শনিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০১৯
শনিবার, ৬ই মাঘ ১৪২৫
 
 
প্রাথমিক স্কুলে দুপুরে খাবার বিতরণে নীতিমালা তৈরি
প্রকাশ: ০৫:৩৭ pm ১৩-০৩-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:৩৭ pm ১৩-০৩-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


সারা দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি (মিডডে মিল) চালু করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, যা এপ্রিল মাস থেকে বাস্তবায়নের কথা। এটি স্থায়ীভাবে পরিচালনা করতে ইতোমধ্যে স্কুল ফিডিং খসড়া নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে এ নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

জানা গেছে, শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রতিদিন দুপুরে স্কুল টিফিন হিসেবে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম চালু করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে স্কুলে শিক্ষার্থী উপস্থিতি বৃদ্ধি পাবে, ঝরে পড়া কমে আসবে। এ কার্যক্রম স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্থায়ীভাবে পরিচালনা করতে একটি নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। সাত পৃষ্ঠার এই খসড়া নীতিমালার বিষয়ে উন্মুক্ত মতামত গ্রহণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিশুদের সব চাহিদা পূরণ ও শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। এ প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সারা দেশে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ এর শিক্ষা-লক্ষ্য অর্জন ও মধ্যম আয়ের দেশের পথে অগ্রযাত্রা শুরু হবে। এতে বলা হয়, দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের মূল ভিত্তি হচ্ছে শিশু জনসমষ্টি, যারা প্রাক-প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে অধ্যয়ন করে। বর্তমানে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে দুটি শিফট চালু করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘ সময় শিক্ষার্থীরা স্কুলে উপস্থিত থাকতে চায় না। এজন্য দুপুরে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করা হলে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে স্কুল ফিডিং নীতির আওতায় এনে তাদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত; শিশুদের গুণগত মান বৃদ্ধিসহ গ্রাম ও শহরের ধনী-গরিবের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে শিক্ষার মানের পার্থক্য দূরীকরণ; শিশুদের ক্ষুধা নিবারণ ও পুষ্টি সহায়তার ফলে তাদের মেধার উৎকর্ষ সাধন, চিন্তা ও কল্পনা শক্তির বিকাশ, সৃজনশীলতা ও উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিপূর্বক তাদের দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদে পরিণত করা। এছাড়া প্রাথমিক স্তরে শতভাগ শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে ভর্তি, উপস্থিতির হার বৃদ্ধি ও পাঠে মনোযোগী এবং ঝরে পড়া রোধ করা সম্ভব হবে। প্রতিবন্ধী শিশুদের এর আওতায় আনা হবে। এনপিও, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকসহ বিভিন্ন স্তরের সংগঠনকে এ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করা হবে। অর্থায়নের বিষয়ে বলা হয়েছে, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকারি বার্ষিক বরাদ্দ ও অন্যান্য সূত্র থেকে সংগৃহীত অর্থ এ কর্মসূচিতে জোগান দেয়া হবে।

আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71