শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শনিবার, ৭ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
প্রসঙ্গ : নিরাপদ দুর্গোৎসব নিরাপদ ধর্মানুষ্ঠান
প্রকাশ: ০৮:২৬ pm ২৫-০৯-২০১৬ হালনাগাদ: ০৮:২৬ pm ২৫-০৯-২০১৬
 
 
 


রণেশ মৈত্র ||

দেখতে দেখতে আরো একটি বছর পেরিয়ে এলাম। দুর্গোৎসব এসেই গেল প্রায়। বিদেশের মাটিতে বসেই এবার চতুর্থবারের মতো দুর্গোৎসবের সব কর্মসূচি উপভোগ করব। জেনে আনন্দিত হলাম, বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়ার প্রবাসী বাঙালিরা এবার ছয়টি পৃথক পৃথক হলে ছয়টি মূর্তি উঠিয়ে পূজার আয়োজন করেছে। আমি ২০০৭-২০০৮ সালে মাত্র দুটি পূজার আয়োজন দেখে গিয়েছিলাম।

২০০০ সালে দেখেছিলাম মাত্র একটি। সিডনি বা অস্ট্রেলিয়া এবং পৃথিবীর অপর অনেক দেশেই দুর্গোৎসবের আয়োজন প্রতি বছরই হয়ে থাকে। সর্বত্রই খোঁজ নিলে দেখা যাবে পূজা, অর্চনা-ভোগ-আরতি ইত্যাদি ধর্মীয় আচারাদি ছাড়াও আয়োজন করা হয়ে থাকে আলোচনা সভা-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও এ জাতীয় নানাবিধ অনুষ্ঠানের। কত বেশি নির্বিঘ্নে নির্বিবাদে নিরাপদেই না অনুষ্ঠানগুলোর আয়োজন হয় যার ফলে বৈচিত্র্যে ভরপূর থাকে ওই অনুষ্ঠানমালা। ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্নানাদি সেরে নতুন পোশাক পরিধান করে গাড়ি নিয়ে সবাই সপরিবারে ছুটছেন পূজাঙ্গন অভিমুখে- তা সে কোনো স্থায়ী মন্দিরেই হোক বা কোনো হল বা মিলনায়তনেই হোক সেখানে সবাই গিয়ে একত্রিত হচ্ছেন, ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায় মত্ত হচ্ছে- বড়রা পূজার নানাবিধ আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত। আয়োজন সমাপ্ত হলে পুরোহিত (তাদের কোথাও হত্যা করা বা হত্যার হুমকি দেয়া হয় না) পূজায় বসেন দেবী প্রতিমার সামনে। নৈবেদ্য ভোগের পর দর্শক আয়োজন শত শত নারী-পুরুষ প্রাতঃরাশ করেন। ওদিকে পূজার কাজও চলতে থাকে। পূজা-ভোগ প্রভৃতি সমাপ্ত হলে সবাই মিলে দুপুরের আহারাদি শেষ করেন। যেসব ছেলেমেয়ে নাচ, গান প্রভৃতি করবেন তারা পাশের কোনো রুমে গিয়ে রিয়ার্সেল পর্বও সেরে নেয় অবসর পেলে।

ইতোমধ্যে সন্ধ্যার আগেই আমন্ত্রিত নানা ধর্মবিশ্বাসী সুধীজন এসে পড়েন। আপ্যায়ন করা হয় তাদের সবাইকে। অতঃপর শুরু হয় আলোচনা সভা। এতে ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ নির্বিশেষে সুধীজনরা অংশ নেন। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এগুলো রাত ১০টা ১১টার দিকে শেষ হয়। অতঃপর নৈশভোজ এবং তা শেষ হলে মন্দির বা হল সবাই মিলে পরিষ্কার করে যায় যায় পরিবার-পরিজন নিয়ে নিজ নিজ বাসায় ফিরে আসা। পরদিন পুনরায় একই ধরনের আয়োজন। কতই না নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠানগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে সবার আন্তরিক সহযোগিতায় যেমনটি হতো অবিভক্ত ভারতে ইংরেজ আমলে। পাকিস্তান আমলেও অনেক দিন বেশ ভালোভাবেই নিরুপদ্রবে উৎসবের আয়োজন হতো যদিও কোনো কোনো বছরে সে শান্তিময় পরিবেশ বিঘ্নিত হয়েছে।

