বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮
বুধবার, ৩০শে কার্তিক ১৪২৫
 
 
বয়স থেমে গেছে ৪১ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ মায়ের
প্রকাশ: ০৯:৪৭ am ২৪-০৪-২০১৮ হালনাগাদ: ০৯:৪৭ am ২৪-০৪-২০১৮
 
এইবেলা ডেস্ক
 
 
 
 


ভীষণ বিপদে পড়ে গেছেন ব্রিটেনের ৪১ বছর বয়সী এক মা। তার নাম সিমি মুনসি। তার ছেলের বয়স (উপরের ছবিতে সিমির সঙ্গে) ২০ বছর, নাম আমিন। সিমির সমস্যা হলো, পুত্রের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কোনো ছবি পোস্ট করতে পারেন না তিনি। আমিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে সবাই ভুল বোঝে। কেউ বয়ফ্রেন্ড মনে করে রসালো মন্তব্য করেন নয়তো ‘ভাই’ নাকি অন্য কোনো আত্মীয় তা জিজ্ঞাসা করেন। আদরের সন্তানকে নিয়ে মার্কেটে কিংবা পার্কে কিংবা কোনো হোটেলেও যেতে পারেন না। লোকে বাকা চোখে তাকায়।

সিমির সমস্যা হলো, গাণিতিকভাবে তার বয়স বাড়লেও শারিরীকভাবে তা বাড়ছে না। কোনো এক রহস্যময় কারণে তার চেহারা আটকে গেছে বিশের কোটায়। সবাই তাকে মনে করে ২০ বছরের তরুণী। কারণ বিশের পর থেকে একটুও বদলায়নি তার চেহারা। অথচ তার স্কুল ও কলেজ জীবনের বান্ধবীদের চেহারায় রীতিমতো ‘মুরব্বী’ ভাব চলে এসেছে। ব্রিটেনের জনপ্রিয় পত্রিকাকে সিমি বলেন, আমার মনে হচ্ছে আমার বয়সটা থেমে গেছে। আমার ২০ বছরের ছবি এবং বর্তমান ছবি পাশাপাশি রাখলে কেউ কোনো পার্থক্য খুঁজে পায় না। মনে করে দুটো একই সময়ের ছবি।

সিমি বলেন, ‘প্রথমে আমি বিষয়টাতে গুরুত্ব দিতাম না। কিন্তু ছেলের জন্মের ১০ বছর পরেও সবাই বলতো আমার চেহারায় কোনো পরিবর্তন আসছে না। আরো ১০ বছর পার হবার পরেও লোকের মুখে একই কথা। এখন আমি নিজেও বিষয়টা বুঝতে পারি।’

মজার ব্যাপার হলো, এই ‘চিরযৌবন’ প্রাপ্তির পেছনে তার কোনো গোপন কৌশল লুকিয়ে নেই। সিমি জানান, তিনি রূপচর্চা করেন না। প্রাকৃতিক স্বাভাবিক খাবার খান। জীবনে কখনো এলকোহল জাতীয় কিছু পান করেননি। গ্রিন টি পান করেন আর প্রচুর পানি পান করেন। জিমে গিয়ে ব্যায়ামও করেন। চেহারা নিয়ে তার মধ্যে কোনো বাতিক কাজ করে না। আয়নায় নিজের মুখ কমই দেখা হয় বলে জানান তিনি। সিমি জানান, তার বাবা এবং মাকেও বয়সের তুলনায় তরুণ লাগে। তাই বিষয়টা জিনগত বলে মনে করছেন তিনি। ছেলেকে নিয়ে অসংখ্যবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘‘ভুল সংশোধন করে দেয়ার আগে অধিকাংশ লোকেই ওকে আমার বয়ফ্রেন্ড মনে করে। একবার পোল্যান্ডে বেড়াতে গিয়ে হোটেল বুকিংয়ের সময় আমিনকে যখন আমার ছেলে হিসাবে পরিচয় দিলাম তখন বুকিং অফিসার কিছুইতেই সেটা মানতে চাইছিলেন না। তিনি জোর করে আমার মুখ দিয়ে স্বীকার করানোর চেষ্টা করেন যে আমরা হয় প্রেমিক-প্রেমিকা নয়তো স্বামী-স্ত্রী! এতে আমিন খুব বিব্রত হয়েছিল। সূএ: ডেইলি মেইল

নি এম/

 
 
 
   
  Print  
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
Study in RUSSIA
 
আরও খবর

 
 
 
 
 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : নিন্দ্রা ভৌমিক

খবর প্রেরণ করুন # info.eibela@gmail.com

ফোন : +8801517-29 00 02

a concern of Eibela Foundation

Request Mobile Site

 

 

Copyright © 2018 Eibela.Com
Developed by: coder71