মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯
মঙ্গলবার, ৪ঠা আষাঢ় ১৪২৬
 
 
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা এখন চন্দ্রাপুরে!
প্রকাশ: ১২:১১ pm ৩১-০৫-২০১৯ হালনাগাদ: ১২:১১ pm ৩১-০৫-২০১৯
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


দাবদাহে পুড়ছে ভারতের অনেক এলাকা। তাপমাত্র পৌঁছেছে ৪৮ ডিগ্রি পর্যন্ত। কয়েকটি এলাকায় এক সপ্তাহ ধরে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আরও কয়েক দিন এ অবস্থা থাকবে। আগামী ২-৩ দিনে পরিস্থিতি বদলানোর কোনো সম্ভাবনা নেই৷

এরই মধ্য গরমে বেশি পুড়ছে মহারাষ্ট্র রাজ্যের চন্দ্রাপুর গ্রাম। জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝি এসে মহারাষ্ট্রের এই এলাকার তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে৷ এটি ভারতের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড।

এর আগে ২০১০ সালের পাকিস্তানের জোকোবাবাদে রেকর্ড তাপমাত্রা ছোঁয় ৫৩ ডিগ্রির সেলসিয়াসের ঘরে৷ এর চেয়ে ৫ ডিগ্রি কমে মহারাষ্ট্রের চন্দ্রাপুরের তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ আসলে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, পুরো ভারতের গরম বুঝিয়ে দিচ্ছে জ্যৈষ্ঠ মাস আসলে কী।

রেকর্ড বুক বলছে মহারাষ্ট্রের এ তাপমাত্রা এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত বিশ্বের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা৷ চন্দ্রাপুরের পরই আছে রাজস্থানের নাম৷ লু হাওয়া বইছে মহারাষ্ট্রজুড়ে৷ এখানকার তাপমাত্রা ৪৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, চন্দ্রাপুরে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে এখন ৪ ডিগ্রি বেশি৷ তীব্র দাবদাহে নাভিশ্বাস অবস্থা এখানকার মানুষের।

রাজস্থানের রাজ্যের অন্য প্রান্তে বিকানির ও গঙ্গানগর৷ এখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বুধবার ছিল ৪৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ জয়সলমির, কোটা ও বারমের তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৪৫-এর ঘর৷ মহারাষ্ট্রের নাগপুরও পুড়ছে গরমে, তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি৷

হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের অবস্থাও বেশ খারাপ। এ দুই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তাপমাত্রা ৪৫-৪৬ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে৷ হরিয়ানার নারনাউল এলাকায় তাপমাত্রা ৪৬ দশমিক ২ ডিগ্রি৷ প্রায় একই অবস্থা চণ্ডীগড়ের। গতকাল বুধবার চন্ডীগড়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২ দশমিক ৪ ডিগ্রি৷

পুড়ছে দক্ষিণ ভারতও৷ তেলেঙ্গানার আদিলাবাদ জেলার তাপমাত্রা ৪৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি৷ নালগোণ্ডা ও হানামকোণ্ডার তাপমাত্রা ৪৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি, হায়দরাবাদের তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমাচল প্রদেশেও গরমের উপস্থিতি জানান দিচ্ছে৷ উনাতে তাপমাত্রা ছিল ৪৩ ডিগ্রি৷ জম্মুতে ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে৷

কিছুটা স্বস্তি আছে পশ্চিমবঙ্গে। তবে এখানেও অবস্থার অবনতি হচ্ছে৷ সাতসকালেই কলকাতা শহরের পারদ ৩৮ ছুঁই ছুঁই। পরিস্থিতি ক্রমে অসহ্য হয়ে উঠছে।

সূএ: এনডিটিভি

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71