বাংলাদেশেও পূজার সংখ্যা প্রতি বছরেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু এবার তা প্রকৃতই বাড়বে কি না বা তা অনেক কমে যাবে জানি না। তবে সংশয়ের অন্ত নেই। বেশ কয়েকজন পুরোহিত গত দু’তিন মাসে খুন হয়েছেন, শত শত পুরোহিত হত্যার হুমকি পেয়েছেন, অনেকে এ দেশ ছেড়ে দিয়ে গোপনে পরিবার-পরিজন নিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন শুধু জীবনের নিরাপত্তার অভাবজনিত কারণে। যারা আছেন তারা কতজন যে এবার পূজায় পৌরোহিত্য করতে সম্মত হবেন তাও অজানা। ইতোমধ্যেই খবর পাচ্ছি বাংলাদেশের পূর্বে-পশ্চিমে-উত্তরে-দক্ষিণে নানা স্থানে নির্মীয়মাণ দুর্গা, লক্ষী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ প্রভৃতি দেব-দেবীর মূর্তি ভাঙচুর হয়েছে। থানায় ঘটনাগুলো জানানো বা জিডি করা হলে নিয়মমাফিক পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পূজার আয়োজকদের যথারীতি আশ্বাস দিয়ে বলেছেন- ‘পুলিশি তৎপরতা বাড়ানো হবে- একজন অপরাধীকেও ছাড়া হবে না।‘ ব্যস, ওই পর্যন্তই। তার পরে আর কোনো নড়াচড়া প্রত্যক্ষ করা যায় না- কাউকে গ্রেপ্তারের খবরও তেমন একটা পাওয়া যায় না। প্রতিমা ভাঙচুরের হাজারো ঘটনা ঘটলে সে ব্যাপারে অপরাধীদের ক্ষেত্রে এমনটাই যেন সরকারি নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ধরপাকড় দু’একটা ক্ষেত্রে ঘটলেও অপরাধীদের ছাড়া পেতে খুব একটা দেরি হয় না, জামিন পেয়ে যায়। অতঃপর (মোকদ্দমার ফাইলে রিপোর্ট) ব্যস। এরপর আর অপরাধীদের পায় কে? তারা নতুন করে উৎসাহ পেয়ে যায়। সাহস পেয়ে যায় এবং ঘটায় নতুন নতুন ঘটনা। বুঝতে পারি না ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ বিষয়টা কি? মন্দির পোড়ালে বা মূর্তি ভাঙলে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে, নাকি লাগে না? আঘাত লাগে? সরকারি আইনে সম্ভবত তাদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে। সম্ভবত তাদের আঘাত লাগে না শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে। যদি লাগত তাহলে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পরে এ যাবৎ যত মন্দির পোড়ানো এবং মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে তাতে কম করে হলেও লাখখানেক অপরাধীর অন্তত দশ বছর করে জেল জরিমানা হতো। কিন্তু একটিরও হয়নি।

গির্জা ভাঙচুরের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। তবে কি আইনে লেখা আছে যে ‘যা’ কিছুই করা হোক মন্দির পোড়ানো, গির্জা পোড়ানো, মূর্তি ভাঙচুর, পুরোহিত হত্যা প্রভৃতি যত কিছু ঘটুক- যেহেতু লোকসংখ্যার গণনায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা ধর্মীয় সংখ্যালঘু তাই কোনো কিছুকেই তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে বলে গণ্য করা হবে না। শুধু ধর্মীয় সংখ্যাগুরু মুসলিমদের পালিত ধর্ম ইসলাম সম্পর্কে আকারে-ইঙ্গিতে-সামান্যতম কট‚ক্তি করলে বা মসজিদে কেউ কোনো কিছু করলে তাকে ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ বলে গণ্য করা হবে। আইনে এমন কথা লেখা না থাকলেও সরকারি আচরণে জনগণ, বিশেষ করে সন্ত্রাসী, জঙ্গি, অপরাধীরা দিব্যি তাই বুঝে নিয়েছে। তাই একের পর এক এবং প্রতি বছরই (কখনো বা সারা বছরজুড়ে) তারা চালিয়ে যাচ্ছে-মূর্তি ভাঙা, মন্দির-গির্জায় অগ্নিসংযোগ প্রভৃতি অভিযান অত্যন্ত বেপরোয়াভাবে।

