মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯
মঙ্গলবার, ৫ই চৈত্র ১৪২৫
 
 
বিলাসবহুল ফ্ল্যাট পাচ্ছেন লন্ডন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা
প্রকাশ: ০৮:৫৪ am ২২-০৬-২০১৭ হালনাগাদ: ০৮:৫৪ am ২২-০৬-২০১৭
 
 
 


আন্তর্জাতিক ডেস্ক::  লন্ডনে গ্রেনফেল টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিলাসবহুল ফ্ল্যাট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। বুধবার এই ঘোষণা দেয় দেশটির কমিউনিটিস এন্ড লোকাল গভার্নমেন্ট মন্ত্রণালয়। ওই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কেনিংসটোন রোতে ৬৮টি ফ্ল্যাটে এই ব্যবস্থা করেছে সরকার। বিলাসবহুল এই ফ্ল্যাটগুলোর মূল্য শুরু হবে ১৫ লাখ পাউন্ড থেকে। জুলাইয়ের শেষদিকেই এই ফ্ল্যাটগুলো নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে যাবে।  

 

১৪ জুন লন্ডনের টাওয়ার ব্লকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় ২৪ তলা ভবন গ্রেনফেল টাওয়ারে। এখনও প্রকৃত নিহতের সংখ্যা জানা যায়নি। নিশ্চিত হওয়া গেছে ৭৯ জনের মৃত্যু। ঘরহারা হয়েছেন শত শত মানুষ।

 

মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের তারা কিছু আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন ফলে খুব দ্রতুই কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের কমিউনিটস মন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বলেন, গ্রেনফেল টাওয়ারের বাসিন্দারা খুবই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গিয়েছে। তাদের সহায়তা করা আমাদের দায়িত্ব। যারা তাদের বাড়ি হারিয়ছেন আমরা খুব শিগরিরই তাদের জন্য নতুন আবাসনের ব্যবস্থা করবো যেন তারা নতুন করে জীবন শুরু করতে পারে।

কেনিংসটনের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ফ্ল্যাটের দাম ৮৫ লাখ পাউন্ড। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ফ্ল্যাটগুলো বিশেষ কোটা থেকে দেওয়া হচ্ছে। এতে আরও কিছু সুবিধা যুক্ত হবে। ভবনটিতে ২৪ ঘন্টা নিরাপত্ত কর্মী থাকবে, সুইমিং পুল, সনা, স্পা এবং প্রাইভেট সিনেমার ব্যবস্থাও থাকবে সেখানে। এগুলো অন্যান্য ভবগুলোতে থাকে না।

ভবন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বার্কলি গ্রুপের চেয়ারম্যান টনি পিজলি বলেন, ‘আমাদের তাদের প্রত্যেকের জন্য বাড়ি খুঁজতে হচ্ছিলো। তাদের বন্ধুদের কাছে, পরিচিতদের কাছে বাড়ি নির্মাণ করাই ছিলো বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা এই ফ্ল্যাটগুলো নির্মাণে দিনরাত পরিশ্রম করবো।’

এই ফ্ল্যাটগুলো বিভিন্ন ধরনের। কোনটিতে এক, দুই ও তিন বেডরুমের বিভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাট রয়েছে। এগুলো লন্ডন কর্পোরেশনের আওতাধীন। তাদের এক মুখপাত্র জানায়, ‘আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সাধ্যমতো করবো। আমার ইতোমধ্যে লন্ডনের সাতটি এলাকায় ৩ হাজার ৭০০টি বাড়ি তৈরি করেছি। কাউন্সিলে এই পরিকল্পনাগুলো আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড এখনও আগুন নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কমান্ডার স্টুয়ার্ট কান্ডি এক বিবৃতিতে বলেন, সেই ভয়াবহতার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত জানতে পুলিশ তাদের সাধ্যমতো কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমি জানি ক্ষতিগ্রস্তরা খুব সহজেই এই ভয়াবহতা কাটিয়ে উঠতে পারবে না।

ধারণা করা হচ্ছে নিষিদ্ধ ঘোষিত বৃষ্টি প্রতিরোধী ক্ল্যাডিং ব্যবহার করায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। 

 

এইবেলাডটকম/প্রচ

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71