বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৮
বৃহঃস্পতিবার, ৮ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫
 
 
ব্রেন ক্যানসার গ্লিয়োব্লাস্টোমা কি?
প্রকাশ: ০৬:০০ pm ২২-০৪-২০১৮ হালনাগাদ: ০৬:০০ pm ২২-০৪-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ব্রেন ক্যানসার সত্যিই একটি বিরল রোগ কিন্তু এই রোগের নানা ধরন রয়েছে। যার মধ্যে একটি ব্রেন ক্যানসার হচ্ছে গ্লিয়োব্লাস্টোমা। এটি এক ধরনের ম্যালিগন্যান্ট ব্রেন টিউমর। তবে প্রথমেই মনে রাখতে হবে ব্রেন টিউমর মানেই কিন্তু ব্রেন ক্যানসার নয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই ব্রেন টিউমর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কিছু কিছু ব্রেন টিউমর 'ম্যালিগন্যান্ট' প্রকৃতির হয় এবং সেই ধরনের টিউমরকেই 'ক্যানসারাস' বলা  হয়। অ্যামেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ নিউরোলজিক্যাল সার্জনসের তথ্য অনুযায়ী, গ্লিয়োব্লাস্টোমাতে আক্রান্তরা সাধারণত পূর্ণবয়স্ক পুরুষ হয়ে থাকেন।  

এই বিশেষ ধরনের ক্যানসারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল খুব দ্রুত তা শরীরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সচরাচর এই রোগ ধরা পড়ার পরে খুব বেশিদিন বাঁচার সম্ভাবনা কম। অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, রোগের সিম্পটমগুলো যতটা সম্ভব কমানোর জন্য কিছু চিকিৎসা রয়েছে বটে কিন্তু সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব নয়। রোগীর বয়স যত কম, এই রোগ ধরা পড়ার পরে তার বেঁচে থাকার সময়কাল তত বেশি।

তবে এ রোগ থেকে কিভাবে সতর্ক থাকা যায়? কী কী লক্ষণ এই রোগের? সাবধানতার জন্য এ গুলো জানা একান্ত প্রয়োজন। প্রত্যেকটি বড় ধরনের অসুখের ক্ষেত্রেই শরীরে কিছু সিম্পটম বা লক্ষণ দেখা যায়। সেই লক্ষণগুলি দেখে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে অনেক সময়েই নিরাময়ের সম্ভাবনা থাকে। ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস হেলথ সায়েন্স সেন্টারের বিশেষজ্ঞ চার্লস ডেভিস কয়েকটি সাধারণ লক্ষণের কথা বলেছেন, যেগুলো কিন্তু ব্রেন ক্যানসারের পূর্বসূচনা হতে পারে—  

১. সেইজার বা মৃগী।
২. মানসিক অবস্থার হঠাৎ পরিবর্তন যেমন অত্যাধিক ঘুম পাওয়া, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়া অথবা মনোযোগের অভাব।
৩. চোখ ঠিক থাকা সত্ত্বেও কোনও কারণ ছাড়াই দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা।
৪. কথা জড়িয়ে যাওয়া অথবা সঠিক শব্দে নিজেকে প্রকাশ করতে না পারা।  
৫. আচার-আচরণ-ব্যবহারে হঠাৎ কিছু অস্বাভাবিক পরিবর্তন।  
৬. চলাফেরায় জড়তা বা হাঁটতে অসুবিধা।
৭. বমি ভাব বা বার বার বমি হওয়া।
৮. হঠাৎ করে জ্বর আসা, বিশেষ করে কেমোথেরাপির পরে।
৯. মাথার যন্ত্রণা।

তবে শেষের লক্ষণটি দেখে বোঝা সবচেয়ে কঠিন কারণ এটি শুধু ব্রেন ক্যানসারের কারনে নয়, একাধিক কারণে হতে পারে। বিশেষ করে যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে বা সাইনাস রয়েছে, তাদের কাছে এটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। তবু সাবধান থাকতে হবে। তাই উপরের এই লক্ষণগুলোর কোনটি যদি বেশ অনেকদিন ধরে ঘটে, তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71