সংখ্যলঘু-সংখ্যাগুরু প্রশ্নটি যখন তুলেই ফেলেছি তখন সিডনির অভিজ্ঞতাটাও বলা ভালো। এখানেও হিন্দুরা সংখ্যালঘু, মুসলিমরাও। কারণ এখানে সংঘ্যাগুরু খ্রিস্টান সম্প্রদায়। কিন্তু এক মুহ‚র্তও কোনো হিন্দু বা মুসলমানকে অনুভব করতে দেখি না যে তারা সংখ্যালঘু, খ্রিস্টানদেরও দেখি না নিজেদের সংখ্যাগুরু হিসেবে ভাবতে বা অন্যদের সঙ্গে তেমন আচরণ করতে। সবাই সমান ধর্ম-সম্প্রদায়-লিঙ্গ নির্বিশেষে সংবিধানের এই উক্তির পরিপূর্ণ এবং যথার্থ প্রয়োগ প্রতিদিন স্বাভাবিকভাবেই ঘটছে এখানে। ৩ সেপ্টেম্বরের পত্র-পত্রিকায় দেখলাম, গত শুক্রবার জুমার নামাজের সময় সিলেটে নিকটবর্তী ইসকন মন্দির থেকে কোনো একটা পূজা উপলক্ষে বাদ্য-বাজনার আওয়াজ ভেসে আসায় মন্দিরে তাৎক্ষণিক আক্রমণ করা হয়। কী ভয়ঙ্কর কথা। প্রকাশ্যে দিবাভাগে সিলেটে এমনটা ঘটল। মসজিদ-মন্দির পাশাপাশি থাকলে মাইকে আওয়াজ আসবে এমনটি তো ঘটতেই পারে। কেউ তো অপরের ধর্মবিরোধী কোনো কাজ করেনি- নিজ নিজ ধর্ম পালন করেছে মাত্র।

কর্তৃপক্ষ কি মসজিদ-মন্দিরের মাইক্রোফোনের আওয়াজ সারা দেশেই অত্যন্ত সীমিত পর্যায়ে রাখার বাধ্যতামূলক আইন প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়ন করবেন? অস্ট্রেলিয়ায় গির্জা, মসজিদ-মন্দির সবই আছে। সর্বত্র কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় মাইক্রোফোনের আওয়াজ যাতে গির্জা, মসজিদ বা মন্দিরের ভেতরে ওই আওয়াজ শোনা যায়- বাইরে কাকপক্ষীটিও যেন সে আওয়াজ শুনতে না পায়। এমন আইন বহু সমস্যার সমাধান করতে পারে। যদিও কাঠমোল্লারা এর বিরোধিতায় মাঠে নামবে হয়তো বা। সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘু দিয়ে তো আইন ও বিচার কাজ চলতে পারে না। তার জন্য রয়েছে আমাদের সংবিধান। যদিও মুক্তিযুদ্ধের তাবৎ মৌলিক অর্জন ধূলিসাৎ করে দেয়া হয়েছে ওই সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীতে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজন, ‘জামায়াতে ইসলামী ও ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলোকে বৈধতা প্রদান’ ও ‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে’ সন্নিবেশিত করার মাধ্যমে। ফলে রাজনীতি ও সমাজকে ইসলামিকরণ শুরু হয়েছে। তারই প্রতিফলন ঘটছে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের উত্থানের প্রক্রিয়ায়। এ এক ভয়াবহ পথে যাত্রা শুরু করেছে আমাদের রক্তস্নাত বাংলাদেশ। বিদেশি বহু সার্টিফিকেট জুটছে ধর্মনিরপেক্ষতা-গণতন্ত্র ও উন্নয়নের নামে বটে কিন্তু সেটা নেহায়েতই উপরের ব্যাপার। ভেতরটায় ধরেছে মারাত্মক পচন- যা নানাভাবে রাষ্ট্রীয় ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হচ্ছে। আর এই সব কিছু সঙ্গে নিয়েই তো এসে যাচ্ছে দুর্গোৎসব। কেমন হবে, কতটা শান্তিপূর্ণ হবে, হিন্দু সম্প্রদায় কতটা মনের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে পারছেন নিজেদের, পুরোহিতদের, প্রতিমার ও মন্দিরগুলোর তো এতদূর থেকে বুঝে উঠতে পারছি না।

