শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
শনিবার, ৪ঠা ফাল্গুন ১৪২৫
 
 
বেলকুচিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধর
প্রকাশ: ০৬:৫১ pm ১৩-০৮-২০১৭ হালনাগাদ: ০৬:৫১ pm ১৩-০৮-২০১৭
 
বেলকুচি (সিরাগগঞ্জ) প্রতিনিধি :
 
 
 
 


সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার (৩-জুলাই, ২০১৭ ইং) বেলকুচি পৌরসভা এলাকায় মর্মান্তিক মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয় মৃত গুরুপদ চক্রবতীর ছেলে মাধব চক্রবর্তী।
 
এলাকাবাসী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মন সমাজের সমিতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির পর উত্তেজিত অবস্থায় মৃত গৌর চক্রবর্তীর ছেলে সুভাষ চক্রবতী, তপন চক্রবর্তী, রতন চক্রবর্তী এবং সুভাষ চক্রবর্তীর ছেলে সুমন চক্রবতী ও সুব্রত চক্রবর্তী, তপন চক্রবর্তীর ছেলে উৎপল চক্রবর্তী পূর্ব কল্পিত ভাবে মাধব চক্রবর্তী কোথায় যায়, কি করে এবং কখন বাড়িতে ফেরে এসব গতি বিধি লক্ষ্য করে সন্ধ্যা ৭ টার সময় রতন শীলের বাড়ি সামনে মাধব চক্রবর্তীকে হত্যার করা উদ্দেশ্য তাকে আক্রমন করে এবং লোহার রড ও হাতুরী দিয়ে এলোপাখারি ভাবে মাধব চক্রবতীকে ব্যাপক ভাবে মারধর করে এবং রক্তাক্ত জখম করে। 

তার চিৎকারে গাড়ামাসী গ্রামের আলমগীর, ফজল ও শাহ আলম এগিয়ে আসলে তাদেরকের বলা হয় ব্রাহ্মন সমাজের ব্যাপার, তোমারা কেন এসেছে? উগ্রবাদীরা এ কথা বলে তাদেরকেও মারধর করে। 

এ ব্যাপারে ৪ জুলাই-২০১৭ ইং তারিখে সাবেক ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন প্রামাণিক এর বাসায় সমাধনের জন্য বসা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর গ্রামের ডাঃ কার্ত্তিক চন্দ্র রায়, গাড়ামাসী গ্রামের ডাঃ নিমাই চন্দ্র রায়, অসিত ঘোষ, চালা গ্রামের শ্যামল সান্যাল, চন্দনগাঁতী গ্রামের লক্ষন চক্রবর্তী, সুবর্ণসাড়া গ্রামের বিকাশ বাগচী  সহ অন্যান্য ব্রাহ্মণগন। 

বেলকুচি থানার উপ-পরিদর্শক শামীম রেজা জানান, পূর্বের মামলা আনুযায়ী ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিত সন্ধ্যায় তার দোকান মুকুন্দগাঁতী বাজার থেকে আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। রবিাবর সকালে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আহত মাধব চক্রবর্তীর স্ত্রী শিপ্রা চক্রবর্তী বেলকুচি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তী আসামীদের গ্রেফতার করার অভিযান চলছে।

সি/এসএম

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

সম্পাদক : সুকৃতি কুমার মন্ডল 

 খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

+8801711-98 15 52

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2019 Eibela.Com
Developed by: coder71