রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯
রবিবার, ২রা আষাঢ় ১৪২৬
 
 
‘অমর একুশের’ প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
প্রকাশ: ১২:২৩ pm ২১-০২-২০১৯ হালনাগাদ: ১২:২৩ pm ২১-০২-২০১৯
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা পার হতেই বেজে উঠল গানের সুর, “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী/ আমি কি ভুলিতে পারি”। বিনম্র শ্রদ্ধা, যথাযথ মর্যাদা ও পূর্ণ ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে জাতি ভাষা শহীদদের স্মরণের মাধ্যমে ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ পালন শুরু করেছে।

অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তারপর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও শ্রদ্ধা জানান শহিদ মিনারে।

‘অমর একুশের’ প্রথম প্রহরে সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারদের স্মরণ করলো বাংলাদেশ
 ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৯

দ্য ওয়াল ব্যুরো : সেজে উঠেছে শহিদ মিনার। দেওয়া হয়েছে আলপনা। ঘড়ির কাঁটা রাত ১২টা পার হতেই বেজে উঠল গানের সুর, “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী/ আমি কি ভুলিতে পারি”। ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে মাতৃভাষার জন্য শহিদ হওয়া সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারদের স্মরণ করলো বাংলাদেশ।

রাত্রি ১২টা ০১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদ শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। তারপরেই শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পুস্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয় ভাষা আন্দোলনের শহিদদের। প্রধানমন্ত্রীর পর পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। তারপর বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামী লিগের কেন্দ্রীয় নেতারাও শ্রদ্ধা জানান শহিদ মিনারে।

একুশের প্রথম প্রহরে শহিদ মিনার চত্বরে ছিল চার স্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন ছিল ছ’হাজার পুলিশ। শহরের বেশ কিছু রাস্তা বুধবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। সরকার থেকে ঘোষণা করে দেওয়া হয়, চানখাঁরপুল, বকশীবাজার, নীলক্ষেত, পলাশী, শাহবাগ, হাইকোর্ট ক্রসিং, রোমানা চত্বর এলাকা দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ছাড়া কোনও গাড়ি ঢুকতে পারবে না। আগত মানুষদের দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করা হয় হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে।

প্রসঙ্গত, ১৯৫২ সালে আজকের দিনেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন দমন করতে জারি হওয়া ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন ছাত্ররা। ছাত্রদের মিছিলে গুলি চলে। শহিদ হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সালাম, রফিক, বরকত ও জব্বার। মাতৃভাষার দাবিতে শহিদ হওয়া এই ছাত্রদের স্মরণেই প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি সেজে ওঠে শহিদ মিনার। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার ফুলে ঢেকে যায় শহিদ বেদি। প্রত্যেক বাঙালির মন গেয়ে ওঠে, “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী/ আমি কি ভুলিতে পারি”।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71