বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৩০শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
বাঁশের তৈরি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ
প্রকাশ: ০৫:২৩ pm ২১-১০-২০১৮ হালনাগাদ: ০৫:২৩ pm ২১-১০-২০১৮
 
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
 
 
 
 


কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলা বড়ভিটা ইউনিয়নে উত্তর বড়ভিটা গ্রামের কয়েকটি পরিবারে জীবিকা নির্বাহের প্রধান উপকরণ হচ্ছে বাঁশ। 
গ্রামীন সংস্কৃতির ঐতিহ্য বাঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে হাজি, কুলা, ডালি, ঘোরপা, চাইলন, ঢালা, পানডালা চাটাই, খেলনার জিনিস পত্র, কালমদানি, মাছধরার টেপাই, ঠুশি ইত্যাদি পণ্য বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। 

বড়ভিটা ইউনিয়নে উত্তর বড়ভিটা গ্রামের ০৫ ওয়ার্ডে বাসিন্দা বাঁশ দিয়ে তৈরী করার কারিগর মোঃ লিয়াকত আলী (৬০) , মোঃ আঃ আউয়াল (৬৫) বলেন, আমরা কারো কাছ থেকে প্রশিক্ষণ পাইনি। তবে বাপ-দাদা কাছ থেকে শিখেছি বাঁশ দিয়ে তৈরী কৌশল। কিন্ত একে একে বিলীন হচ্ছে প্রয়োজনীয় এই বাঁশ ও বাঁশঝাড়। 

চাটাই বিক্রেতা মোঃ আব্দুল সোবহান (৫৪) বলেন- কৃষকের কাছ থেকে কিনলে প্রতি বাঁশে খরচ পড়ে ১৫০-১৮০ টাকা। একটি বাঁশ দিয়ে প্রায় ৪০০-৪৫০ টাকার পন্য তৈরি করা যায়। ৩ জন ১-২ টি চাটাই তৈরি করে ১ দিনে। ১ হাত চাটাই তৈরির মূল্য ৪০০-৫০০ টাকা। বাঁশ দিয়ে তৈরী একটি মোড়ার মূল্য ২৫০ টাকা, ১ জোড়া মাছধরা টেপাই এর মুল্য ৬০০ টাকা, ঘোরপার মূল্য ১৩০-১৪০ টাকা, কুলার মুল্য ৫০-৭০ টাকা। 

উত্তর বড়ভিটার বাঁশ কারিগর লিয়াকত আলী বলেন এটি একটি সম্ভবনাময় ক্ষুদ্র শিল্প। এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বাঁশের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের শোরুম নির্মাণের পাশাপাশি প্রতি বছরে এসব নিয়ে মেলার প্রয়োজন করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে বাঁশের তৈরী শিল্পের কদর বাড়বে। গ্রামাঞ্চলে বেকারের সংখ্যা কমবে। সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান। আবার বাঁশের আবাদ দিনে দিনে কমে যাওয়ার ফলে বাঁশে এর মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বাঁশ আবাদ করতে সবাইকে উৎসাহ নিতে হবে।  

নি এম/রতি কান্ত

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71