বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৩০শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞানীর অনন্য উদ্ভাবন
প্রকাশ: ০৭:১৩ am ২৭-০৫-২০১৭ হালনাগাদ: ০৭:১৩ am ২৭-০৫-২০১৭
 
 
 


শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক::  স্থূলতা, হাইপার কোলেস্টারোলেমিয়া ও ডায়াবেটিস। বিশ্বব্যাপী জটিল রোগগুলোর মধ্যে এগুলো অন্যতম। এসব রোগ নিয়ে চলছে নিরন্তর গবেষণা। তবে বাংলাদেশের এক তরুণ বিজ্ঞানীর উদ্ভাবন অণুজীববিজ্ঞানীদের গবেষণায় এনে দিয়েছে নতুন মাত্রা। এই জটিল রোগগুলো মেটাবোলিক উপসর্গজনিত। এতদিন ধরে এসব রোগের কারণ জানা ছিল না। দীর্ঘ পাঁচ বছর গবেষণা করে সেই কারণ আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞানী ড. কে.বি.এম. সাইফুল ইসলাম। তিনি জাপানের হোক্কাইডো ইউনিভার্সিটিতে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে এ গবেষণা করেন।                ইঁদুরের উপর গবেষণা করে এই বিজ্ঞানী প্রমাণ করেন যে, সামপ্রতিক সময়ের বহুল আলোচিত বিভিন্ন মেটাবোলিক উপসর্গজনিত রোগসমূহ এবং অন্ত্রস্থ ব্যাকটেরিয়ার পারস্পরিক  সম্পর্ক মূলত একটি শারীরবৃত্তীয় নিঃসরণ (পিত্তরস, যার নিঃসরণ উচ্চমাত্রার চর্বিযুক্ত খাবারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তার এই মৌলিক আবিষ্কার যুক্তরাষ্ট্রের ‘আমেরিকান গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ তাদের প্রকাশিত ‘গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি’ (www.gastrojoual.org) জার্নালে প্রকাশ করেছে।

 

এই বিষয়ে তথ্য উপস্থাপন করে তরুণ এ বিজ্ঞানী পেয়েছেন ‘এশিয়ান ইয়ং ল্যাব সায়েনটিস্ট এওয়ার্ড’। তিনি বলেন, পিএইচডি গবেষণায় তার আবিষ্কার ও ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়ার উপর ৬ষ্ঠ এশিয়ান সম্মেলনে এ পুরস্কার পান। তিনি আরো জানান, আবিষ্কারটি হোক্কাইডো ইউনিভার্সিটির এগ্রিকালচারাল ফ্যাকাল্টির বিগত ১৩৫ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরধারী জার্নালে প্রকাশিত হবার গৌরব অর্জন করেছেন।

 

এ ছাড়া ড. সাইফুল ইসলাম স্বীকৃতি পেয়েছেন ‘ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মাইক্রোবায়োলজিক্যাল সোসাইটি (আইইউএমএস), জাপান সোসাইটিস ফর ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়া (জেএস ল্যাব ও  এশিয়ান ফাউন্ডেশন অফ সোসাইটিস ফর ল্যাকটিক এসিড ব্যাকটেরিয়া (এএফএস ল্যাব) কর্তৃক। এএফএস ল্যাব-এর চেয়ারম্যান ও সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ইয়ান কুন লী এবং এসি ল্যাব-৬ এর চেয়ারপার্সন ও ইশিকাওয়া প্রিফেকচুরাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক কেনজি ইয়ামামাতো স্বাক্ষরিত সনদ প্রদান করা হয়েছে তাকে।

 

সাইফুল ইসলাম মাদারীপুরের আলাউদ্দিন আহমেদ ও সৈয়দা সামসুন্নাহারের একমাত্র পুত্র। তার জন্ম ১৯৭৮ সালে। তিনি বর্তমানে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। তিনি বলেন, এতদিন আমরা জানতাম ব্যাকটেরিয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্ষতিকর। বর্তমানে বেছে বেছে প্রো-বায়োটিক বা উপকারী ব্যাকটেরিয়া মানুষ ও যাবতীয় প্রাণীকূলের উপকারে ব্যবহার করা যাবে। যে প্রাণীই প্রো-বায়োটিক ভক্ষণ করবে, তার শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে, এতে ওই প্রাণী উপকৃত হবে।

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71