সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮
সোমবার, ৫ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
বর্নাশ্রম ধর্ম কি?
প্রকাশ: ০৫:০৪ pm ১৭-০৬-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:০৪ pm ১৭-০৬-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন স্বধর্মে নিধনং শ্রেয় পরধর্ম ভয়াবহ। স্বধর্ম বলতে মানুষের বর্নাশ্রম ধর্মকে বুঝায়। সমাজকে সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার জন্য বিচিত্র মানুষের গুন ও কর্ম বৈশিষ্ট্যানুসারে ভগবান চার বর্ন - - ব্রাহ্মন, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র এবং চার আশ্রম - - ব্রহ্মচর্য, গার্হস্হ, বানপ্রস্হ ও সন্ন্যাস--এইভাবে বর্নাশ্রম ধর্ম সৃষ্টি করেছেন। বৈদিক ভারতবর্ষে এই চারটি আশ্রম ব্যবস্থা ছিল। প্রথম ২৫ বছর গুরু গৃহে থেকে ব্রহ্মচর্য শিক্ষা, তারপর বিবাহ করতে চাইলে গুরুদেবের নির্দেশে গৃহে এসে বিবাহ করে গৃহস্হ জীবনের নিয়ম কানুন ও দায় দায়িত্ব মেনে চলা, তারপর ৫০ বছর বয়সে কন্যাদের বিবাহ দিয়ে যোগ্য পুত্র সন্তানের হাতে সংসারের দায়িত্ব দিয়ে বানপ্রস্হ জীবনে প্রবেশ করা। স্ত্রী ইচ্ছা করলে পতির সাথে যেতে পারতেন । তারপর ৬৫-৭০ বছর বয়সে একাকী সন্ন্যাসী হয়ে ভক্তি শিক্ষামৃতে আত্মনিয়োগ করে সারা দেশ পরিভ্রমন করে কৃষ্ণ ভক্তি শিক্ষা দিতেন। এরপর সম্পুর্ন কৃষ্ণ পাদপদ্মে মন স্থির করে দেহ ত্যাগ করে ভগবদ্ধামে উন্নিত হতেন। 

বর্তমানে এই কলিযোগে নানান জটিল সমস্যা সর্বোপরি মানুষ স্বল্পায়ু বিধায় বর্ণাশ্রম ধর্মের উপযোগিতা আর নাই বললেই চলে। চারটি বর্ন প্রথা ব্রাহ্মন ক্ষত্রিয় বৈশ্য ও শূদ্র যা আছে তা গীতায় যেভাবে বলা আছে সেভাবে চলছে না। জন্মগত ভাবেই এখনো চলছে। যদিও জন্মগত বর্ন প্রথার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভাবে আন্দোলন হচ্ছে। এই জাতপাতের জন্য ধর্মে বিভাজন। কোন ভাবেই ঐক্যবদ্ধ হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ শাস্ত্রীয় বর্ন প্রথা এবং বর্নাশ্রম প্রথা কলিযোগে অচল। তাই সংসার জীবনের সব দায় দায়িত্ব স্বীকার করে যারা কৃষ্ণ ভজনে ব্রতী হয়েছেন তারাই ধন্য।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71