বুধবার, ১৯ জুন ২০১৯
বুধবার, ৫ই আষাঢ় ১৪২৬
 
 
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও শেখ হাসিনা
প্রকাশ: ১০:৩২ am ০২-১২-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:৩২ am ০২-১২-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ক্ষমতাসীন আওয়ামী দলের সুযোগ্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিতা মুজিবের এক অনন্য আদর্শ। বঙ্গবন্ধু পরবর্তী বাংলাদেশের হাল অনেক সরকারই ধরেছেন। কেউই টিকে থাকতে পারেন নি। অরাজকতা হয়েছে, সেনা শাসন এসেছে। দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি চাপে পড়েছে। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এদেশ পেয়েছিল নিষ্ঠাবান, সৎ এবং দূরদর্শী এক নারী নেত্রীকে। তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা, এদেশের গরীব দুঃখী মেহনতি মানুষের আস্থার জায়গা, বিশ্ব নারী রাজনীতিবিদদের মধ্যে অন্যতম মাননীয় শেখ হাসিনা। পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে তিনি হাল ধরেছেন তার কর্মীদের নিয়ে। স্বপ্ন দেখিয়েছন দেশের জনগণকে এবং তিনি তা পূরণও করে চলেছেন। ২০০৯ সালে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন। বাংলাদেশ উন্নয়নের এক নতুন মাত্রা পায়। জাতিসংঘ যে সহস্রাব্দ লক্ষ্য মাত্রা দিয়েছিল সেখানে ৮ টি বিষয় চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছিল এবং বলা হয়েছিল স্বল্পোন্নত দেশগুলো ২০১৫ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত করবে। শেখ হাসিনা সরকার এই ৮ টি লক্ষ্য মাত্রা সময়মতো পূরণ করেছে। দারিদ্র্যতার হার কমেছে, এখন আর কেউ না খেয়ে থাকে না। শিক্ষার হার বেড়েছে ।নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নারী ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে ।শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার অনেক কমে গেছে। কৃষি ক্ষেত্রেও ব্যাপক বিপ্লব ঘটেছে।এদেশের মানুষও দিন দিন প্রযুক্তি নির্ভর হচ্ছে। দেশের প্রায় ৫ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি উদ্যোগে কম্পিউটার ল্যাব করা হয়েছে। দেশের প্রতিটি উপজেলায়, ইউনিয়নে তথ্য ও সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করে মা ও শিশুর চিকিৎসা সুলভ করা হয়েছে। বাংলাদেশ যেভাবে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আগামী ২০২১ সালের মধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশো পরিণত হবে। 

এই সরকারের সাম্প্রতিক অর্জনের মধ্যে রয়েছে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ শুরু, মেট্রোরেল নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ইত্যাদি। এছাড়া এই সরকারের বড় অর্জন হচ্ছে ভারত ও মায়ানমারের সাথে সমুদ্র বিজয়। ভারতের সাথে ছিটমহল সংকট সমস্যার সমাধান। এছাড়াও এই সরকার মায়ানমারে নির্যাতিত লাখ লাখ মুসলমান রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্ব দরবারে এদেশকে মানবিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছে। এদেশের মাথাপিছু আয় বেড়েছে, অর্থনীতির চাকা সচল হয়েছে।দেশি বিদেশী বিনিয়োগ বেড়েছে।প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতেও বিদ্যুৎ পৌছেছে। রাস্তাঘাট সংস্কার,বর্ধন হয়েছে। গ্রামের মাটির পথগুলোও পাকা করা হয়েছে। পরপর দুই বার ক্ষময়তায় থাকায় এ সরকার তাদের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ ও সময় পেয়েছে। আমাদের দেশে রাজনীতির একটা ফ্যাশন হলো- এক সরকার ক্ষমতায় এসে যে সব উদ্যোগ হাতে নেন,সবগুলো এক মেয়াদে বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গুলো অর্ধেক অথবা তারও কম বাস্তবায়ন হয়ে থাকে। পরের বার অন্য সরকার ক্ষমতায় আসার পর আগের সরকারের নেওয়া পরিকল্পনাগুলো বাদ দিয়ে দেয়। এমনকি পূর্বের সরকারের অর্ধেক অথবা শুরু করে যাওয়া চলমান কাজগুলোও বাতিল করে দেয়।এরফলে দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হয়।জনগণের ভোগান্তি বাড়ে।তাই দীর্ঘমেয়াদী সরকার  উন্নয়ন করার সুযোগ পায় বেশি।বর্তমান সরকার যদি আরও স্থায়ী হয় তাহলে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। বিশ্ব দরবারে এই দেশকে পরিচিত করিয়েছেন এই সরকার।শেখ হাসিনা তার যোগ্য নেতৃত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেক উপাধি এবং সম্মাননা পেয়েছেন।এ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। স্বল্প ভূখণ্ডের এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে শেখ হাসিনার মতো বলিষ্ঠ, দুরদর্শী নেতৃত্ব প্রয়োজন। যে সরকার দেশ ও জনগণের জন্য কাজ করবে, জনগণ সে সরকারের পাশেই থাকবে। শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনা করে যাচ্ছে। দেশের সার্বিক উন্নয়ন এবং অর্জনে এ সরকারের ভূমিকা অপরিহার্য।

নি এম/
হাবিবুল্লাহ আল মারুফ
আইন ও বিচার
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71