শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮
শনিবার, ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়নি নেতাজির: ফরাসি ঐতিহাসিক
প্রকাশ: ১০:৫৩ pm ১৬-০৭-২০১৭ হালনাগাদ: ১০:৫৩ pm ১৬-০৭-২০১৭
 
 
 


নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ভারত সরকার এর আগে তিনটি কমিশন গঠন করেছিল।

শাহ নওয়াজ কমিটি (১৯৫৬) ও খোসলা কমিশন (১৯৭০) তাদের সিদ্ধান্তে জানায়, জাপানের তৎকালীন উপনিবেশ তাইপের তাইহোকু বিমানবন্দরে ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় নেতাজির। তবে ১৯৯৯ সালে মুখার্জি কমিশন আগের দুই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ভিন্নমত দেয়। মুখার্জি কমিশনের মতে, বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি নেতাজি। এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে তৎকালীন ভারত সরকার। কিন্তু সত্যানুসন্ধানে বিরত থাকেননি পণ্ডিতজনেরা।

প্যারিসভিত্তিক ইতিহাসবিদ জে বি পি মোর সম্প্রতি ফ্রান্সের গোয়েন্দাদের এমন একটি গোপন প্রতিবেদন খুঁজে পেয়েছেন, যাতে দেখা যাচ্ছে নেতাজির মৃত্যু বিমান দুর্ঘটনায় হয়নি। ফ্রান্সের জাতীয় সংগ্রহশালায় পাওয়া প্রতিবেদনের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ১৯৪৭ সাল এবং তখন পর্যন্ত নেতাজি বেঁচে ছিলেন। অর্থাৎ ১৯৪৫ সালে বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লেও ফরাসি গোয়েন্দাদের তথ্যমতে, তিনি ১৯৪৭ সালের শেষ নাগাদও জীবিত ছিলেন।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনের উল্লেখ করে ইতিহাসবিদ মোর বলেছেন, ‘তাইওয়ানে বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষ চন্দ্র বসু মারা গেছেন, এতে (প্রতিবেদন) তেমন কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। এর বদলে বলা হয়, ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বসু কোথায় অবস্থান করছিলেন, তা অজানা ছিল। এ থেকে এটিই আবার প্রতীয়মান হয়, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট বিমান দুর্ঘটনায় বসুর মৃত্যুর তত্ত্ব গ্রহণ করেনি ফ্রান্স।’

‘আর্কাইভ ইনফরমেশন অন সুভাষ চন্দ্র বোস’ নামে ফ্রান্সের জাতীয় সংগ্রহশালায় প্রতিবেদনটি সংরক্ষিত রয়েছে, যার নথি নম্বর : এসডিইসিই ইন্দোচায়নিজ বেস বিসিআরই নং. ৪১২৮৩ সিসাহ এক্স নং. ৬১৬।

মোর বলেন, ‘এই প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স লিগের প্রাক্তন প্রধান ও জাপানি সংগঠন হিকারি কিকানের সদস্য ছিলেন তিনি। এতে আরো বলা হয়েছে, তিনি ইন্দোচীন থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন কিন্তু কীভাবে তা বলা হয়নি।’

ব্রিটিশ ও জাপানিরা পরিষ্কার ভাষায় ঘোষণা দেয়, সাইগন থেকে টোকিও আসার পথে বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যু হয়। কিন্তু ১৯৪০-এর দশকে ভিয়েতনাম/ইন্দোচীন ফ্রান্সের উপনিবেশ থাকলেও এ ইস্যুতে নীরব ছিল দেশটি। সে হিসেবে মোরের অনুসন্ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জাপান আত্মসমর্পণ করলে এবং ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়লে, খুব দ্রুত সাইগনে পৌঁছায় ফ্রান্সের বাহিনী এবং সাইগনের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

তথ্যসূত্র : এনডিটিভি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71