শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮
শনিবার, ৭ই আশ্বিন ১৪২৫
 
 
বিশ্বের সবচেয়ে পবিত্রতম স্থান জম্মু কাশ্মীরের মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দির
প্রকাশ: ০৫:০৭ pm ১৫-১১-২০১৭ হালনাগাদ: ০৫:০৭ pm ১৫-১১-২০১৭
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


মাতা বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে মায়ের দর্শন পেলে জীবনের সমস্ত চাওয়া পাওয়া নাকি পূরণ হয়ে যায়৷ হিন্দুদের অন্যতম তীর্থস্থান এটি৷ জম্মু কাশ্মীরের কাটরাতে অবস্থিত এই মন্দিরটিকে ঘিরে রয়েছে আশ্চর্য বেশ কিছু তথ্য৷

প্রতিবছর এই মন্দিরে লক্ষ লক্ষ ভক্ত আসেন পুজা দেওয়ার জন্য৷ এই মন্দির দর্শনে যান যখন ভক্তরা তখন বৈষ্ণোমাতার ভক্তদের মুখে একটি কথা বিশেষ প্রচলিত রয়েছে৷ যেটি হল, ‘চল বুলায়া আয়া হ্যা, মাতা নে বুলায়া হ্যা’৷ এই মন্দিরের কালী ঠাকুরের দর্শন পেলেই মানুষের সমস্ত ইচ্ছে নাকি পূরণ হয়ে যায় মায়ের আশীর্বাদে৷

কথিত আছে, ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত একটি ছোট্ট গ্রামে জন্ম হয়েছিল ত্রিকুতা৷ রত্নাকর সাগর এবং তাঁর স্ত্রী বিয়ের পর নিসন্তান ছিলেন দীর্ঘদিন৷ একটি সন্তানের জন্য আকুল হয়ে উঠেছিলেন তারা৷ অবশেষে তাদের কোলে জন্ম নেয় এক ফুটফুটে কন্যা সন্তান৷ যদিও জন্মের পরই ওই দম্পতি শপথ নিয়েছিলেন ওই মেয়ের ভবিষ্যতের উপরে কোনও হস্তক্ষেপ করবেন না তারা৷ ওই ফুটফুটে কন্যা সন্তানই পরবর্তীকালে বৈষ্ণদেবী নামে পরিচিত হন৷ মাত্র নয় বছর বয়সে সে নদীর পারে রাম এবং বিষ্ণুকে তুষ্ট করার জন্য প্রায়শ্চিত্ত করেন৷ রাম এবং বিষ্ণু দুজনেই সন্তুষ্ট হয়ে আশীর্বাদ করেন বৈষ্ণবদেবীকে৷

ত্রিকুটাতে রামের নির্দেশে একটি গুহা তৈরি করেন বৈষ্ণদেবী এবং সেখানেই থাকতে শুরু করেন৷ তার নিরাপত্তার জন্য রাম তাকে একটি সিংহ, হনুমান এবং তিরধনুক দেয়৷ এরপর ওই মন্দিরেই থাকতে শুরু করেছিলেন বৈষ্ণোদেবী। পরবর্তীকালে তাকেই পুজা করা হয় মা বৈষ্ণদেবী রূপে৷ কিন্তু কিভাবে এমন একটি দুর্গম স্থানে থাকতে শুরু করেছিলেন তিনি সেটি নিয়ে আজও রয়েছে রহস্য৷ মাতা বৈষ্ণোদেবীর পুজার কারণেই নয়দিন ধরে নবরাত্রি পালন করা হয় দেশজুড়ে৷ বৈষ্ণোদেবী কলিযুগের সময়ে সকলকে নিজের সন্তানের মতন রক্ষা করেছিলেন৷

মা বৈষ্ণোদেবীকে ঘিরে রয়েছে এখনও বহু রহস্য৷ কিভাবে এই গুহা তৈরি হয়েছিল সেটিও জানা যায়নি এখনও৷ মনে করা হয়, এই মন্দির বিশ্বের মধ্যে সবথেকে পবিত্রতম স্থান৷ মোট তিনটি গুহা রয়েছে৷ এগুলির মধ্যে একটি গুহা বছরের বিভিন্ন সময়েই বন্ধ থাকে৷ ভক্তদের জন্য শুধুমাত্র একটি গুহাই সবসময় খোলা থাকে৷

তবে, বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে যে একবার যায়, সে আর দ্বিতীয়বার ওই মন্দিরে যেতে চান না৷ কারণ এই পথ অত্যন্ত দুর্গম৷ প্রতি মুহূর্তে রয়েছে মৃত্যুভয়৷ পায়ে হেঁটে এই দুর্গম পথ দিয়ে মন্দিরে পৌঁছতে হয়৷

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71