বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯
বৃহঃস্পতিবার, ৯ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
 
 
যদি একটিবার বাড়ি যেতে পারতাম
বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ ইচ্ছা কি পূরণ হবে?
প্রকাশ: ০২:৩২ pm ২৩-০১-২০১৮ হালনাগাদ: ০২:৩২ pm ২৩-০১-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক:
 
 
 
 


মেয়ে -জামাইকে দেখতে মন চাইছিল বাণী বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু তারা থাকে বিদেশে। একমাত্র নাতনীকে দু চোখ ভরে দেখতে মনটা ছটফট করছিল। মেয়ে মৌসুমি আর জামাই শুভজিৎ আর না করেননি। বাণী কলকাতা থেকে ছুটলেন নিউ জার্সি। বেশ সময় কাটাচ্ছিলেন সেখানে। কিন্তু মাস চারেক না যেতেই জীবনে কালো মেঘ নেমে এলো। 

একদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরই বমি হলো বাণীর। হাসপাতালে নিয়ে যেতেই চিকিৎকরা জানালেন, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটেছে। পরিস্থিতি সঙ্কটজনক হওয়ায় মাউন্ট হোলি হাসপাতাল থেকে পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় তাকে। কোমায় চলে গেলেন তিনি। মাকে নিয়ে মেয়ে-জামাইয়ের দৌড়ঝাঁপ শুরু হলো। চিকিৎসার কল্যাণে শেষপর্যন্ত চোখ খুলেছেন বাণী। কিন্তু এখনও তিনি এক ডে কেয়ার সেন্টারে ভর্তি। কদাচিত চোখ মেলছেন। সে চোখের একটাই ভাষা, যদি একটিবার বাড়ি যেতে পারতাম! 

চিকিৎসকরা দুঃসংবাদ দিয়েছেন। এই অবস্থা থেকে বাণীর অবস্থা আরো ভালো হওয়ার সুযোগ কম। দেশেই নিতে হবে তাকে। কিন্তু সেখানেই দেখা দিয়েছে আর এক সঙ্কট। যাবতীয় মেডিক্যাল সাপোর্ট দিয়ে বেসরকারি বিমানে মাকে কলকাতায় ফেরাতে আমেরিকার সংস্থা নেবে প্রায় দেড় লক্ষ ডলার। আর ভারতীয় সংস্থা বাণিজ্যিক বিমানে ন্যূনতম ৪০ হাজার ডলার বা ২৮ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা লাগবে। আর যাবতীয় মেডিক্যাল সাপোর্ট দিয়ে তাকে কলকাতায় পাঠানো সম্ভব নয়। 

বছর তিনেক আগে একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার চাকরি নিয়ে কলকাতা থেকে আমেরিকায় পাড়ি দিয়েছিলেন শুভজিৎ। হঠাৎ বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো আসা শাশুড়ির অসুস্থতায় খরচ করে ফেলেছেন সবটুকু জমানো অর্থ। কেননা আমেরিকায় চিকিৎসা তাদের এখনও কিনতে হয়। এ নিয়ে বড় বিপদে আছে পরিবারটি। মায়ের হয়তো এটাই শেষ ইচ্ছা- একটিবার বাড়ি ফিরতে চান তিনি।
সূত্র : এই সময় 

নি এম/ 

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71