তবে এটুকু জানি এবার দুর্গোৎসব পালনের জন্য বিস্তর টাকা পয়সা-চাল-গম কাপড়-চোপড় (সবই রিলিফ তথা খয়রাতি হিসেবে) দেয়া হবে যাতে পূজায় সবাই উদ্বুদ্ধ হয় এবং মন্দিরগুলোতে পূজার দিন ও রাতগুলোতে পুলিশি ব্যবস্থারও ঘাটতি ঘটবে না। প্রশ্ন কিন্তু তবু থেকেই যায়- মানুষ খুন নয়, কারো বাড়িঘর লুটপাট নয়, কারো শরীরে বিন্দুমাত্র আঘাত প্রদানও নয়, স্রেফ শান্তিপূর্ণভাবে ক’টি পূজা-অর্চনা-আরতি প্রভৃতি নিজ নিজ মন্দিরে সমাধা করার জন্য এত পুলিশি ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিচ্ছে কেন? বাকি দিনগুলোর নিরাপত্তার নিশ্চয়তাই বা কোথায়? রাষ্ট্রের ইসলামিকরণের অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হিসেবেই যে উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদের উত্থান সম্ভব হয়েছে তা আগেই উল্লেখিত করেছি। সেই বীভৎস জঙ্গিবাদ আজ কিন্তু ব্যুমেরাং হয়েও ফিরে আসছে।

তাই আমরা দেখি, কখনো কখনো মসজিদ/ইমামকেও আক্রান্ত হতে এবং দেখি বৃহৎ মুসলিম উৎসবের ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা প্রভৃতিও ব্যাপক পুলিশি প্রহরাধীনে আয়োজিত হতে। শুধু এটা নয় যে, পুরোহিত এবং মন্দিরই আক্রান্ত হচ্ছে-বাস্তবে ইসলামি ধর্মীয় উৎসব এবং ইমামদেরও নিরাপত্তহীনতার উদ্ভব ঘটেছে। আর এটি হচ্ছে জঙ্গি মুসলিমদের ক্রিয়াকলাপের ফলেই। এই রোগের নিরাময়ের জন্য প্রয়োজন বহুমুখী উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা। প্রথমেই আমাদের রাষ্ট্রকে করে তুলতে হবে পরিপূর্ণভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অর্থাৎ- এক. সংবিধান থেকে ‘বিসমিল্লাহ’ জামায়াতে ইসলামী ও অপরাপর ধর্মভিত্তিক সংগঠনের বৈধতা এবং রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করতে হবে। দুই. অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত করে ওই সম্পত্তিগুলোর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া জরুরি ভিত্তিতে ডিসেম্বর, ২০১৬-এর মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে; তিন. ২০০১ এবং তার পরবর্তীতে অদ্যাবধি সংঘটিত সব সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিচার এবং তার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল অবিলম্বে গঠন; চার. সব মন্দির/মসজিদ ভাঙচুর, পুরোহিত/ইমাম হত্যা ও তাদের ওপর হামলা ও হত্যার হুমকির বিচারের ব্যবস্থা গ্রহণ ও সেগুলো বাবদ উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং পাঁচ. সব যুদ্ধাপরাধীর তাবৎ সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুক‚লে বাজেয়াপ্ত করে তা মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে উৎসর্গ করা। এভাবেই দুর্গোৎসবসহ সব ধর্মীয় উৎসব অনেকাংশে নিরাপদে করা সম্ভব।

 

রণেশ মৈত্র : রাজনীতিক, কলাম লেখক।

 

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71