সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
বউ-শ্বাশুড়ি বিহীন নিস্তব্ধ দালানঘর
প্রকাশ: ০১:৫৩ pm ২০-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ০১:৫৩ pm ২০-০৫-২০১৮
 
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
 
 
 
 


নবীগঞ্জ উপজেলার আলোচিত বউ-শ্বাশুড়ি হত্যার পর নিস্তব্ধ হয়ে রয়েছে বউ-শাশুড়ি বিহীন শতহাত লম্বা ইট-সিমেন্ট ও বালু দিয়ে গড়া দালান ঘর। 

বাড়িটি ৬টি রুম ও একটি বিশাল বারান্দা বেষ্টিত। বাড়ির দক্ষিণ পাশে বেশ গাছপালায় ভরপুর। বাড়ির উত্তর দিকে বারান্দা থেকে মনোরম পরিবেশ সবুজ-শ্যামল ঘেরা পাকা ধানের ফসল দেখা যায়। শতহাত লম্বা বাড়িতে প্রায় দেড় বছর ধরে বসবাস করে আসছেন রাজা মিয়ার স্ত্রী ও লন্ডন প্রবাসী আখলাক চৌধুরীর মা মালা বেগম(৫২) ও আখলাক চৌধুরীর স্ত্রী রুমি আক্তার(২২)। এত বড় বাড়িতে শুধু বউ-শ্বাশুড়ি থাকার ফলে সবসময় নিরব পরিবেশ বজায় থাকতো। বাড়িতে দুটি কলাপসিবল গেইট রয়েছে এর মধ্যে উত্তর পাশের গেইট সবসময় তালা দিয়ে বন্ধ করা থাকে। এবং অপর গেইটও তালা দিয়ে বন্ধ করে রাখা হতো। এত বড় বাড়িতে শুধু বউ-শ্বাশুড়ি একা থাকতেন বলে সবসময় ভয় কাজ করতো আর সেজন্যই পরিচিত কেউ ছাড়া গেইট খুলে দিতেন না মালা বেগম ও রুমি আক্তার। সবসময় বউ-শ্বাশুড়ি গৃহবন্ধীদের মতো জীবনযাপন করলেও ছিলেন হাসিখুশি ও সুখে শান্তিতে। কিন্তু সুখ চিরস্থায়ী থাকেনা সেটাই বাস্তবে রূপ নিলো। শতহাত লম্বা বাড়ির প্রতিটি অংশ জুড়েই এখন শুধু বউ-শ্বাশুড়ির স্মৃতি বিজড়িত। 

১৩ মে রাতে উপজেলার সাদুল্লাপুর গ্রামে নির্মম ভাবে এলাকার বখাটে জাকারিয়া আহমেদ শুভ ও পাশ্ববর্তী বাড়ির কাজের ছেলে আবু তালেব এর হাতে প্রাণ হারাতে হয় বউ-শ্বাশুড়িকে। বাড়ির বারান্দা ও শয়ন কক্ষে এখনো বউ-শাশুড়ির রক্ত পড়ে আছে। আটকের তিনদিন ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আখলাক চৌধুরীর স্ত্রী রুমিকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জানায় বখাটে শুভ ও তালেব। 

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শম্পা জাহানের আদালতে ১৬৪ ধারায় আসামীরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় জাকারিয়া আহমেদ শুভ ও আবু তালেব। পরে তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয় ।

এসসি/বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71