সোমবার, ২৭ মে ২০১৯
সোমবার, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
 
 
প্রবীণদের বিষণ্ণতার কারণ ও প্রতিকার
প্রকাশ: ০৪:১৯ pm ২৫-১২-২০১৭ হালনাগাদ: ০৪:১৯ pm ২৫-১২-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


জার্মানিতে প্রবীণদের মধ্যে বিষণ্ণতার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। তা কি শুধু বয়সজনিত শারীরিক অসুস্থতার কারণে, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ? এরকম প্রবীণদের কি বিশেষজ্ঞের সাহায্য প্রয়োজন?

প্রবীণদের বিষণ্ণতা: বিষণ্ণতায় তরুণদের চেয়ে প্রবীণরা বেশি ভোগেন, যা স্বাভাবিক। তবে জার্মানির তরুণ জনসংখ্যার শতকরা পাঁচভাগ বিষণ্ণতায় ভোগে। সেক্ষেত্রে ৭০-এর বেশি যাঁদের বয়স, তাঁদের মধ্যে শতকরা ২৫ ভাগই বিষণ্ণতায় ভোগেন। জার্মানিতে প্রবীণদের প্রধান মানসিক অসুখ ‘ডিমেনশিয়া’। আর তারপরই বিষণ্ণতার স্থান। একথা জানান, জার্মানির বার্ন আউট ও ডিপ্রেশন বিশেষজ্ঞ ড. টর্সটেন ব্রাখার।

বিষণ্ণতার কারণ: বিষণ্ণতার কারণগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে, পার্টনার বা কোনো কাছের মানুষের মৃত্যুশোক, অসুস্থতা এবং একাকিত্ব। তাছাড়া শীতপ্রধান দেশের আবহাওয়ার প্রভাবে ডিপ্রেশনের ব্যাপারটি তো আছেই। এছাড়া বয়সজনিত কোমর ব্যথা, হার্টের সমস্যা বা মাথা ঘোরার মতো শারীরিক কারণেও অনেকের মন বিষণ্ণ হয়।
 
ডিমেনশিয়া এবং ডিপ্রেশন: প্রবীণ রোগীদের মধ্যে যারা ‘ডিমেনশিয়া’ ভুগছেন, তাঁদের অনেকের বিষণ্ণতাও রয়েছে কিনা, তা বোঝা একটু কঠিন হয়ে যায়। আর শুধুমাত্র সে কারণেই বিষণ্ণতায় ভুগছেন সেরকম মাত্র শতকরা ১০ থেকে ২০ প্রবীণদের ক্ষেত্রে চিকিৎসা করা সম্ভব হয়ে থাকে।

যাঁদের বেশি হয়: সমীক্ষায় জানা যায় যে, অল্প বয়সে যাঁরা পেশাগত, পারিবারিক, সামাজিক বা স্বাস্থ্যগত দূর্বলতার কারণে নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, তাদেরই নাকি প্রবীণ বয়সে বিষণ্ণতা বেশি হয়। তবে সবার ক্ষেত্রে যে হবেই এমন কোনো কথা নেই৷ তা নির্ভর করে প্রবীণদের বর্তমান জীবনযাত্রা বা পরিস্থিতির ওপর।

যা করণীয়: সবচেয়ে ভালো হয়, বিষণ্ণতায় ভোগেন এমন রোগীদের যদি মানসিক থেরাপি এবং অ্যান্টিডিপ্রেশন ওষুধ সেবন করানো হয়। অনেক সময় দেখা যায়, অ্যান্টিডিপ্রেশন ওষুধ সেবনে রোগী কিছুটা ভালো হলে ওষুধ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যা একেবারেই ঠিক নয়৷ কারণ রোগী স্বাভাবিক বোধ করলেও ওষুধ নিয়মিত সেবন করা উচিত।

সামাজিক যোগাযোগ: প্রবীণ বয়সে আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব তেমন থাকে না, এ কথা ঠিক৷ তারপরও নিজেকেই এগিয়ে গিয়ে প্রতিবেশী বা অন্যদের সাথে মেশার চেষ্টা করতে হবে। তাছাড়া সম্ভব হলে নিয়ম করে তাদের সাথে তাস খেলা, সেলাই, দাবা বা পছন্দের খেলা বা সখের কিছু করা যেতে পারে।

প্রকৃতির সঙ্গ উপভোগ করুন: হোক তা অল্প সময়ের জন্য, তবুও পার্ক বা খোলা জায়গায় নিয়মিত হাঁটতে যান। সাথে নিজের সন্তান, নাতি-নাতনি বা কাছের মানুষ কেউ থাকলে, তা হবে অনেক বেশি আনন্দদায়ক।

নতুন কিছু: সম্ভব হলে ভালো লাগে এমন নতুন কিছু করতে পারেন, বিশেষ করে আপনার চেয়ে কম বয়সিদের সাথে। হতে পারে তা কম্পিউটার গেমস বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিচরণ। কারণ প্রতিটি নতুন অভিজ্ঞতা মস্তিষ্কককে সচল রাখতে সাহায্য করে।


আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71