শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮
শুক্রবার, ৩০শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসাকে হত্যার পরিকল্পনা জঙ্গি সংগঠন আইএসের
প্রকাশ: ১০:১৫ am ২০-০৭-২০১৮ হালনাগাদ: ১০:১৭ am ২০-০৭-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


কালো–বাদামি রঙের কারব্রিনি স্পোর্টস ব্যাগ পীঠে। মাথা থেকে গা ঢাকা ছিল জ্যাকেটে। ব্রিটেনের রাজপথ ডাউনিং স্ট্রিটে একেবারে পর্যটকের ছদ্মবেশে এগিয়ে চলেছে বছর কুড়ির যুবক। যাকে দেখে কোনও সন্দেহ হওয়ার উপায় নেই। সময়টাও নির্ধারণ করে ফেলেছিল সঠিকভাবেই। সে জানত একটা গোটা বাসভবন ধূলোয় কিভাবে মিশিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু ১০ সেকেন্ড সময়ের এদিক–ওদিকে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে হত্যার ছক বানচাল হয়ে যায়। হ্যাঁ, থেরেসা মে। যিনি ব্রিটেনের নাগরিকদের কাছে শুধু জনপ্রিয়ই নন, পাশে থাকা এক নেত্রী। তাঁকেই করা হয়েছিল হত্যার ছক।
 
ছকটি করেছিল নাইমুর জাকারিয়া রহমান। মাত্র ২০ বছর বয়সে সে যুক্ত হয়ে পড়েছিল আইএস জঙ্গি সংগঠনে। তবে এই ছকে সে একা ছিল না। শায়ক বলে আরও একজন যুক্ত ছিল। যার দায়িত্ব ছিল জঙ্গি রহমানের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার। যদিও এই ছক কাজে আসেনি। ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের তৎপরতায় পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় তারা। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে। প্রায় ১ বছর বাদে লন্ডনের ওল্ড ব্যালে কোর্ট সন্ত্রাসবাদ কার্যকলাপের জন্য দোষী সাব্যস্ত করল তাদের।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর লন্ডনে বসবাস করত রহমান। ব্রিটিশ সরকারকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সে বাংলাদেশের নাগরিক। কিন্তু এখানে এসে নাইমুর জাকারিয়া রহমান হয়ে পড়েছিল বাংলাদেশি–ব্রিটিশ। এখানের শিল্পাঞ্চল এলাকা বার্মিংহামে থাকত রহমানের চাচা। যে রহমানকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিল সন্ত্রাসবাদই মুক্তির পথ। যদিও ২০১৪ সালে রহমানের চাচা ব্রিটেন ত্যাগ করেছিল সিরিয়া যাওয়ার জন্য। তার কাছ থেকেই বোমা তৈরি থেকে নানা নাশকতামূলক কাজকর্ম শিখেছিল রহমান। কিন্তু রাকায় ড্রোণ হামলায় নিহত হয় রহমানের শিক্ষক চাচা মুসাদিকুর রহমান। তখনই সে পরিকল্পনা করে প্রতিশোধ নেবে সে। আর সেই প্রতিশোধ হবে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে হত্যার মাধ্যমে। রহমানের মা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এই পরিকল্পনার কথা জানতে পেরে তারে নিষেধ করেছিল। কিন্তু বেপরোয়া রহমান বাড়ির সবার সঙ্গে ঝগড়া করে বাড়ি ছেড়েছিল। তারপর যোগ দেওয়া আইএস জঙ্গি সংগঠনে। 

টেলিগ্রাম ম্যাসেজিং অ্যাপে সে জঙ্গি সংগঠনের এক শীর্ষ নেতাকে লিখেছিল, ‘‌আমি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে চাই। আমি টেরেজা মে’‌কে খুন করতে চাই।’‌ পরেরদিন ফের সে লেখে, ‘‌আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছতে অবিচল। তাতে কিছু পার্লামেন্টের সদস্য মারা যেতে পারে তার বেশি কিছু নয়।’‌

নি এম/ ‌‌

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71