বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮
বুধবার, ১১ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
বাতিল হচ্ছে চাকরির কোটা পদ্ধতি, প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে
প্রকাশ: ১১:০৫ am ১১-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ১১:০৫ am ১১-০৫-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী শেষাবধি সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল হচ্ছে। যদিও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে কোটা সংস্কার নিয়ে পর্যালোচনার একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ওই প্রস্তাব অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান সাংবাদিকদের বলেন, কমিটির রূপরেখা কর্মপদ্ধতিসহ একটি প্রস্তাব বুধবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন করলে কমিটি গঠন ও কার্যক্রম শুরু হবে। সকলের চাহিদার নিরিখে একটি সিদ্ধান্ত হবে বলে মন্তব্য করেন সচিব। তবে কমিটি যাই করুক না কেনো প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপনই জারি হবে। তারপর কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা ও বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

এদিকে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারে প্রজ্ঞাপন জারির জন্য বেঁধে দেওয়া সময় বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী আগামী রবিবার থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র আন্দোলন শুরুর কথা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১১ এপ্রিল জাতীয় সংসদে বলেন,  “বারবার এই আন্দোলন ঝামেলা মিটাবার জন্য কোটা পদ্ধতি বাতিল; পরিষ্কার কথা; আমি এটাই মনে করি, সেটা হল বাতিল।’ কোটার দরকার নেই। প্রতিবন্ধী ও নৃ-গোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা যাবে। অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণের আগেই আন্দোলনের শুরুতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠনের পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আন্দোলন পরিস্থিতি বিবেচনা করে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কার করলে আবার অন্য কেউ অসুবিধা মনে করে আন্দোলন শুরু করবে। তার দরকার কি। কোটা থাকারই দরকার নেই।

প্রধানমন্ত্রীর ওই ঘোষণার পর একমাস কেটে গেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়ন বা সংস্কার বিষয়ে প্রশাসনিক কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আন্দোলনকারীরা আবার রাজপথে।

পিএসসি সূত্র জানায়, গত দুটি পরীক্ষায় দেশের ৮টি জেলা থেকে মেধা কোটায় একজনও চাকরি পাননি। পরে জেলা কোটায় তারা চাকরি পেয়েছেন। জেলা কোটার প্রয়োজনীয়তা উল্লেথ করে পিএসসির একজন সদস্য বলেন, জেলা কোটা না থাকলে বৃহত্তর চট্টগ্রাম, ঢাকা ছাড়া  অন্যান্য জেলা থেকে বিসিএস-এ নিয়োগই পাবেন না। ফলে এক ধরনের বৈষম্য তৈরি হবে। 

২০০৮ সালে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আকবর আলি খান ও সাবেক সচিব (পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার) কাজী রকিব উদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের জনপ্রশাসনে কোটা ব্যবস্থার ওপর গবেষণা করে তা কমানোর সুপারিশ করেন।সূএ: ইত্তেফাক

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71