁঠাল চাষে উদ্যোগ নেই। বাণিজ্যিক উৎপাদনেএ অঞ্চলের কাঁঠাল চাষ ব্যাপক বিস্তার লাভ করতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারণা। পীরগঞ্জের প্রকৃতি ও পরিবেশগতভাবে লালমাটির উঁচু জায়গা হওয়ায় কৃষকদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় কাঁঠাল উৎপাদন অঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব। কাঁঠাল চাষের আলাদা যন্তও খরচ না থাকায় অল্প বিনিয়োগ লাভজনক আবাদ হিসেবে সাফল্য পাওয়া যায়।

পীরগঞ্জের কাঁঠাল বিদেশে রফতানি করেও বেশ সফলতা পাওয়া যেতে পারে, যদি সরকারি উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর কোষ ও বিচি মানুষ খায়। বাকি অ´ গরু-মহিষের খাবার হিসেবে উওম। হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গ্রামের কাঁঁঠালের বেপারি আবদুস সালাম জানান, বৈরি আবহাওয়া না থাকায় এ বছর কাঁঠালের ভালো ফলন হয়েছে, লাভজনক দাম পেলে সব কৃষকই লাভবান হবেন। কাঁঠালের এই ব্যবসায়ী আরো জানান, তারা এবার বাগানমালিকদের কাছ থেকে ১২লাখ টাকার কাঁঠাল কিনেছেন । পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার আবুলকালাম আজাদ জানান , পীরগঞ্জে ব্যক্তি উদ্যোগে আবাদ হওয়া প্রায় ৫ লাখ কাঁঠালগাছে এ বছর অন্তত ১ কোটি কাঁঠালের ফলন হয়েছে, যার বাজারমূল্য ৩৫ কোটি টাকা । তিনি আরো জানান , উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কাঁঠাল আবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন মোটিভেশন প্রক্রিয়া ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওযা হয়। সংরক্ষণাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণের বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা, বলেন ‘ব্যক্তি উদ্যোগে কেউ বা কোনো কোম্পানি চিপস বা অন্যান্য খাদ্য সমাগ্রী উৎপাদনে এগিয়ে এলে সরকারি সহযোগিতা পাবে।’

এইবেলা ডটকম/ইআ

 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71