মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ২০১৮
মঙ্গলবার, ৬ই ভাদ্র ১৪২৫
 
 
বেলকুচিতে জ্যৈষ্ঠের প্রথম সপ্তাহে বাজারে এলো দেশি-বিদেশী আম
প্রকাশ: ০২:১৬ pm ২৮-০৫-২০১৮ হালনাগাদ: ০২:১৬ pm ২৮-০৫-২০১৮
 
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
 
 
 
 


কয়েকদিন আগেই সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার মুকুন্দগাঁতী ও চালা গ্যারেজ বাজারে উঠেছে দেশি আম। এবার জ্যৈষ্ঠের প্রথম সপ্তাহেই বাজারে এলো দেশি নানা রকমের আম। দেশী আমের আগমনের মধ্যে দিয়ে মৌসুমে এবারই প্রথম উঠলো দেশি আম বাজারে। 

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, স্বল্প পরিমাণে বাজারে আসতে শুরু করেছে দেশী আম। মৌসুমের নতুন ফল, তাই দাম বেশি। কিন্তু পরিমাণে কম হলেও চড়া দামেই পছন্দের ফলটি কিনছেন ক্রেতারা। তবে কিছু কিছু আম ফলের দোকানে পাইকারী আম দেখা মিলছে। এর সংখ্যা বড়ই নগন্য। তবে বাজারে এ আমের চাইতে দেশী আমের কদর অনেকটাই বেশী।
 
বেলকুচির মুকুন্দগাঁতী বাজারে নিজের ফলের দোকানে প্রথম আম সাজিয়েছেন বিক্রেতারা। বিক্রিতারা জানান, প্রতিকেজি বিদেশী আম গোপালভোগ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা এবং দেশী আম প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ দরে বিক্রি করছেন। আর কিছু দিন পর বিভিন্ন জাতের আম বেশি পরিমাণে উঠলে দাম কমবে বলে জানান তিনি।

আমের ক্রেতা মহররম আলী বলেন, বাজারে এসে পাকা আম দেখেই তিনি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু তার কাছে দাম একটু বেশিই মনে হচ্ছে। এরপরেও পরিবারের সদস্যদের মৌসুমের প্রথম আমের স্বাদ দিতে কম করে হলেও আম কিনেছেন। আলাপ শেষে তিনি দুই কেজি আম কিনে নিয়ে যান।

জানা গেছে, সপ্তাহের প্রথম থেকেই উপজেলার বেলকুচি, রাজাপুর, দৌলতপুর, ধুকুরিয়াবেড়া, বড়ধুল ইউনিয়ন বাড়ির আম বিক্রির জন্য বাজারে তুলছেন বাগান মালিকরা। মুকুন্দগাঁতী ছাড়াও  চালা ও কামাপাড়া বাজারে আম বিক্রি হচ্ছে।  

অন্য দিকে প্রিন্ট মিডিয়া ও অনলাইন সূত্রে জানা যায়, বিদেশী আম এখনও বাজারে তেমন পাওয়া যাবে না। কারণ রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সুব্রত পাল জানিয়েছেন, কৃত্রিম উপায়ে আম পাকানো বন্ধে বিভিন্ন জাতের আম পাড়ার ক্ষেত্রে এবার বিভিন্ন তারিখ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় প্রতিটি উপজেলা প্রশাসন ঠিক করে দিয়েছে কোনো আমটি কত তারিখের আগে পাড়া যাবে না। বিষয়টি দেখভালের জন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কমিটিও করে দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এবার সবার আগে গোপালভোগ জাতের আম পাড়ার সময় ছিল ১৫ মে। তবে গাছে আম পাকা শুরু করলে দুই-চার দিন আগেও চাষিরা আম পাড়তে পারবেন। গোপালভোগের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই গাছে গোপালভোগ পাকতে শুরু করায় চাষিরা তা পেড়ে বাজারে তুলতে শুরু করেছেন।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ৮ বছরের ব্যবধানে রাজশাহীতে আমের আবাদ বেড়েছে ৮ হাজার ৭২৯ হেক্টের জমিতে। আর উৎপাদন বেড়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৬২৯ মেট্রিক টন। এ বছর রাজশাহীর ১৬ হাজার ৫৮৩ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। প্রতি হেক্টরে ১০ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে কৃষি বিভাগ। তবে এবার কালবৈশাখীতে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক দেব দুলাল ঢালি জানিয়েছেন, এবার রাজশাহীর শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশি গাছে মুকুল এসেছিল। গাছে গাছে পর্যাপ্ত গুটিও এসেছিল। তাই কালবৈশাখীতে অনেক আম ঝরে গেলেও উৎপাদনে কোনো ঘাটতি থাকবে না। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সিকেএ/বিডি

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71