সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
সোমবার, ৬ই ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
ইউএস-বাংলা ট্রাজেডি
বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতদের স্মরণে ডিইউপিএসের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন
প্রকাশ: ০৭:৫০ pm ১৮-০৩-২০১৮ হালনাগাদ: ০৭:৫০ pm ১৮-০৩-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় আলোকচিত্রী প্রিয়ক সহ সকল হতাহতদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সদস্য, দেশের খ্যাতনামা ফটোগ্রাফার, বিভিন্ন আলোকচিত্রী ক্লাব ও গ্রুপের প্রতিনিধিরসহ সর্বস্তরের মানুষ। উপস্থিত ছিলেন ফটোগ্রাফার আবীর আবদুল্লাহ, ইমাম হাসান, রোহান তানবীর সহ অন্যান্য আলোকচিত্রীরা।

Image may contain: 7 people, including Mimu Das

এ বিষয়ে আক্কাস মাহমুদ নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, বেদনার রঙ নীল.... প্রিয়ক প্রতিশ্রুতিশীল ও মেধাবী আলোকচিত্রী। ছোট্ট রাজকন্যা ও প্রিয়তমা জীবন সঙ্গীনিকে নিয়ে হিমালয়ের দেশ নেপালে পৌঁছেই গিয়েছিলেন প্রায়! তারপরেই বিশ্ব গণমাধ্যমের শোকের শিরোনাম! ছবির মানুষ নিজেই দেয়ালের ছবি হয়ে গেলেন আদরের ধন ছোট্ট রাজকন্যাকে বুকে নিয়ে, আমরা নিমিষেই হারিয়ে ফেললাম দেশের সম্ভবনাময় এক আলোকচিত্রীকে। বুক ভারি হয়ে যায় কষ্টে! ভালো থেকো প্রিয় প্রিয়ক সহ তোমরা যারা অকালেই চলে গেলে ওপারে...।

উল্লেখ্য, রবিবার ইউএস-বাংলার বিমানটি নেপালে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে। এ ফ্লাইটেই ছিলেন আলোকচিত্রী ফারুক হোসেন প্রিয়ক। পর্যটক হিসেবে স্ত্রী ও শিশু কন্যাসহ নেপালে ই এসময় তার সাথে ছিল তার মামাতো ভাই মেহেদী হাসান ও তার স্ত্রী সাঈদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা। কিন্তু নেপাল ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণ করার সাথে সাথেই বিমান বিধ্বস্ত হয়ে মারা যান ফারুক হোসেন প্রিয়ক, তার তিন বছর বয়সী একমাত্র শিশু কন্যা প্রিয়ন্ময়ী তামাররা।

আরপি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71