মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯
মঙ্গলবার, ৫ই চৈত্র ১৪২৫
 
 
বঙ্গমাতা মেমোরিয়াল স্বর্ণপদক পেলেন ৬ ঢাবি ছাত্রী
প্রকাশ: ০৬:০৬ pm ০৯-০৮-২০১৭ হালনাগাদ: ০৬:০৬ pm ০৯-০৮-২০১৭
 
 
 


২০১৭ সালের বঙ্গমাতা মেমোরিয়াল স্বর্ণপদক ও বৃত্তি পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ ছাত্রী। ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃতী ছাত্রীদের হাতে স্বর্ণপদক ও বৃত্তির চেক তুলে দেন।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ডের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ই আগস্টের মর্মান্তিক ঘটনা ও ৩০ লাখ শহীদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বিবেক হচ্ছে সবচেয়ে বড় আদালত। বিবেক থাকলে আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। মানুষ হিসেবে আমরা চলাফেরা করছি  কিন্তু আমাদের বিবেক কাজ করবে না-এটা হতে পারে না।

বঙ্গমাতা প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের বিবেক ছিল অসাধারণ। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সহযোদ্ধা। তাঁর আত্মপ্রত্যয়ী, দৃঢ়চেতা, বুদ্ধিদীপ্ত ও দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি এবং পরামর্শ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে জটিল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করেছে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘসময় জেলে বন্দী অবস্থায় তার পরিবার, দেশ কারো খোঁজ নিতে পারতেন না। এমন সংকটময় সময়ে বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করেছেন। তার পরিবারকে দেখাশোনা করেছেন। কখনো হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েননি। স্বাধীনতার প্রশ্নে তিনি ছিলেন আপোসহীন নারী। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি তার ঘরের আসবাবপত্র পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছেন এমন নজিরও আমাদের সামনে আছে। উপাচার্য বঙ্গমাতার জীবন ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য কৃতী ছাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান। পরিশেষে তিনি স্মারক বক্তা রবীন্দ্র চেয়ার অধ্যাপক মহুয়া মুখোপাধ্যায়কে তাঁর বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানান।

‘আমার মুক্তির আলোয় আলোয়’ শীর্ষক বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মারক বক্তৃতায় রবীন্দ্র অধ্যাপক ড. মহুয়া মুখোপাধ্যায় উনিশ শতককে বাংলার নারী জাগরণের যুগ এবং বিংশ শতককে নারীর আত্মপ্রতিষ্ঠার যুগ হিসেবে উল্লেখ করেন। একইসাথে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ অবধি মেয়েদের বিভিন্ন ভূমিকার বিষয় উপস্থাপন করেন।

আরডি/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71