বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯
বৃহঃস্পতিবার, ১১ই মাঘ ১৪২৫
 
 
বাড়ছে পেঁয়াজ চিনির দাম 
প্রকাশ: ০৯:৫৪ am ০৯-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৫৪ am ০৯-০৫-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


রমজানের আগেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবেই গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ, রসুন ও শুকনা মরিচের দাম বেড়েছে। আর গত দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি চিনির দাম বেড়েছে ২ থেকে ৪ টাকা। অথচ রমজান উপলক্ষে এবার চাহিদার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি নিত্যপণ্যের মজুদ রয়েছে। পবিত্র রমজান শুরু হওয়ার মাত্র ১০ দিন আগে যৌক্তিক কোনো কারণ ছাড়াই বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় হতাশ ভোক্তারা।

এদিকে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি রোধে মাঠে নামছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। নিত্যপণ্যের অবৈধ মজুদ, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি মনিটর করবে তারা। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ১৪টি টিম বাজারে নজরদারি করবে। রমজানে কারসাজি করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ালে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সূত্র জানিয়েছে।

মঙ্গলবার টিসিবির হিসাবে রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়। কিন্তু এক সপ্তাহ আগে দেশি ও আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম ছিল যথাক্রমে ৩৮ থেকে ৪৫ টাকা ও ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। গত এক মাস ধরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির দাম বাড়ছে। এছাড়া প্রতি কেজি শুকনা মরিচের দাম ১০ টাকা বেড়ে ১৭০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রসুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। দেশি রসুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা ও আমদানিকৃত রসুন ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, রমজানে মূলত ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, খেজুর ও পেঁয়াজের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। ট্যারিফ কমিশনের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রতি বছর রমজানে ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকে আড়াই লাখ টন, চিনি ৩ লাখ টন, ছোলা ৮০ হাজার টন, খেজুর ১৮ হাজার টন এবং পেঁয়াজ ৪ লাখ টন। কিন্তু বর্তমানে দেশে ভোজ্যতেলের মজুদ রয়েছে ২২ দশমিক ৫৯ লাখ টন, চিনি ৪ দশমিক ৩৫ লাখ টন, ছোলা ৭ লাখ ৪৬ হাজার টন, খেজুর ৬৪ হাজার টন ও পেঁয়াজ ১৭ দশমিক ৯১ লাখ টন। গত মার্চ পর্যন্ত এলসি খোলা ও নিষ্পত্তির হিসাব ধরে মজুতের এ হিসাব দেওয়া হয়েছে। এ হিসাবে দেশে চাহিদার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি নিত্যপণ্যের মজুত রয়েছে। 

এছাড়া বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব পণ্যের দাম নিম্নমুখী। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের দাম কেজিপ্রতি ৬২ থেকে ৬৪ টাকা, ছোলা ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা, খেজুর প্রতি কেজি ৭০ টাকা, চিনি ৩৮ থেকে ৪১ দশমিক ৭৬ টাকা ও পেঁয়াজের দাম ১৮ টাকা ৬৫ পয়সা থেকে ২০ টাকার মধ্যে উঠানামা করছে। পেঁয়াজ আমদানির প্রধান উৎস ভারতের বাজারে কোনো অস্থিরতা নেই। দেশে উৎপাদনও হয়েছে পর্যাপ্ত। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71